২০২৪ এর লোকসভা ভোটে দেশের আশা মমতা, দল বদল করে বড় বয়ান বাবুল সুপ্রিয়’র

বাবুল সুপ্রিয় এতদিন ছিলেন বিজেপিতে, তিনি ইউনিয়ন মিনিস্টার ছিলেন ফরেস্ট ও পরিবেশ দপ্তর এর। কিন্তু কেন্দ্রীয় মন্ত্রীসভা থেকে নাম বাদ যেতে না যেতেই দল বদল করে তিনি চলে আসলেন তৃণমূলে। আপাতত তাঁকে নিয়েই কথা চলছে রাজ‍্য রাজনীতি এর মধ্যে। প্রথম দিকে যখন সে কেন্দ্রীয় মন্ত্রিসভা থেকে বাদ পড়েন তার কোনো পরিকল্পনা ছিল না, সে ভেবেছিল রাজনীতি থেকে বেরিয়ে আসবে, কিন্তু দল বদলাব না বদলাব না করেও শেষ পর্যন্ত গোটা ফুলটাই বদলে ফেলেছেন তিনি, একবারে পদ্মফুল থেকে জোড়া ঘাসফুল। প্রাক্তন কেন্দ্রীয় মন্ত্রী বাবুল সুপ্রিয় এর এরকম ভোলবদল দেখে চমকে গেছে বড়ো বড়ো রাজনীতিকরা।

এমন কি অন‍্য রাজনৈতিক দলে এসে এক রাতের মধ্যেই মনোভাব পাল্টে ফেলেছেন বাবুল সুপ্রিয়। এতদিন ধরে যে নরেন্দ্র মোদীকে বসিয়ে রেখেছিলেন অনুপ্রেরণার আসনে সে স্থানে এখন তৃণমূল সুপ্রিম অধিকর্তা মাননীয়া মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ‍্যোপাধ‍্যায় । দলবদল এর, তারপর প্রথম বার যখন সাংবাদিক বৈঠকে বাবুল সুপ্রিয়কে প্রশ্ন করা হয়েছিল তৃণমূল এ যোগ দেওয়ার পর, ২০২৪ সালে প্রধানমন্ত্রী পদপ্রার্থীর মুখ কি মমতা বন্দ‍্যোপাধ‍্যায়?

তার উত্তরে তিনি বললেন, “এই মুহূর্তে সবথেকে জনপ্রিয় মানুষকেই দেশের প্রধানমন্ত্রী হিসেবে দেখতে চান তিনি। আর তাঁদের মধ‍্যে মমতা বন্দ‍্যোপাধ‍্যায় অন‍্যতম, তাতে কোনো সন্দেহ নেই। ২০১৪ সালে মোদীজী দেশের আশা ছিলেন। ২০২৪ সালে আমি যে দলে আছি তার পুরোধা আশার তালিকায় শীর্ষে থাকবেন। এর মধ্যে কোনও ত্রুটি নেই”।

Advertisements

তিনি এটাও জানান, তার মন পুরো ভেঙে গিয়েছিল। অনেকেই বলেছিলেন তাকে যেনো সে রাজনীতি না ছাড়ে। তৃণমূল রাজনৈতিক দল তাঁকে সেই বিষয়ে তার অনুপ্রেরণা জাগিয়েছে। “বাংলার মমতাদিদি, ভারতের গুরুত্বপূর্ণ নেত্রী হয়ে উঠছেন, তিনি আমাকে সুযোগ দিয়েছেন। কাল অভিষেকের সঙ্গেও কথা হয়েছে। আমি অনেক সমর্থন ও ভালোবাসা পেয়েছি। তা-ও এমনটা একটা দল যাদের সঙ্গে আমার খারাপ সম্পর্ক ছিল”, বললেন বাবুল।

Advertisements

১৯ সেপ্টেম্বর ২০২১ ,শনিবার তৃণমূল কংগ্রেসের অফিশিয়াল টুইটার হ‍্যান্ডেল থেকে বাবুল সুপ্রিয় এর তৃণমূল পার্টিতে যোগদান করার ছবি প্রকাশ করা হয়। তাঁর গলায় উত্তরীয় পরিয়ে তাকে স্বাগতম ও অভিনন্দন জানাতে দেখা যায় অভিষেক বন্দ‍্যোপাধ‍্যায়। ছবিগুলি সোশ্যাল মিডিয়া তে শেয়ার করে বাবুলকে তৃণমূলের সদস্য হিসাবে স্বাগত জানানো হয়।

সেই ছবি দেখার মতো, কারণ এক সময় যখন বাবুল সুপ্রিয় বিজেপি তে ছিলেন, তখন সে আর অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায় ছিলেন সাপে নেউলে, যেটা খুবই স্বাভাবিক দুটি ভিন্ন রাজনৈতিক মতামত থাকার কারণে। আগের দিনে কে কোন দলে যাবে আর কোন দলে থাকবে সেটাই শেষ পর্যন্ত দেখার।