তৃণমূল দলে আবারো বড়োসড়ো ভাঙ্গন! বাংলায় বিজেপিতে যোগ বহু সংখ্যালঘু পরিবারের

আগামী  বিধানসভা নির্বাচনের আগে ফের দুর্বল শাসক তৃণমূলের। বাঁকুড়ার সোনামুখীর পিয়ারবেড়া গ্রাম পঞ্চায়েতের এক প্রাক্তন পঞ্চায়েত প্রধান, পঞ্চায়েত সমিতির কর্মাধ্যক্ষ, ৫০০ সংখ্যালঘু পরিবারের সদস্য সহ ১০০০  তৃণমূল কর্মী সমর্থক তৃণমূল  ছেড়ে  যোগ দিলেন গেরুয়া শিবিরে৷  বিজেপির সূত্রে তেমনটাই জানানো হয়েছে৷ সদ্য বিজেপিতে  যোগদানকারীদের হাতে বিজেপির  দলীয় পতাকা তুলে দেন বিষ্ণুপুর জেলার বিজেপির সাংগঠনিক জেলা সভাপতি সুজিত অগস্থি।

বিজেপি সূত্রে খবর, পিয়ারবেড়ায় এক দলীয় কর্মসূচীতে ১০০০ জন যোগদান করে।  পশ্চিমবঙ্গের শাসক দল তৃণমূল ছেড়ে বিজেপিতে আসা প্রাক্তন প্রধান শেখ সাইদুল, পঞ্চায়েত সমিতির কর্মাধ্যক্ষ মঞ্জুশ্রী মাজিরা বলেন, রাজ্যে সেভাবে কোন উন্নয়ন হয়নি। মানুষের কাজ বিজেপিই করতে পারে। তাই তারা বিজেপিতেই যোগ দিলেন।

 

এবার সোনার গয়না কিনতে গেলে বাধ্যতামূলক হতে পারে KYC

বিজেপির বিষ্ণুপুর সাংগঠনিক জেলা সভাপতি সুজিত অগস্থি সাংবাদিকদের মুখোমুখি হয়ে বলেন ,” এই যোগ দানের ফলে সোনামুখী বিধানসভা এলাকায় বিজেপির সংগঠন আরো বেশী মজবুত হবে।”  এর প্রভাব আগামী বিধানসভা নির্বাচনে পড়বে বলে তিনি মনে করেন। তবে তৃণমূল ছেড়ে কেউ বিজেপিতে যোগদান করেনি এমনটাই দাবি করছেন তৃণমল নেতৃত্ব।

স্থানীয় তৃণমূল নেতা প্রকাশ সাহা বলেন ,” বিজেপি ১ হাজার জন যোগদান করার গল্প বলছে । আর যে সমস্ত নাম ওরা বলছে ওই নামের সোনামুখী ব্লকে কেউ আছে বলে আমার জানা নেই ।”

এছাড়াও তিনি বলেন,” সংখ্যালঘুরা এখনো মমতা ব্যানার্জির সাথে আছে।  মমতা ব্যানার্জির এত উন্নয়ন তাছাড়া তৃণমূল কংগ্রেসের এত দুর্দিন পড়ে যায় নি যে তৃণমূল কংগ্রেস ছেড়ে বিজেপিতে যোগ দিতে হবে। ”

আজ নন্দীগ্রামের সভায় বক্তব্য রাখেন বিজেপি নেতা দিলীপ ঘোষ। তিনি বলেন, ‘২০২১-এ বাংলায় নতুন সরকার আসবে। করোনার চেয়েও ভয়ঙ্কর ভাইরাস তৃণমূল কংগ্রেস কবে যাবে? তার ভ্যাকসিন আমরা আবিষ্কার করে ফেলেছি।”
আগামী ২০ মে’র এর পর তৃণমূল বলে কোনও ভাইরাস পশ্চিমবঙ্গে থাকবে না বলেও জানান তিনি৷ সেইসঙ্গে তিনি বলেন,  নন্দীগ্রাম আন্দোলনে শহিদদের পরিবার আজও  অবহেলিত।