ভয় শুরু পাকিস্তানের! শব্দের থেকে তিনগুন গতিতে চলা মারক সুপারসনিক ব্রহ্মস মিসাইলের সফল পরীক্ষণ করল ভারত

অনুসন্ধান কেন্দ্র (DRDO) এবং প্রতিরক্ষা বিকাস উড়িষ্যা চাঁদিপুর রেঞ্জে ব্রাহ্মস সুপারসনিক ক্রুজ মিসাইল গ্রাউন্ড ভার্সনের পরীক্ষা সফল করল ভারত গত 30 শে সেপ্টেম্বর। আর এই ক্রুজ মিসাইল এমনই একটি মিসাইল যেটি তিনটি জায়গাতেই নিশানা সাধন করতে পারে কাজেই স্থলে হোক বায়ু তে হোক কিংবা জলেই হোক না কেন। এই মিসাইলের মারক ক্ষমতা অভেদ্য।তাছাড়া বর্তমানে এমন কোন মিসাইল এখনো পর্যন্ত পাকিস্তান বা চীনের কাছে নেই যেটি জল স্থল কিংবা বায়ু একসাথে তিনটি জায়গাতেই নিশানা সাধন করতে পারবে।

তবে এখন বর্তমানে ভারত এবং রাশিয়া অভয় মিলে এই মিসাইল টির ক্ষমতাকে আরো মারাত্মক করার জন্য আর রেঞ্জ বাড়ানোর জন্য হাইপারসনিক সিস্টেমে কাজ করছে। পাওয়া তথ্য অনুযায়ী জানতে পারা যাচ্ছে আগামী দিনের রাশিয়া এই সুপারসনিক ক্রুজ মিসাইল গ্রাউন্ড ভার্সনের রেঞ্জ ক্ষমতাকে 290 কিলোমিটার থেকে বাড়িয়ে 600 কিলোমিটার করার পরিকল্পনা করেছে। যার ফলে শুধুমাত্র গোটা পাকিস্তানের মিসাইল এর রেঞ্জ থাকবে না অন্যান্য অনেক দূরত্ব পর্যন্ত চোখের নিমেষের মধ্যে ধ্বংস করে দেবে এই সুপারসনিক মিসাইল।

আরো বলে রাখি এই ব্রাহ্মস মিসাইল হলো কম দূরত্বের রেজমেন্ট ইঞ্জিন যুক্ত সুপারসনিক ক্রুজ মিসাইল। তাছাড়া এই মিসাইলটিকে সাবমেরিন জাহাজ, যুদ্ধ বিমান অথবা মাটি থেকেও খুব সহজেই ফায়ার করতে ব্যবহার করা যায়। এছাড়া এই মিসাইল টির যেকোনো পরিস্থিতিতেই ফায়ার করা যেতে পারে তাছাড়া এই মিসাইলের আরো একটি বিশেষত্ব হল যেকোনো পরিস্থিতিতে এই মিসাইল টির মারান ক্ষমতা কমে যায় না। তাছাড়া রেমজেট ইঞ্জিনের কারণেই এই মিসাইল এর যে ক্ষমতা সেটি আরো তিনগুণ বেড়ে যায়।

যদি কোন মিসাইল এর রেঞ্জ ক্ষমতা 100 কিলোমিটার পর্যন্ত থাকে তাহলে এই রেজমেন্ট ইঞ্জিন টির সাহায্যে তার ক্ষমতা 300 কিলোমিটার হয়ে যায়।তারপর আবার রাশিয়ার সংস্থা আর ভারতের ডিআরডিও মিলে একসঙ্গে এই সুপারসনিক স্কুল থেকে আরও উন্নত করে তোলার জন্য কাজ করছে।আরো বলে রাখি এই বিষয়টিকে রাশিয়ার পি-800 ক্রুজ মিসাইল এর টেকনোলজির উপর আধারিত করা হয়েছে।আর এই মিসাইল টির নাম ব্রাহ্মস রাখা হয়েছে যেটি রাশিয়ার মস্কোবা আর ভারতের ব্রহ্মপুত্র নদীর নামের উপর ভিত্তি করে। আরো বলে রাখি এই সুপারসনিক মিসাইলের গতি শব্দের গতির থেকেও তিনগুণ বেশি। আর এই মিসাইলটিকে একবার ফায়ার করা হলে শত্রুরা প্রাণে বাঁচার জন্য পর্যন্ত সময় পাবে না। যার দরুন এবার এই মিসাইলটিকে নিয়ে চিন্তায় পড়তে চলেছে পাকিস্তান ও চীন।