দুর্ঘটনা এড়াতে নতুন পদক্ষেপ নিল রেল কর্তৃপক্ষ, নিয়ম ভাঙলে দেওয়া হবে কঠোরতম শাস্তি…

সময় কারো জন্য অপেক্ষা করে না সে ঠিক তার মতো করে এগিয়ে যেতে থাকে। আর এই নিত্য ব্যস্ততার দিনে অনেক সময় লক্ষ্য করা যায়, এই সময়ের মূল্য দিতে গিয়ে তড়িঘড়ি করে নিজের জীবন নিয়ে টানাটানি হয়ে যায়।যেমনটা আমরা দেখতে পাই লেভেলক্রসিং পারাপারের সময় অতি ব্যস্ততার দরুন প্রায় সময় ট্রেন আসার আগে লেভেল ক্রসিংয়ের বন্ধ গেটের নিচে দিয়ে দু চাকারযান নিয়ে পারাপার করে থাকেন অনেকেই। এরফলে অনেক সময় অনেক ব্যক্তি ট্রেন আসার ফলে ট্রেন দুর্ঘটনার শিকার হয়ে যান।

তবে এবার থেকে রেল কর্তৃপক্ষের তরফ স্পষ্ট জানিয়ে দেওয়া হয়েছে যদি এ কাজ কেউ করে থাকেন তাহলে সে ক্ষেত্রে তার বিরুদ্ধে দ্রুত ব্যবস্থা নেওয়া হবে। এমন কী তাকে এ কাজের জন্য তিন বছরের জন্য টানতে হতে পারে জেলের ঘানি। শুধু তাই নয় রেলওয়ে বোর্ডের এই নির্দেশে জানানো হয়েছে লেভেল ক্রসিং গুলোতে সাধারণ মানুষকে সতর্ক করতে আরপিএফ প্রহরা বসানো হবে। এই আরপিএফ প্রহররা সাধারণ মানুষকে প্রথমে সাবধান করবে আইন লংঘন না করার জন্য, তবে যারা এক্ষেত্রে কথা শুনবে না ও আইন লংঘন করবে তাদেরকে এক্ষেত্রে করা হবে গ্রেপ্তার।

রেল সূত্রে প্রাপ্ত খবর থেকে জানতে পারা গেছে এই ধরনের অপরাধে ধৃতদের একদিনের চালান ও জরিমানা করা হতো এর আগে তবে এবার নতুন আইনের দরুন সরাসরি জেল যাত্রা করতে হবে সে সব ব্যাক্তিদের। যদিও দক্ষিণ-পূর্ব রেলের আইজি এসকে পারি জানান, এই সার্কুলার এখনও পাইনি। তবে এই ধরনের অপরাধে ধৃতদের তিন ও ছ’মাস কারাদণ্ডের সাজার কথা রয়েছে। আরপিএফ অপরাধীদের আদালতে হাজির করে। সাজার সিদ্ধান্ত আদালত নেয়। লেভেল ক্রসিংয়ের গেট খুলে হাতিকেও লাইন পারাপার হতে দেখা গিয়েছে।

হাতিকে আইনের নাগালে না পেলেও মানুষজনকে আইনে ফেলতে কোনওরকম অসুবিধা নেই। রেলওয়ে বোর্ড সূত্রে জানতে পারা গেছে রেলের প্রথম অধিকার হলো ট্রেন চালানো আর এক্ষেত্রে যদি কেউ বাধা সৃষ্টি করে রেললাইনে তাহলে তা চরমতম দণ্ডনীয় অপরাধ। এই নিয়ে রাজ্য সরকার বিভিন্ন রাস্তা কে চালু রাখতে লেভেল ক্রসিংয়ের জন্য রেলের কাছে আবেদন জানায়। আর রেল নানা দিক খতিয়ে দেখে তা মঞ্জুর করে। তবে যেমনটা আমরা জানি রেল আসার আগেই লেভেল ক্রসিং গুলি গ্রেডেশন দেয় রেল।এরপর লেভেল ক্রসিংয়ের গ্রেডেশন দেয় রেল।

ট্রেন ভেহিকল ইউনিট দেখে রেল গ্রেডেশন করে তাতে প্রহরা কেমন হবে, ইন্টারলক থেকে শুরু করে যাবতীয় পদক্ষেপ করে। ট্রেন আসার সময় নিরাপত্তার জন্য গেট লাগানো হয়।আর সেই গেট যদি কেউ জোর করে খোলার চেষ্টা করে তাহলে তার অর্থ হবে সেই ট্রেন যাত্রী ও সড়ক পরিবহনের যাত্রীর উভয়েই নিরাপত্তায় ব্যাঘাত ঘটানো। এর জন্য এর আগেও বহু দুর্ঘটনা ঘটেছে। তাই এখন রেল কর্তৃপক্ষ এই বিষয়টাকে মোটেও ছোট করে দেখতে চাইছে না। তাই এই নতুন নিয়ম বিধি অনুযায়ী প্রথমে সতর্ক করা হবে তারপর নিয়ম ভঙ্গ করলে দেওয়া হবে উপযুক্ত শাস্তি।

Related Articles

Close