পাক সেনার নির্যাতনের কথা রাষ্ট্রসঙ্ঘের তোলার জন্য মোদীজি কে আর্জি জানালেন সিন্ধের মানবাধিকার কর্মী..

কাশ্মীর থেকে অনুচ্ছেদ 370 কে বিলোপ করার পর থেকেই পাকিস্তানের নেতা-মন্ত্রীরা ভারতের উপর একাধিক আরোপ লাগাতে শুরু করেছে। এই পাক নেতা- মন্ত্রীদের বলতে দেখা যাচ্ছে কাশ্মীরের মানবাধিকার লংঘন করেছে ভারত সরকার। এর মধ্যে এখন যে খবরটি সামনে বেরিয়ে আসছে সেটি পাকিস্তান কে চমকে দেওয়ার মতো।সেদেশের সিন্ধ প্রদেশের পাকসেনার মানবাধিকার লঙ্ঘনের বিষয়টি কে রাষ্ট্রসঙ্ঘের সাধারণ সভায় উত্থাপন করার আর্জি জানালেন সিন্ধের সমাজকর্মী তথা মুনাওয়ার সুফি লাঘারি।

এইদিন মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের এক সম্মেলনে তিনি দাবি করে বলেন বর্তমানে সিন্ধের সবচেয়ে বড় সমস্যা হল সেখানকার আতঙ্ক।আর পাকিস্তানের এই আতঙ্ক থেকে বেরোনোর কোন উপায় নেই একমাত্র ভরসা রয়েছে বিদেশি রাষ্ট্রগুলিই। আরো বলে রাখি রাষ্ট্রসঙ্ঘের এই সভায় যোগ দিতে আসছেন ভারতের প্রধানমন্ত্রীর নরেন্দ্র মোদি। আর তার জন্যই তিনি সিন্ধের এই বিষয়টিকে রাষ্ট্রসঙ্ঘের কাছে তোলার কথাটি জানান।

এই দিন লাঘারি, আরো বলেন যে একমাত্র নরেন্দ্র মোদী পারবেন সিন্ধের মানবাধিকার লঙ্ঘনের বিষয়টিকে আন্তর্জাতিক মঞ্চে পেশ করতে। মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের মতো তিনিও সিন্ধের ধর্মীয় স্বাধীনতার কথা বলতে পারেন। আরো বলে রাখি সংখ্যালঘু ওই সম্মেলনে যোগদান দেন বালুচিস্তান আফগানিস্তানের একাধিক সংগঠন। এই দিন বালুচিস্তানের সমাজকর্মী তাজ বালোচ বলেন দুনিয়ায় একাধিক অংশের নীরব থাকা বালোচিস্তানের অবস্থা দিন দিন খারাপ হয়ে যাচ্ছে, আগে তো মানুষ নিখোঁজ হয়ে যেত। তবে এখন তো প্রকাশ্যে খুন করে নিখোঁজ’ করে দেওয়া হচ্ছে।

শুধু তাই নয় গ্রামের পর গ্রাম জ্বালিয়ে দেওয়া হচ্ছে সেখানকার মানুষেদের। এরকমই ভারতের সাথে পাকিস্তানের অবস্থা দিন দিন খারাপ হয়ে উঠছে আর এরই মধ্যে কয়েকটি প্রভাবশালী মুসলিম দেশ পাকিস্তানকে স্পষ্ট করে দিয়েছে যে, তাঁরা যেন ভারতের সাথে ভদ্র ভাবে কথা বলার চেষ্টা করে। তাঁরা প্রধানমন্ত্রী ইমরান খানকে অনুরোধ করেছে যে, কাশ্মীর ইস্যু নিয়ে দুই দেশের মধ্যে বাড়তি উত্তেজনা কম করার জন্য ভারতের প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদীর বিরুদ্ধে নিজের মুখে যেন লাগাম লাগায়। আর তারই মধ্যে যদি পাকিস্তান সেনা দ্বারা করা সংখ্যালঘুদের ওপর অত্যাচারের কোথায় যদি রাষ্ট্রসঙ্ঘের তোলা হয় তাহলে পাকিস্তানের বিপত্তির শেষ থাকবে না,কারণ ভারতের সাথে পাকিস্তানের কাশ্মীর ইস্যু কে নিয়ে আগের থেকেই পাকিস্তানের দিক থেকে মুখ ফিরিয়ে নিয়েছে অন্যান্য দেশ গুলি।