দেশনতুন খবরবিশেষভারতীয় সেনা

পাকিস্তান কে ধাক্কা দিয়ে আতংবাদের বিরুদ্ধে ভারতের পাশে দাঁড়ালো চীন।

40 সিআরপিএফ জাওয়ান বদলা নেওয়ার জন্য সীমান্ত পেরিয়ে পাকিস্তানি জঙ্গি ঘাটি গুলিতে ভারতীয় বায়ুসেনা হামলা চালিয়েছে। বালাকোট, মুজাফারবাদ সহ একাধিক জঙ্গি ঘাঁটিগুলি গুড়িয়ে দিয়েছে ভারতীয় বায়ুসেনা। ভারতীয় বায়ুসেনার এ হামলায় প্রায় তিনশোর বেশি জঙ্গি মারা গিয়েছে বলে খবর এসেছে। ভারতীয় বায়ুসোনার পাল্টা আক্রমণে পাকিস্তানের কোমর ভেঙে গেছে। এই ঘটনা ঘটার পর বুধবার পাকসেনা লাগাতার গোলাবর্ষণ করে। এর জবাবে ভারতীয় সেনা পাকিস্তানের বেশ কয়েকটি সেনা ঘাঁটি গুঁড়িয়ে দিয়েছে। এর পরেও যুদ্ধে উস্কানি দিতে আজ বুধবার সীমান্ত পেরিয়ে ভারতে আসে পাকিস্তানের যুদ্ধ বিমান।

 

 

 

 

পাকিস্তানের যুদ্ধ বিমান গুলির মধ্যে একটিও যুদ্ধবিমান কে গুলি করে নামায় ভারতীয় সেনা। পাল্টা জবাব দিতে ভারতীয় বায়ুসেনা দুটি বিমান উড়ায়। পাকিস্তানের দাবি মধ্যে ভারতীয় যুদ্ধবিমান গুলির মধ্যে একটিকে তারা গুলি করে নামিয়েছে। এই ঘটনাগুলো পর দু’দেশের উত্তেজনা এখন চরম মুহুর্তে। এরকম একটা পরিস্থিতিতে যুদ্ধকালীন তৎপরতায় জন্য দেশের দশটি এয়ারপোর্ট কে বন্ধ রাখার নির্দেশ দেওয়া হয়েছিল।এছাড়াও বায়ুসেনা কে সব রকম পরিস্থিতির জন্য তৈরি থাকতে বলা হয়েছিল। বর্তমানে যে কোন সময় যুদ্ধের আশঙ্কা ভুগছে পাকিস্তান। ঠিক এমন একটি উত্তপ্ত অবস্থায় সুর নরম করেছে পাকিস্তান। পাকিস্তান ভারতকে আলোচনার বার্তা দিচ্ছে। পাক সেনা মুখপাত্র জানান যে, আমরা ভারতের সাথে যুদ্ধ করতে চায় না। তিনি এটাও বলেন যুদ্ধ কোনো সমস্যার সমাধান নয়। এছাড়াও উত্তেজনা কমানোর জন্য পাকিস্তান তরফ থেকে আলোচনা করার প্রস্তাব দিয়েছে বলে জানা যায়।

 

 

 

 

সামরিক পর্যবেক্ষকরা বলছেন, পুলওয়ামার হামলার পর থেকেই বিভিন্ন দিক থেকে পাকিস্তানকে চাপ সৃষ্টি করতে লাগিয়ে দিয়েছে ভারত। সামরিক দিক থেকে তো বটেই কূটনৈতিক দিক থেকেও পাকিস্তানের উপর ধিরে ধিরে চাপ বাড়ছে। অপরদিকে আবার সন্ত্রাসবাদ ইস্যুতে পাকিস্তানকে এক ঘরে করে দেওয়ার সিদ্ধান্ত নিয়েছে আমেরিকা সহ আরও বিভিন্ন দেশ গুলি। চীন প্রথমে প্রথমে পাকিস্তানকে সাপোর্ট করলেও শেষ পর্যন্ত এ বিষয়ে চীনও পাকিস্তানের পাশে দাঁড়াতে পারেনি। একদিকে হয়ে যাওয়ায় পাকিস্তানের উপর প্রচণ্ড চাপ বাড়ছে। আর সেই চাপ কমাতে পাকিস্তান সেনার মুখে আলোচনা বার্তা শোনা যাচ্ছে। ভারত, রাশিয়া আর চীনের এই বৈঠকের পরে চীন ও পাকিস্তানের উপর দোষ চাপিয়ে ভারতের পাশে থাকার কথা বলে।

 

 

চীন থেকে বলা হয়, ‘আমরা সন্ত্রাসবাদকে নির্মূল করার জন্য সবরকম সাহাজ্য করব”। একই সময়ে কূটনীতিকরাও বলছিলেন যে পুলওয়ামার আক্রমণের পর চীন আর পাকিস্তানকে সাহায্য করবে না।বুধবার তিন দেশের বিদেশ মন্ত্রীর বৈঠকে পর আতঙ্কবাদের বিরুদ্ধে লড়াইয়ে ভারতের পাশে থাকার আশ্বাস দিয়েছেন দিনের বিদেশ মন্ত্রী ওয়াং ই৷ আর এই দিন এই তিনটি দেশ শপথ নেয় যারা আতংবাদি কে সাহায্য করবে তাদের বিরুদ্ধে আন্তর্জাতিক ক্ষেত্রে বিচার করা হবে। এই তিনটি দেশের 16 তম বিদেশ মন্ত্রকের বৈঠকের পর যৌথ বিবৃতি দিয়ে এমনটা জানানো হয়৷

Related Articles

Back to top button