নতুন খবররাজনৈতিকরাজ্য

ভয় না পেলে সিবিআইকে আটকাচ্ছেন কেন? মমতাকে তোপ প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদির।

একদিনে পরপর দুটি সভা ছিল প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদীর। প্রথম সভাটি ছিল ঠাকুরনগরে আর দ্বিতীয় সভাটি দুর্গাপুরে। জওহরলাল নেহেরু, ইন্দিরা গান্ধী রাজীব গান্ধীর পর এবার নরেন্দ্র মোদি দুর্গাপুরে পা দিলেন। 1986 সালের তৎকালীন প্রধানমন্ত্রী রাজীব গান্ধী দুর্গাপুরে এসেছিলেন। এরপর 32 বছর পেরিয়ে এবার কোন প্রধানমন্ত্রী দুর্গাপুরের মাটিতে পা দিলেন। দুপুর আড়াইটা নাগাদ দুর্গাপুরে পৌঁছান প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদী। এই সভা মঞ্চ থেকে মোদি কি কি বলবেন তার জন্য গোটা রাজ্যবাসী থেকে শুরু করে রাজনৈতিক মহল সবাই তাকিয়ে বসে ছিল। ঠাকুরনগরের সভায় বক্তৃতা দেওয়ার সময় প্রধানমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় ও তার সরকারকে আক্রমণ করেন।

কিন্তু ঠাকুর নগরের সভায় অন্যান্য দিনের মতন এদিন তার বক্তব্য এতটা জোর ছিল না। তাই রাজনৈতিক মহল থেকে শুরু করে দেশবাসীর নজর ছিল দুর্গাপুরে সভার। ঠাকুরনগরের সবার থেকে দূর্গাপুরের সভায় লোকজনের ভিড় বেশি ছিল। মোদি আসতেই সকলেই ‘জয় শ্রী রাম’ বলে চিৎকার করতে শুরু করেন। লোকজনের ভিড় দেখে মোদি উচ্ছ্বসিত হয়ে যান। তিনি বলেন, ” এত বড় মাঠ, তারপরও মনে হচ্ছে মাঠ ছোট।” ঠাকুরনগরের সভার বক্তব্যের থেকে দূর্গাপুরের সবার বক্তব্যের জোর বেশি ছিল। মোদী বলেন, ” এবার তৃণমূলের বিদায় নিশ্চিত। বাংলা পরিবর্তন আনবে, আমি দেখতে পাচ্ছি।” তিনি আরো বলেন যে, যত আটকানোর চেষ্টা করবে, তত বাড়বে বিজেপি। ঠাকুরনগরের মতোই দুর্গাপুরেও তৃণমূলের সিন্ডিকেট রাজ নিয়ে মমতা কে আক্রমণ করেন মোদী। তিনি বলেন, ” তৃণমূল তোলাবাজি ট্যাক্স চলছে রাজ্যে।” এদিন সিবিআই নিয়েও সরাসরি আক্রমণ করেন মোদী।

মোদী বলেন,” সিবিআই কে ভয়ে পশ্চিমবঙ্গের আসতে দেওয়া হচ্ছে না, দোষ না করলে ভয়টা কিসের।
এক নজরে আমরা দেখে নেবো এদিন সবাই কি কি বললেন মোদী –
1. হেলিকপ্টার নামতে দেওয়া হচ্ছে না যাত্রা বন্ধ করে দেওয়া হচ্ছে।
2. যদি তৃণমূল সরকার দোষ না করে থাকে তাহলে এ রাজ্যে সিবিআইকে আসতে দেওয়া হচ্ছে না কেন। এত ভয় কিসের।
3. সারা বাংলায় জগাই-মাধাই সিন্ডিকেট চলছে।
4. সাধারণ মানুষেরা আয়ুষ্মান ভারত এর সুবিধা পেলে মোদীর পাল্লা ভারী হয়ে যাবে। তাই তৃণমূল ভয় পাচ্ছে।
5. এই সরকার নির্দয়, এক মুহূর্ত তাদের থাকার অধিকার নেই।

6. আমরা কংগ্রেস এর মতোন নাটক করি না।
7. আমাদের কৃষক প্রকল্প অনেক বড় রয়েছে।
8. তৃণমূল সরকার বাংলার উন্নয়ন চায় না।
9. স্বাধীনতার পর কৃষকদের জন্য কোন সরকার এত বড় প্রকল্প বানায়নি যা মোদি সরকার বানিয়েছে ভারত বর্ষ হল কৃষিভিত্তিক দেশ তাই এদেশে কৃষকদের প্রাধান্য দেওয়া উচিত।
10. গত সাড়ে চার বছরের চেষ্টার ফল হলো এই বাজেট যা কয়েক দিন আগে পেশ করা হয়েছে। এই বিষয়ে আপনাদের কি মতামত তা আমাদের অবশ্যই জানাবেন। আরো এরকম নতুন নতুন খবরের আপডেট পেতে চোখ রাখুন আমাদের ওয়েব পোর্টালটিতে।

Related Articles

Back to top button