Categories
দেশ বিশেষ ভারতীয় সেনা

নিশানায় চীনের লাইফ লাইন, লাদাখ সীমান্তে মোতায়েন টি-90 ভিষ্ম..

সম্প্রতি লাদাখ কে নিয়ে ভারত এবং চীনের মধ্যে শুরু হওয়া বিবাদ আজ প্রায় দু মাস হতে চলেছে। দিন দিন চীনের সাথে ভারতের সম্পর্ক ক্রমশ অবনতির দিকে এগোচ্ছে, বারবার পরিস্থিতি খারাপ হওয়ার ইঙ্গিত মিলছে। আর ভারতের তরফ থেকে এখন নিজেদের ঘাতক অস্ত্র T-90 ট্যাঙ্ককে লাদাখে মোতায়েন করে দেওয়া হয়েছে অন্যদিকে চীনেও নিজেদের সীমান্তে ট্যাঙ্ক আর আর্মড বাহন, কামান আর সেনার মেতায়ন বাড়িয়ে দিয়েছে।

আর ভারতের তরফ থেকেও এর মোক্ষম জবাব দেওয়ার জন্য তৈরি করা হয়েছে ঘাতক হাতিয়ার সহ স্পেশাল ফোর্স যাদের কে ইতিমধ্যে লাদাখ চীন সীমান্তে মোতায়েন করা হয়েছে। লাদাখ যেহেতু খোলা প্রান্তর সেহেতু সেখানে ট্যাঙ্ক কে কাজে লাগানো ভালো সুযোগ রয়েছে তাছাড়া পূর্ব লাদাখের স্পাঙ্গুর গ্যাপ থেকে সোজা চীনে যাওয়া যায়। আর তার পাশাপাশি ডেমচৌক এলাকার পাঁচটি গুরুত্বপূর্ণ গ্যাপের সুরক্ষার দায়িত্বে রয়েছে ট্যাংক।যেখানে দুটি এলাকাতেই খোলা ময়দান হয়েছে যার ফলে ট্যাঙ্ক গুলো গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করবে সেখানে।

আর আপনাদের সুবিধার্থে বলে রাখি এইসব এলাকা গুলিতে মাটির বদলে বালির পরিমাণ বেশি রয়েছে তাই ট্যাঙ্ক গুলির মাধ্যমে দ্রুত এগিয়ে যাওয়া সহজ হবে গন্তব্যের দিকে। আর স্পাঙ্গুর গ্যাপ অথবা ডেমচৌক দুটি জায়গা থেকে চীনের গুরুত্বপূর্ণ হাইওয়ের কিলোমিটার বেশি দূরত্বে না।ফলে যদি যুদ্ধের পরিস্থিতি তৈরি হয় তাহলে কিন্তু এ ক্ষেত্রে চীনের কাছে এই হাইওয়ে সুরক্ষা করার বিষয়টি সবচেয়ে বেশি গুরুত্বপূর্ণ বিষয় হয়ে দাঁড়াবে।আর সে ক্ষেত্রে এই রাস্তা গুলিতে ভারতীয় ট্যাঙ্কের জন্য সহজ হয়ে যাবে।

 

এর আগে 2016 সালে লাদাখে ভারত প্রথম ব্রিগেড মোতায়েন করেছিল যেখানে ভারতের তরফ থেকে প্রথমে টি -75 মোতায়েন করা হয়েছিল কিন্তু যখন চীনের তরফ থেকে টি -95 ট্যাঙ্ক মোতায়েন করার খবর প্রকাশ্যে আসে তখন ভারতও টি-90 ট্যাঙ্ক পাঠিয়ে দেয় সেখানে। যদিও এর আগে 1962 সালের যুদ্ধে ভারতের সেনাবাহিনী লাদাখে এএসএক্স ট্যাঙ্ক পাঠিয়েছিল। যদিও এই ট্যাঙ্ক গুলি চুশুল,প্যাংইয়াং লেক এলাকায় চীনের বিরুদ্ধে কড়া মোকাবেলা করতে সক্ষম হয়েছিল এবং তাদেরকে রুখতে সক্ষম হয়েছিল। তারপরই পুরনো অভিজ্ঞতা থেকে ভারতীয় সেনারা একথা স্পষ্ট বুঝে গেছে লাদাখের বালির ময়দানে ভালো ট্যাঙ্ক কিন্তু যুদ্ধের পরিস্থিতি বদলে দিতে পারে।