ভারতের হাতে রয়েছে পাঁচটি বিকল্প যাতে মাথানত করতে বাধ্য হবে ড্রাগনের দেশ চীন..

লাদাখ সীমান্তে ভারত ও চীনের মধ্যে বেশ কয়েকদিন ধরেই সংঘর্ষ চলছে। এদিন ভারতীয় ভূখণ্ডে চীনা সেনারা ঢুকে ভারতীয় সেনাদের উপর আক্রমণ করে। এর ফলে আমাদের দেশের কয়েকজন জাওয়ান নিহত হন। তবে চীনা সেনাদের এই হামলার পাল্টা জবাব দেয় ভারতীয় সেনারাও। সবাই মিলিয়ে সীমান্তবর্তী এলাকায় বড় যুদ্ধের পরিস্থিতি তৈরি হয়েছে তা আর বলার অপেক্ষা রাখে না। চীনের এই হামলার পরে ভারতের তরফ থেকে কড়া হুঁশিয়ারি দেওয়া হয়েছে চীনকে।

ভারতের প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদীও হুঁশিয়ারি দিয়েছে চীনকে। তবে সামরিক ও অর্থনৈতিক দিক থেকে ভারতের থেকে অনেক বেশি শক্তিশালী চীন। তাই এই যুদ্ধকালীন পরিস্থিতিতে চীনকে কিভাবে কড়া জবাব দেওয়া যায় সেই সম্পর্কে নানান পরিকল্পনা করছে ভারত। কীভাবে চীনকে আক্রমণ করা যাবে সেই সম্পর্কে নানান ধরনের রণকৌশল উঠে আসছে বিভিন্ন মহল থেকে। এর আগেও 1962 সালে একবার ভারতের সাথে চীনের যুদ্ধ হয়েছিল। সেই সময় এই যুদ্ধে জয়ী হয়েছিল চীন। কিন্তু বিশেষজ্ঞদের মতে তখনকার ভারত আর এখনকার ভারত অনেক তফাৎ। তবে চীনের সাথে এই লড়াই সহজ হবে না বলে জানিয়েছেন তারা।

ভারতীয় সেনা এবং কূটনৈতিক মহল থেকে যে সমস্ত রণকৌশল করা হয়েছে বা করতে চলেছে সেই সম্পর্কে নিচে আলোচনা করা হলো – 1. চীনের বিরুদ্ধে যুদ্ধ রণনীতি কে অনেক শক্ত করতে হবে। চীনকে বুঝিয়ে দিতে হবে 62 সালের ভারত আর এখনকার ভারতের মধ্যে অনেক পার্থক্য রয়েছে। চীনের এই হামলার কড়া জবাব দিতে হবে ভারতকে।

2. বিশ্বের যে সমস্ত দেশ গুলি চীনের বিরুদ্ধে রয়েছে তাদের সাথে দ্রুত কূটনৈতিক সম্পর্ক গড়ে তুলুক। ইতিমধ্যেই আমেরিকা, জাপানের সাথে চীনের বিরোধিতা চরমে উঠেছে। এই সময় সমস্ত দেশগুলি মিলিয়ে চীনকে কড়া জবাব দিতে হবে যাতে পরবর্তী কালে এরকম করার সাহস না পায় চীন।

3. চীনের সঙ্গে দীর্ঘ যুদ্ধের প্রস্তুতি নিক ভারত। চীনের সাথে যদি দীর্ঘ যুদ্ধের প্রস্তুতি নিতে হয় তাহলে ভারতের অর্থনৈতিক ব্যবস্থাকে ব্যাপকভাবে চাঙ্গা করে তুলতে হবে। আর ভারত যখন আত্মনির্ভরশীল হবে তখনই একমাত্র অর্থনৈতিক দিক থেকে চাঙ্গা হতে পারবে ভারত।

4. IAC তে চীন ভারতের সাথে যেমন ভাবে কথা বলেছে ঠিক তেমনভাবে ভারত পাল্টা জবাব দিক চীনকে।

5. ভারতীয় নৌ-সেনারা সমুদ্র এলাকায় চীনকে পুরোপুরি ঘিরে ফেলুক, যার ফলে চীনের কাছে আলোচনায় বসা ছাড়া আর কোন রাস্তা না থাকে।


আপনাদের জানিয়ে দিই, 1975 সালের 20 অক্টোবর অরুণাচল প্রদেশের আসাম রাইফেল এর পেট্রোলিং পার্টিতে এইভাবে হামলা করে চীন। এ হামলার ফলে চারজন ভারতীয় সেনা শহীদ হন। চীন তখনও অতর্কিত হামলা করেছিল আবারো ফের তাই করলো। সুতরাং চীন তাদের প্রতিবেশী দেশের সাথে কীরকম ভাবে ব্যবহার করে তা আবারো প্রমাণ পেয়ে গেলাম আমরা। তবে ভারত ছেড়ে কথা বলবে না। ভারত, চীনের সমস্ত রণকৌশল বুঝে নিয়েছে এবার।