পরিস্থিতি খতিয়ে দেখতে লাদাখে পৌঁছালেন বায়ুসেনা চীফ আরএসকে ভাদোরিয়া হতে পারে বড় কিছু…

আজ 45 বছর বাদে প্রথম ভারত-চীন সীমান্তে শহীদ হলেন ভারতীয় সেনা জওয়ানেরা। যেখানে এক আর্মি অফিসার সহ শহীদ হয়েছেন মোট 20 জন ভারতীয় জওয়ান।তাই স্বাভাবিকভাবেই এরকম এক পরিস্থিতিতে ক্ষোভের আগুন জ্বলছে গোটা দেশজুড়ে, সকল ভারতবাসী চাইছে চীনকে এর উপযুক্ত জবাব দিতে।এমন কী শহীদ হওয়া জওয়ানদের পরিবারেও এমনটাই দাবি, তারাও চাইছে ভারত যেন চীনকে এর উপযুক্ত জবাব দিক। প্রায় প্রতিদিনই সীমান্তে আর্মি অফিসার স্টরে বৈঠক হচ্ছে কিন্তু তা সত্ত্বেও পিছু হটছে না চীন।

আর এরকম এক পরিস্থিতির কথা মাথায় রেখেই লে ও শ্রীনগরে এয়ারবেস পরিদর্শন করে এলেন ভারতীয় বায়ুসেনা প্রধান আরএসকে ভাদুরিয়া। আপাতদৃষ্টিতে যা মনে করা হচ্ছে এই বায়ুসেনা প্রধান এয়ারবেস গুলিতে প্রস্তুতি কেমন তা দেখার জন্যই গিয়েছিলেন। তাছাড়া কোনো পরিস্থিতিতে দ্রুত অ্যাকশন নেওয়া যাবে কিনা সেই পরিস্থিতি তৈরি রয়েছে কী-না সেখানে, সেটি দেখে এলেন বলে অনুমান করা হচ্ছে। তবে এই মুহূর্তে বলে রাখি ভারত একাধিক ফাইটার জেট প্লেন সাজাতে শুরু করে দিয়েছে ওই এয়ারবেস গুলিতে।

তাই আপাতদৃষ্টিতে যা মনে করা হচ্ছে সেখানে বোঝা যাচ্ছে যদি পরিস্থিতি খারাপের দিকে এগোই তাহলে এয়ারবেস গুলি সবচেয়ে বেশি গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করবে এবার। অন্যদিকে খবর এসেছিল সোমবার রাতে লাদাখ সীমান্তে সংঘর্ষে পর চীনের তরফ থেকে ভারতের তিন সেনা অফিসার সহ 10 জন ভারতীয় জওয়ানকে আটকে রাখা হয়েছিল।পিটিআই সংবাদ সংস্থা সূত্রে খবর তিনদিনের টানা সমঝোতার পর 10 জন সেনা অধিকারসহ দুজন মেজর ছেড়ে দিয়েছে চীনা সেনা, যারা এ বিষয়ে সঙ্গে যুক্ত রয়েছেন তারা এরকম তথ্য দিয়েছেন।

তবে জানিয়ে দি এই মুহূর্তে বায়ুসেনার মিরাজ 2000 ফাইটার জেটের ফ্লিটকে লাদাখের পাশে মোতায়েন করা হয়েছে।আর যদি চীনের সাথে কোন সমস্যা হয় তাহলে এই বিমান যাতে দ্রুত পৌঁছে যেতে পারে সেই জন্যই এই সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে বলে মনে করা হচ্ছে। আপনাদের সুবিধার্থে বলে রাখি মিরাজের এই ফ্লিটই কিন্তু এর আগে বালাকোটে এয়ার স্ট্রাইক করেছিল। তবে শুধু মিরাজ 2000 ই নয় এর আগে শুখোই -30 বিমানকেও হাই অ্যালাটে রাখা হয়েছে।

চীনের সাথে চলা উত্তেজনার মধ্যে অ্যাপাচে আর চিনুক হেলিকপ্টারকেও চীনের সীমান্তের পাশে মোতায়েন করা হয়েছে। জওয়ানদের দ্রুত সহায়তা পাঠানোর জন্য এই পদক্ষেপ নেওয়া হয়েছে। আর জানিয়ে দিই, এই অ্যাপাচে হেলিকপ্টার কিন্তু যেকোন মুশকিল পরিস্থিতিতে কাজে লাগে। আর চিনুক ভারি ভারি সৈন্য উপকরণ পৌঁছে দেওয়ার জন্য সবথেকে উপযোগী হেলিকপ্টার।

Related Articles

Back to top button