এবার রাতের ঘুম উঠতে চলেছে পাকিস্তানের, ইসলামাবাদ থেকে 800 কিলোমিটারেরও কম দূরত্বে মোতায়েন করা হচ্ছে..

জম্মু-কাশ্মীর থেকে কেন্দ্র সরকার যবে থেকে অনুচ্ছেদ 370 কে বাতিল করেছে তবে থেকেই পাকিস্তান ভারত সরকারের উপর চটে রয়েছে। তারা বহু চেষ্টা করছে কিভাবে আন্তর্জাতিক মহলের কাছে ভারতের নাম খারাপ করা যায় তবে তাদের সমস্ত চেষ্টায় ব্যর্থ যাচ্ছে। এমনকি পাকিস্তান বারবার সীমান্তের যুদ্ধবিরতি চুক্তি লঙ্ঘন করেই চলেছে। তবে এবার ভারত পাকিস্তানের সীমান্তবর্তী দুই গ্রামে একেবারে গোপনে ব্যালিস্টিক ক্ষেপণাস্ত্র প্রতিরক্ষা ব্যবস্থা মোতায়েন করতে চলেছে।

খবর সূত্রে যা জানতে পারা গেছে সেখানে জানা যাচ্ছে এই আধুনিক এবং গোপন ব্যবস্থা মোতায়েন করা হবে রাজস্থানের আলওয়ার এবং পলি গ্রামে। তবে আরো বলে রাখি পাকিস্তানের রাজধানী ইসলামাবাদ থেকে ভারতের এই দুটি গ্রামের দূরত্ব মোটামুটি 800 কিলোমিটার হবে। একদম দেশীয় পদ্ধতিতে তৈরি এই দুই ক্ষেপণাস্ত্র কে মোতায়েন করার ব্যবস্থা করা হচ্ছে এই গ্রামে। শুধু তাই নয় পৃথিবীর আবহামন্ডল এর বাইরের ও ভিতর দিয়ে আসা যে কোন প্রকার ক্ষেপণাস্ত্র কে ঘায়েল করা যাবে এই ব্যবস্থার মাধ্যমেই।

এর সাথে সাথে 15 থেকে 20 কিলোমিটারের মধ্যে উচ্চতায় আসা যে কোন শত্রুর ক্ষেপণাস্ত্র ধ্বংস করতে পারবে এই ক্ষেপণাস্ত্র। এছাড়া 2000 কিলোমিটার পাল্লার মধ্যে যেকোনো ক্ষেপণাস্ত্র ধ্বংস করা যাবে। আর এই ক্ষেপণাস্ত্র ব্যবস্থারটির তৈরি সংরক্ষণের রাডার ইজরায়েলের সঙ্গে যৌথভাবে বানানো হয়েছে।অবশ্য তারা আরো জানতে এই ক্ষেপণাস্ত্রের আরো কয়েকটি পরীক্ষা-নিরীক্ষা করা হবে তারপরই পরীক্ষা-নিরীক্ষা শেষ হলেই ভারতীয় সেনাবাহিনীর হাতে তুলে দেয়া হবে এই ক্ষেপণাস্ত্রটি।

চলতি বছরের মার্চ মাসে এই ক্ষেপণাস্ত্র ব্যবস্থার পরীক্ষা সম্পন্ন করা হয়েছে,আমাদের মাধ্যমিক পরীক্ষা করে জানতে পারা যায় আবহমন্ডলের বাহিরে ও ভিতরে দিয়ে ধেয়ে আসা যেকোনো ক্ষেপণাস্ত্রকে ধ্বংস করতে পারে এটি। আপাতত নিউ দিল্লি তরফ থেকে এই ক্ষেপণাস্ত্র এটিকে পাকিস্তান সংলগ্ন সীমান্তবর্তী এলাকায় মোতায়েন করার সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে। আর পরবর্তীকালে নিউ দিল্লি এবং মুম্বাইতেও ধীরে ধীরে এই গোপন মিসাইল সিস্টেম বসানো হবে বলে সূত্রের খবর।

Related Articles

Close