১১৯ বছর পর অসমে দেখা মিললো বিরল প্রজাতির হাঁস, রাতারাতি ভাইরাল ভিডিও

পৃথিবীর আনাচে কানাচে প্রতিনিয়তই কতই না ঘটনা ঘটে চলেছে৷ এখন তার কিছু আমাদের সামনে আসে সোশ্যাল মিডিয়ায় মাধ্যমেই। তাই অজানাকে জানা আর অদেখাকে দেখার ক্ষেত্রে আমাদের জীবনে সোশ্যাল মিডিয়ার অবদানকে কোনভাবেই অস্বীকার করা যায়না।

সম্প্রতি আসামের তিনসুকিয়া জেলার মাগুরি মোটাপুং বিলে একটি বিরল প্রজাতির মান্ডারিন হাঁস দেখা গেছে। ট্যুর গাইড মাধব গোগই ৪ ফেব্রুয়ারি প্রথম এটিকে দেখতে পায়। তারপর এতদিন সে ওই বিলে রয়েছে৷  এই ঘটনা অবাক করার মত কারণ  ২০২০ সালে প্রাকৃতিক গ্যাসের কূপে বিস্ফোরণ হয়ে আক্রান্ত হয় এই অঞ্চল।

বিরল প্রজাতির হাঁস

তিনসুকিয়ার বাসিন্দা পাখি গাইড বিনন্দ হাতিবরুয়া বলেছেন যে,” যখন শুনলাম যে মাধব হাঁসের দেখা পেয়েছে তখন আমি তাকে বিশ্বাস করি নি। কিন্তু আমি যখন নিজে পাখিটার দেখা পেলাম তখন আমি আনন্দে আত্মহারা হয়ে গিয়েছিলাম। আর আনন্দে মাধবকে জড়িয়ে ধরেছিলাম। কেননা এই পাখিটি সর্বশেষ এক শতাব্দী আগে অর্থাৎ ১৯০২ সালে আসামের এই অংশে দেখা গিয়েছিল।”

বিরল প্রজাতির হাঁস

এই বিরল প্রজাতির হাঁসটি বিশ্বের সবচেয়ে সুন্দর হাঁস বলে বিবেচিত হয়। ১৭৫৮ সালে সুইডিশ উদ্ভিদবিদ, চিকিৎসক এবং প্রাণীবিজ্ঞানী কার্ল লিনিয়াস প্রথম এই হাঁসটি চিহ্নিত করেছিলেন। এই পাখি দেখতে খুবই সুন্দর এবং রঙিন। ২০১৮ তে নিউইয়র্ক সিটির সেন্ট্রাল পার্কের একটি পুকুরে ম্যান্ডারিন হাঁসকে দেখা গিয়েছিল।দেখামাত্রই স্থানীয় বাসিন্দাদের মধ্যে বেশ উত্তেজনার সৃষ্টি হয়।

বদলে যেতে পারে আগামী প্রজন্মের ভবিষ্যৎ দেশের মধ্যে পাওয়া গেল বিশাল ইউরেনিয়ামের খনিজ ভান্ডার

বন বিভাগের প্রাক্তন যুগ্মসচিব আনোয়ারউদ্দিন চৌধুরি বলেন, “এই হাঁসটি একটি বিরল প্রজাতির পাখি। এটিকে কখন কে দেখতে পাবে তা কেউই জানে না। কমলা রঙের ডানা ও পুরো শরীরটি বিভিন্ন রঙে মোরা। পাখিটিকে এতটাই সুন্দর দেখতে যে, একবার দেখলে তার থেকে চোখ ফেরানো দায়। তবে, বুধবার শেষ এই ম্যান্ডারিন হাঁসকে দেখা যায়।”