Skip to content

দেখুন ভারতের কোন রাজ্যে মদ্যপায়ীর সংখ্যা সবচেয়ে বেশি? বাংলার নাম কী রয়েছে সেই তালিকায়?

মদ্যপান এবং ধূমপান যতই আমাদের স্বাস্থ্যের পক্ষে হানি কারক হোক না কেন, মহামারীর সময় আমরা দেখেছি এই অ্যালকোহলের ওপরে কিন্তু নির্ভর করেছিল আমাদের ভারতের অর্থনীতি। তাই যতই বদনাম করা হোক না কেন এই অ্যালকোহলকে কিন্তু পুরোপুরি অস্বীকার করা যায় না। আমাদের অর্থনীতির সাফল্যের পেছনে।

সম্প্রতি তেলেঙ্গানার পশুর পালন সমবায় সমিতির তরফে রাজ্য সরকারের কাছে পেশ করা একটি রিপোর্ট অনুযায়ী জানা গেছে, মাংস এবং মদ খাওয়ার ক্ষেত্রে দেশের অন্যান্য রাজ্যগুলির থেকে অনেকটা এগিয়ে রয়েছে তেলেঙ্গানা। মাথাপিছু বার্ষিক মাংস খাওয়ার পরিমান প্রায় ২১.৭ কেজি। মদ্যপানের ওপর এই সমীক্ষাটি পরিচালনা করা হয়েছিল কেন্দ্রীয় সামাজিক ন্যায় বিচার এবং ক্ষমতায়ন মন্ত্রক দ্বারা। গোটা দেশের যত শতাংশ মানুষ মদ পান করেন তার থেকে অনেক বেশি মদ্যপান করেন তেলেঙ্গানা মোট জনসংখ্যার মধ্যে থাকা মানুষ।

তেলেঙ্গানায় সারা দেশের মধ্যে সবথেকে বেশি সংখ্যক মানুষ আমিষ ভোজী। তেলেঙ্গানায় ভেড়া এবং ছাগলের মাংসের চাহিদা দিন দিন বৃদ্ধি পাচ্ছে। শুধুমাত্র এই কারণেই। স্বাভাবিকভাবেই মাংসের দামও উত্তরোত্তর বেড়েই চলেছে তেলেঙ্গানায়। ভেড়া এবং ছাগলের দাম প্রতি কেজিতে যথাক্রমে ৮০০ টাকা থেকে বেড়ে হয়ে দাঁড়িয়েছে ১ হাজার টাকা।

সম্প্রতি একটি সমীক্ষা অনুসারে জানা গেছে, আন্তর্জাতিক বাজারে প্রতি কেজি ভেড়া এবং ছাগলের মাংসের দাম যথাক্রমে ৬০০ এবং ৭০০ টাকার মধ্যে রয়েছে যেখানে তেলেঙ্গানায় ১ হাজার টাকা দরে এই মাংস বিক্রি করা হয়। তেলেঙ্গানা রাজ্যের মোট জনসংখ্যার প্রায় ১৯ শতাংশ মানুষ মধ্য পান করেন যেখানে সারা দেশের জনসংখ্যার প্রায় ১৭.৩% মানুষ মদ্যপান করেন।

জাতীয় স্বাস্থ্য সমীক্ষা অনুযায়ী, তেলেঙ্গানার পরে ক্রমানুসারে রয়েছে ছত্রিশগড়, উত্তর প্রদেশ, গোয়া, পাঞ্জাব, দিল্লী, উত্তরাখন্ড, মধ্যপ্রদেশ, পশ্চিমবঙ্গ এবং বিহার। বোঝাই যাচ্ছে মানুষের প্রতিদিনের আমোদ-প্রমোদের ক্ষেত্রে এই সূরা বা মদ অনেকটাই বড় ভূমিকা পালন করে।