Skip to content

আর সহজ নয় ড্রাইভিং লাইসেন্স পাওয়া! ড্রাইভিং লাইসেন্স পেতে হলে পাশ করতে হবে কঠিন পরীক্ষাঃ কেন্দ্রীয় মন্ত্রী

ড্রাইভিং লাইসেন্সের (driving licence) আবেদনকারীদের জন্য লাইসেন্স পাওয়ার বিষয়টি বেশ কঠিনতর হয়ে উঠেছে। আবেদন কারীদের বেশ কঠিন পরিস্থিতির সন্মুখীন হতে হচ্ছে। গত বৃহস্পতিবার অর্থাৎ ২৫ মার্চ কেন্দ্রের সড়ক পরিবহণ ও জাতীয় সড়ক মন্ত্রী নিতিন গডকরী সংসদে লিখিতভাবে জানিয়েছেন, ৬৯ শতাংশ হার নির্ধারণ করা হয়েছে সমস্ত আঞ্চলিক পরিবহণ অফিসগুলিতে ড্রাইভিং লাইসেন্স পাবার যোগ্য প্রার্থী হিসাবে।

 

ড্রাইভিং এর দক্ষতা পরীক্ষার অন্যতম মাপকাঠি হিসাবে কেন্দ্রের সড়ক পরিবহণ ও জাতীয় সড়ক মন্ত্রী নিতিন গডকরী জানিয়েছেন, “রিভার্স গিয়ারের ক্ষেত্রে, গাড়িটি পিছনের দিকে চালনা করা, সেটাকে ডান বা বাম দিকে সীমিত জায়গার মধ্যে নির্ভুল ভাবে নিয়ন্ত্রণ করার মতো বিষয়গুলি হল অন্যতম মাপকাঠি”।

ড্রাইভিং লাইসেন্স

কেন্দ্রীয় মোটর ভেহিকলস অ্যাক্ট, ১৯৮৯-এর আওতাধীনে রয়েছে ড্রাইভিং লাইসেন্স সংক্রান্ত সমস্ত বিষয়গুলি। শারীরিক পরীক্ষা করা ছাড়াও পরীক্ষামূলক ট্র্যাকে রয়েছে এলইডি স্ক্রিনে সমস্ত স্বয়ংক্রিয় ড্রাইভিং পরীক্ষার ট্র্যাকগুলিকে দেখানোর ব্যবস্থা। বুকিং অ্যাপয়েন্টমেন্টের সময় আবেদনকারীর ড্রাইভিং এর পরীক্ষার জন্য একটি ভিডিওর লিংক প্রদান করা হয়ে থাকে।

ড্রাইভিং লাইসেন্সের ব্যাপারে শংসাপত্র সম্পর্কিত কয়েকটি পরিষেবা আধারের মাধ্যমে চালু করা হয়েছে। কেন্দ্রীয় সড়ক পরিবহণ ও জাতীর সড়ক মন্ত্রক সমস্ত রাজ্যের কেন্দ্রশাসিত অঞ্চল গুলিকে এই বিষয়গুলোকে গুরুত্ব সহকারে দেখার জন্য অনুরোধ জানিয়েছে। অনলাইনে লাইসেন্সের যে পরিষেবাগুলি রয়েছে সেগুলি হল লার্নার লাইসেন্স, ড্রাইভিং লাইসেন্সের পুনর্নবীকরণ, ঠিকানা পরিবর্তন এবং রেজিস্টেশন সার্টিফিকেট, আন্তর্জাতিক ড্রাইভিং লাইসেন্সের আবেদন, মালিকানা হস্তান্তরের আবেদন ইত্যাদি।

এছাড়াও এই মন্ত্রী বলেছেন যে লাইসেন্সের মেয়াদ শেষ হয়ে যাওয়ার পর এক বছরের মধ্যে যেকোনো সময় এই লাইসেন্সের পুনর্নবীকরণ করতে পারবেন গ্রাহকরা। আর যে সমস্ত ব্যক্তিরা দেশেরবাইরে রয়েছেন সেই সমস্ত ব্যক্তিরা এক বছর পরও লাইসেন্সের পুনর্নবীকরণ করাতে পারেন।