চীনকে টেক্কা দিতে বড়োসড়ো পরিকল্পনা কেন্দ্রের, হুড়মুড়িয়ে কমতে পারে পেট্রোল-ডিজেলের দাম

গত বছরের সবথেকে উল্লেখযোগ্য বিষয় ছিল পেট্রোল এবং ডিজেলের বর্ধিত দাম। প্রায় প্রতি মাসে যেভাবে লাফিয়ে লাফিয়ে উঠেছিল পেট্রোল এবং ডিজেলের দাম, তাতে করে অনেকেই ইলেকট্রিক স্কুটার কেনার দিকে আগ্রহ প্রকাশ করেছিলেন। তবে এবার প্রতিবেশী রাষ্ট্র চীনকে টেক্কা দিতে গিয়ে সাধারণ মানুষের জন্য সুখবর নিয়ে এসেছে ভারত বর্ষ।

ইতিমধ্যেই ইন্টারন্যাশনাল এনার্জি এজেন্সির রিসার্চের ভিত্তিতে জানা গেছে, ইথানলের অন্যতম বৃহত্তম বাজার হতে চলেছে ভারত বর্ষ। ২০২৬ সালের মধ্যে আমেরিকা ব্রাজিলের পর বিশ্বের তৃতীয় বৃহত্তম ইথানলের বাজার হিসাবে উঠে আসবে ভারতের নাম। পাশাপাশি ইথানল ব্যবহারকারী হিসেবে অদূর ভবিষ্যতে প্রতিবেশী দেশ চীনকে টেক্কা দিতে পারবে ভারত বর্ষ।

সংস্থা থেকে আরো জানা গেছে, ইথানল মিশ্রন সম্প্রসারণে ভারত ইতিমধ্যেই অনেকটা এগিয়ে গেছে। যেখানে ২০১৭ সালে ভারতবর্ষের ব্লেন্ডিং ছিল ২ শতাংশ, সেখানে কত বছর ভারতের পরিমাণ ৮ শতাংশে পৌঁছেছে। তবে শীঘ্রই সেটি ১০% পৌঁছে যাবে বলে মনে করা হচ্ছে। তবে চীনকে টেক্কা দিতে গিয়ে ভারত সরকার যে সাধারণ মানুষের সামনে আরো একবার ভালো দিনের দরজা খুলে দিতে চলেছে তা বলাই বাহুল্য।

ভারতে ইথানলের ব্যবহার বৃদ্ধি পেলে সব থেকে বেশি উপকার পাবেন সাধারণ মানুষ। ইথানলের ব্যবহার বেড়ে গেলে জ্বালানির খরচ অনেকটাই কমে যাবে। জ্বালানির খরচ কমে গেলে একদিকে যেমন জ্বালানির মূল্য বৃদ্ধি কমে যাবে তেমন অন্যদিকে কমে যাবে পরিবহনের ভাড়া। বর্তমানে ভারতে এক লিটার ইথানলের দাম ৬২.৬৫ টাকা। বুঝতেই পারছেন, পেট্রোলের ডিজেলের থেকে কতটা সাশ্রয় হবে ইথানল ব্যবহার করলে।

প্রসঙ্গত, ইথানল হল একটি জৈব জ্বালানি যা তৈরি করা হয় ভুট্টা থেকে। পেট্রোল এবং ডিজেলের বিকল্প জ্বালানি হিসেবে ব্যবহার করা হয় ইথানল। ইথানল পোড়ালে বায়ু দূষণ হয় না, অর্থাৎ এটি পরিষ্কার এবং পুনর্নবীকরণযোগ্য শক্তি।