কীভাবে ব্যাঙ্ক জালিয়াতের হাত থেকে রক্ষা করবেন নিজেকে, সে বিষয়ক গুরুত্বপূর্ণ পরামর্শ কেন্দ্রীয় সরকারের…

অনলাইন প্রতারণার খবর আমরা প্রায় দিনই শুনে থাকি আর যত দিন যাচ্ছে ততই অনলাইন প্রতারণার ঘটনা বেড়েই চলছে। তবে শুধু ভারতেই নয় ভারত ছাড়াও বিশ্বের একাধিক প্রান্তের মানুষ এই অনলাইনে প্রতারণার শিকার হয়ে থাকেন। যেখানে দীর্ঘদিনের কষ্টের উপার্জন করা টাকা নিমেষের মধ্যে হাতিয়ে নেয় হ্যাকাররা। এবার এই সাইবার হ্যাকারদের হাত থেকে সাধারণ গ্রাহকদের বাঁচাতে গুরুত্বপূর্ণ পরামর্শ দিল কেন্দ্রীয় সরকার।যেখানে স্বরাষ্ট্রমন্ত্রকের নিজস্ব সাইবার সেফটি অ্যান্ড সাইবার সিকিউরিটি সচেতনমূলক টুইটার হ্যান্ডেল এ বিষয়ক একটি টুইট করা হয়েছে।

 

এবং সেখানে “সাইবার দোস্ত” এর মাধ্যমে ব্যাংক জালিয়াতি এবং সন্দেহজনক ই-মেইল গুলি থেকে নিজের ব্যাংক অ্যাকাউন্টকে সুরক্ষা রাখার গুরুত্বপূর্ণ পরামর্শ প্রদান করা হয়েছে। চলুন দেখে নেওয়া যাক তাহলে সেই টুইটার হ্যান্ডেল কী পরামর্শ দেওয়া হয়েছে গ্ৰাহকদের,এখানে প্রথমেই বলা হয়েছে ব্যাংক গ্রাহকেরা যাতে দুটি পৃথক ই-মেইল অ্যাকাউন্ট ব্যবহার করেন।যেখানে একটি ই-মেইল আইডি যোগাযোগের উদ্দেশ্যে ব্যবহার করা উচিত এবং অন্য যে ই-মেইল আইডিটি রয়েছে সেটি শুধুমাত্র আর্থিক লেনদেনের জন্য ব্যবহার করা উচিত।

অর্থাৎ সোশ্যাল মিডিয়া অ্যাকাউন্টের জন্য পৃথক ইমেইল আইডি ব্যবহার করার পরামর্শ প্রদান করা হয়েছে এবং তাদের দাবি এটি অনলাইন প্রতারকের হাত থেকে আপনার প্রাথমিক অ্যাকাউন্ট কে রক্ষা করবে। সোশ্যাল মিডিয়ায় হ্যান্ডেলে যে ই-মেইল আইডি ব্যবহার করা হয় সেই ই-মেইল আইডি ব্যাংকের আর্থিক লেনদেনের ক্ষেত্রে ব্যবহার না করার কড়া নির্দেশ দেওয়া হয়েছে‌।শুধু তাই নয় এর পাশাপাশি সাইবার দোস্ত টুইটার হ্যান্ডেলে ব্যবহারকারীদের বিভিন্ন ব্রাউজার গুলিতে অটোফিল তথ্যটিকে বিকল্প ভাবে ব্যবহার করার ক্ষেত্রে নিষেধ করা হয়েছে।

 

ডেবিট কার্ডের সিভিভি, মেয়াদ শেষ হওয়ার তারিখ এবং ব্যাংক অ্যাকাউন্ট নম্বরের তথ্য গুলিকে সর্বদা নিজের হাতে টাইপ করতে বলা হয়েছে, এক্ষেত্রে অটোফিল তথ্যের মাধ্যমে তা পূরণ করা উচিত নয় বলে জানানো হয়েছে। এর আগে সাইবার দোস্ত এর তরফ থেকে জানানো হয়েছিল এক্ষেত্রে হ্যাকাররা সোশ্যাল মিডিয়া অ্যাকাউন্ট হ্যাক করে নিতে পারে এবং তারপরে আত্মীয় স্বজনদের কাছে আর্থিক সাহায্যের জন্য অ্যাক্সেস জোগাড় করে নিতে পারে।

 


এ ছাড়া ফিশিং পদ্ধতির মাধ্যমেও হ্যাকাররা ভুক্তভোগী কে ফাঁদে ফেলার চেষ্টা করে, এক্ষেত্রে হ্যাকাররা বিভিন্ন অফারের লালস দিয়ে ভুয়ো ই-মেইল অথবা ওয়েব সাইটের মাধ্যমে ভুক্তভোগীকে ফাঁদে ফেলে। আর তার পরে গ্ৰাহকদের কাছ থেকে ঠিকানা, যোগাযোগ নম্বর, জন্মতারিখ ব্যবহারের ফলে ব্যক্তিগত তথ্য হাতিয়ে নেয়। তাহলে ইমেইল আইডি তে এরকম ধরনের ইমেইল আইডি ও ওয়েবসাইট থেকে দূরে থাকুন, কোন কিছু করার আগে যাচাই করে নিন সেটি আসল কিনা।