বছরে আড়াই লক্ষ টাকার বেশি প্রভিডেন্ট ফান্ডে জমা হলে দিতে হবে সুদের ওপর কর

এখন প্রভিডেন্ট ফান্ডে জমা টাকার ওপর যে সুদ পাওয়া যায় রার জন্য কোনো কর দিতে হয় না৷ কিন্তু সোমবার বাজেট পেশ করার সময় অর্থুমন্ত্রী নির্মলা সীতারমন বলেছেন, যদি কোনও ব্যক্তির প্রভিডেন্ট ফান্ডে বছরে ২ লাখ ৫০ হাজার বা তার বেশি টাকা জমা হয় তাহলে সুদের ওপর তাকে কর দিতে হবে৷  অর্থমন্ত্রী জানান,  বেশিনায় করা ব্যক্তিদের ক্ষেত্রে কর ছাড় দেওয়ার ক্ষেত্রে কিছু নিয়ম বদলাচ্ছে৷

অর্থমন্ত্রী বলেন, “যে কর্মচারীরা বেশি আয় করেন, তাঁদের করছাড় দেওয়ার ক্ষেত্রে কিছু বিধিনিষেধ আরোপ করা হচ্ছে। বিভিন্ন প্রভিডেন্ড ফান্ডে যাঁদের বছরে আড়াই লক্ষ টাকা বা তার বেশি জমা পড়ে, তাঁদের ক্ষেত্রে ভবিষ্যতে আর করছাড় দেওয়া হবে না।” বাজেট পেশ করার পর  সাংবাদিক বৈঠকে নির্মলা বলেন, “কর্মীদের কল্যাণের জন্যই ইপিএফও চালু করা হয়েছে। নতুন ব্যবস্থায় সামগ্রিকভাবে তাঁরা ক্ষতিগ্রস্ত হবেন না। কেবল যাঁদের পিএফ অ্যাকাউন্টে বড় অঙ্কের টাকা জমা পড়ে, তাঁদের ক্ষেত্রেই কর বসানো হয়েছে।”

টি ভি সোমানাথন বলেন, যাঁদের ইপিএফও-র সুদের ওপরে কর বসানো  হয়েছে, তাঁদের সংখ্যা মোট কর্মীর ১ শতাংশেরও কম। ২০১৯-২০ সালে প্রভিডেন্ড ফান্ডে ৮.৫ % সুদ দেওয়া হয়েছে। সারা দেশে প্রায় ছয় কোটি কর্মচারীর প্রভিডেন্ড ফান্ড আছে।

এবারের বাজেটে ‘ভলান্টারি ভেহিকল স্ক্র্যাপিং পলিসি’  করা হয়েছে। এই পলিসি অনুযায়ী ব্যক্তিগত গাড়ির ফিটনেস টেস্ট হবে ২০ বছর পর। কিন্তু  বাণিজ্যিক গাড়ির ক্ষেত্রে ১৫ বছর পর ফিটনেস টেস্ট হবে।  এর ফলে ভারতের তেল আমদানির খরচ কমবে।

রাজ্য জুড়ে হাড়-কাঁপানো ঠান্ডা! শিশু ও বয়স্কদের জন্য আবহাওয়া দপ্তরের তরফে জারি হলুদ সতর্কতা

দিন কয়েক আগেই পরিবহণমন্ত্রী নীতিন গড়করি ঘোষণা করেন, “১ এপ্রিল থেকে প্রতিটি সরকারি দফতর ও রাষ্ট্রায়ত্ত সংস্থা থেকে ১৫ বছরের বেশি বয়সী গাড়ি বাতিল করা হবে।”
২০১৯ এর ২৬ জুলাই সরকার প্রস্তাব দেয় , ১৫ বছরের পুরানো সব গাড়ি বাতিল করা হোক।  প্রয়োজনে মোটর ভেহিকল আইন সংশোধন করা হোক৷

গত ১৫ জানুয়ারি গড়করি বলেন, “পুরানো গাড়ি বাতিল করার জন্য আমরা প্রস্তাব পেশ করেছি। প্রস্তাব অনুমোদিত হলে ভারত হবে অটোমোবাইল হাব। গাড়ির দামও কমবে।” পরিবহণমন্ত্রী জানান, বাতিল গাড়ির যন্ত্রাংশ পুনর্ব্যবহার করে কাজে লাগানো হবে। তবেই নতুন গাড়ির দাম কমবে। বর্তমানে অটোমোবাইল শিল্পের টার্ন ওভার বছরে ৪.৫ লক্ষ কোটি টাকা। রফতানি করা হয় ১.৪৫ লক্ষ কোটি টাকার গাড়ি। তাই  পুরানো গাড়ি বাতিল করা হলে অটোমোবাইল শিল্প চাঙ্গা হবে।