পোস্ট অফিসের এই ধামাকা স্কিমে বিনিয়োগ করলে পাবেন ব্যাপক রিটার্ন সঙ্গে দ্বিগুণ লাভও, জানুন বিস্তারিত

সম্প্রতি পোস্ট অফিস নিয়ে এলো এক ধামাকাদার প্রকল্প । এই প্রকল্পে বিনিয়োগ করলে পাওয়া যাবে ব্যাপক রিটার্ন এবং টাকাও থাকবে সুরক্ষিত। ভারত সরকারের অন্যতম জনপ্রিয় প্রকল্প হল এটি। প্রকল্পটির মেয়াদ ১২৪ মাসের । এই প্রকল্পে ন্যূনতম হাজার টাকা বিনিয়োগ করা যেতে পারে। এই প্রকল্পটি সাধারণত অন্যান্য প্রকল্প থেকে অনেক বেশি সুযোগ-সুবিধা দিচ্ছে। একদিকে যেমন এই প্রকল্প করলে টাকা থাকবে সুরক্ষিত অন্যদিকে ম্যাচিউরিটির সময় পাওয়া যাবে দ্বিগুণ রিটার্ন।

ব্যাংক বা অন্যান্য ক্ষেত্রে টাকা বিনিয়োগে তুলনায় বরাবরই পোস্ট অফিসে টাকা বিনিয়োগ করা অনেক সুবিধার।কারণ পোস্ট অফিসের যেকোনো স্কিম হয় অত্যন্ত আকর্ষণীয় এবং এখানে টাকাও থাকে সুরক্ষিত । যাতে ভবিষ্যতে কোনো রকম অসুবিধায় পড়তে হয় না গ্রাহকদের। সম্প্রতি ২০২১ সাল থেকে কিষান বিকাশ পত্রে সুদের হার ধার্য করা হয়েছে ৬.৯শতাংশ। পোস্ট অফিসের ক্ষেত্রে কিষান বিকাশ হল সবথেকে আকর্ষনীয় বিনিয়োগের মাধ্যম।

সমস্ত পোস্ট অফিসে এই কিষান বিকাশ পত্র করার সুযোগ সুবিধা থাকে। যেহেতু এই পত্রে বিনিয়োগের কোন সীমা পরিসীমা থাকে না। সেই জন্য কিষান বিকাশ পত্র সবথেকে আকর্ষনীয় বিনিয়োগের মাধ্যম হয়ে উঠেছে।

এই কিষান বিকাশ পত্র বিনিয়োগের ক্ষেত্রে বেশ কিছু সুযোগ-সুবিধা রয়েছে যা সহজেই গ্রাহককে আকর্ষণ করে। এই ক্ষেত্রে ১২৪মাসে টাকা দ্বিগুণ হয় । সুতরাং যদি কেউ ৫ লক্ষ টাকা বিনিয়োগ করে তাহলে ম্যাচিউরিটির পর ১০ লক্ষ টাকা পাওয়া যাবে । তাই এই বিনিয়োগের মাধ্যমে যেমন টাকা সুরক্ষিত থাকছে তেমনি সহজেই লাভের হার দ্বিগুণ হচ্ছে। টাকা পাওয়া নিয়ে গ্রাহকদের মধ্যে কোন অনিশ্চয়তার থাকে না। এক্ষেত্রে ম্যাচিউরিটির পর সহজেই টাকা পেয়ে যায় গ্রাহক পক্ষ ।

মেয়াদ সম্পন্ন হবার পর টাকা তুলে দেওয়া হয় গ্রাহকের হাতে । কিষান বিকাশ পত্রে ১০০০,২০০০,৫০০০, ১০০০০ এবং ৫০০০০ টাকা বিনিয়োগ করলে পাওয়া যাবে শংসাপত্র। কিষান বিকাশ পত্র আবেদনকারীর নূন্যতম বয়স ১০ বছরের বেশি হতে হবে। ১০ বছরের উপর যেকোনো নাবালক ও নাবালিকা এই আবেদন করতে পারে । সে ক্ষেত্রে এক থেকে সর্বোচ্চ তিনজন মিলে একটি কিষান বিকাশ পত্র খুলতে পারে।

একটি কিষান বিকাশ পত্র খুলতে গেলে আধার কার্ড ,ভোটার কার্ড, প্যান কার্ড, পাসপোর্ট এবং ড্রাইভিং লাইসেন্স এর মত বেশ কিছু গুরুত্বপূর্ণ নথির প্রয়োজন। এই সমস্ত নথি না থাকলে খোলা যাবে না কিষান বিকাশ পত্র । এবং এটি খোলার জন্য আবেদনকারীকে পোস্ট অফিসে গিয়ে আবেদনপত্র পূরণ করতে হবে ।এই প্রকল্পটি অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ যেকোনো নাবালক নাবালিকার অভিভাবকরাও তাদের ভবিষ্যতের জন্য এই প্রকল্পে টাকা বিনিয়োগ করে লাভবান হতে পারে।