Health Insurance করা থাকলে কী মিলবে কোভিড ভ্যাকসিনের টাকা? না জানলে অবশ্যই দেখে নিন…

সারা বিশ্বে করোনা ভাইরাসের প্রকোপ যেভাবে বেড়ে চলেছে তাতে চিন্তার বিষয় হয়ে দাঁড়িয়েছে। দিনদিন আক্রান্তের সংখ্যা বাড়ছে। এর ফলে সারা বিশ্ব এখন করোনা ভাইরাসের ভ্যাকসিন এর জন্য অপেক্ষা করে রয়েছে। বাজারে ভ্যাকসিন চলে এলে এই মহামারীর প্রকোপ থেকে বেঁচে যাবে সাধারণ মানুষ। প্রত্যেকটি দেশে চেষ্টা করছে যত তাড়াতাড়ি সম্ভব ভ্যাকসিন বার করার। একাধিক দেশ ইতিমধ্যে ঘোষণা করে দিয়েছে যে খুব শিগগিরই তারা বাজারে করোনা ভ্যাকসিন নিয়ে আসবে। এবং এই ভ্যাকসিনের দাম প্রায় 1000 টাকা থেকে 4500 টাকার মধ্যে হতে পারে।

ইতিমধ্যেই ব্রিটেনের অক্সফোর্ড বিশ্ববিদ্যালয় এবং ভারতের সেরাম ইনস্টিটিউট অফ ইন্ডিয়া মিলে করোনা ভ্যাকসিন তৈরি করার কাজ শুরু করে দিয়েছে। এদের তৈরি ভ্যাকসিন সফলতার দোরগোড়ায় রয়েছে। এই সংস্থার তরফে জানানো হয়েছিল যে এই ভ্যাকসিন ভারতে 1000 টাকায় পাওয়া যাবে। তবে কয়েকদিন আগেই বিল গেটসের সংস্থা বিল অ্যান্ড মেলিন্ডা গেটস ফাউন্ডেশনের সাহায্যের দরুন এই ভ্যাকসিন ভারতে 250 টাকাতে দেওয়া সম্ভব হবে বলে জানিয়েছিলেন সেরাম ইনস্টিটিউট।

এই সংস্থার তরফ থেকে প্রথমে দাবি করা হয় যে 2021 এর শুরুর দিকে এই ভ্যাকসিনের দাম হবে 3 ডলার প্রতি ডোজ। এই ভ্যাকসিন বাজারে আসার পর প্রত্যেককেই টাকা দিয়ে কিনতে হবে। তবে কেন্দ্রীয় এবং রাজ্য সরকারের তরফ থেকে ফান্ডিং প্ল্যান করা হলে সাধারণ মানুষের অনেক সমস্যার সমাধান হবে। অত্যন্ত গরীব দুস্থ মানুষেরাও এই ভ্যাকসিন নিতে পারবেন এর ফলে।বিভিন্ন মহল থেকে প্রশ্ন উঠে আসছে যে যদি কারোর হেলথ ইন্সুরেন্স থাকে তাহলে কী করোনা ভ্যাকসিনের টাকা পাওয়া যাবে।

 

আপনাদের জানিয়ে দিই রেগুলার হেলথ পলিসিতে হাসপাতালে ভর্তি এবং চিকিৎসার খরচ পাওয়া যায়।বিশেষ পরিস্থিতি ছাড়া হেলথ পলিসিতে টিকাকরণের টাকা দেওয়া হয় না। তবে যে সমস্ত পলিসি গুলিতে ওপিডি খরচের সুবিধা রয়েছে তারাই কেবল মাত্র করোনা ভ্যাকসিনের জন্য টাকা পাবেন। যদি ওই পলিসিতে 10000 টাকার বেশি সীমা থাকে তাহলে হেপাটাইটিস বি এবং বিভিন্ন ইনফ্লুয়েঞ্জা সহ আরো অন্যান্য ভ্যাকসিন এর টাকা পাওয়া যায়।