দেশের জন্য ১০ বছর সর্বত্র দেওয়ার পরও এই পরিনাম! বিশ্বকাপ লিস্ট থেকে নাম বাদ পড়ায় আক্ষেপ প্রকাশ

সম্প্রতি ২০২১ এর টি-টোয়েন্টি বিশ্বকাপের দামামা বেজে গেছে। ভারত, পাকিস্তান, নিউজিল্যান্ড, অস্ট্রেলিয়া সহ বিভিন্ন দল তাদের বিশ্বকাপের স্কোয়াড ঘোষনা করেছেন। সাউথ আফ্রিকাও ইতিমধ্যেই ঘোষনা করে দিয়েছে তাদের দল। তবে এবারে সাউথ আফ্রিকার দলে সুযোগ পাননি লেগ স্পিনার ইমরান তাহির। রীতিমত এই ঘোষণার পর ভেঙে পড়েছেন সাউথ আফ্রিকার এই ক্রিকেটার। ২০১৯ সালে তিনি একদিনের জন্য ক্রিকেট থেকে অবসর নিলেও নিজেকে টি-টোয়েন্টি বিশ্বকাপের জন্য প্রস্তুত রেখেছিলেন কিন্তু সেই বিশ্বকাপেই যখন তিনি সুযোগ পেলেন না সেই কারণে ভীষণ ভাবে ভেঙে পড়েছেন তিনি।

এই বিষয় নিয়ে তিনি বলেন, , “আমি ভীষণ খারাপ লাগছে এটা ভেবে যে আমি দলে নেই। গত বছর গ্রেম স্মিথ আমার সাথে কথা বলেছিলেন এবং বলেছিলেন যে আমি চাই তুমি বিশ্বকাপ খেলো, যা অস্ট্রেলিয়ায় ছিল। আমি স্পষ্টভাবে বলেছিলাম যে আমি উপলব্ধ এবং সম্মানিত। কারণ আপনি আমাকে সম্মান দিয়েছেন। আমি প্রস্তুত।”

তাহিরের মত অনুযায়ী, সে এই অসম্মান পাবার মত কেউ নয়। তিনি রীতিমত ১০ বছর ধরে লাগাতার দেশের সেবা করছেন, সেই হিসাবে তার আরও অনেক বেশি সন্মান পাওয়া উচিত। তিনি আরও বলেন যে,  “কয়েক মাস পর আমি স্মিথ এবং বাউচারকে মেসেজ করেছিলাম কেউ আমাকে উত্তর দেয়নি। বাউচার কোচ হওয়ার পর থেকে, তিনি একবারও আমার সাথে যোগাযোগ করেননি, তার পরিকল্পনা নিয়ে আলোচনা করার জন্য। সত্যিই দুঃখজনক। আমি ১০ বছর দেশের সেবা করেছি। আমি মনে করি এদের তুলনায় আমি একটু বেশি সম্মান পাওয়ার যোগ্য।”

এই বিষয়ে বলতে গেলে ক্রিকেট দলে নিজের বয়সের তোয়াক্কা না করেই একের পর এক টি-টোয়েন্টি বিশ্বকাপে তার জীবনের সেরা পারফরম্যান্স গুলো দিয়ে গেছে। নিজের বয়সের কথা মাথায় না রেখে একাধিকবার সর্বোচ্চ উইকেট শিকারির খেতাব জিতেছেন তাহির।

আর সেই ক্ষেত্রে তার দলে না থাকা ও খেলতে না পারায় তার হতাশ হওয়া খুব স্বাভাবিক। প্রসঙ্গত, ১৭ ই অক্টোবর থেকে শুরু হতে চলেছে টি-টোয়েন্টি বিশ্বকাপ। তবে এবারে তাহিরের মত একজন অভিজ্ঞ স্পিনার না থাকায় কিছুটা হলেও চাপে পড়তে পারে সাউথ আফ্রিকা।