মোদীকে দেখার ইচ্ছায় সারারাত ঘুম হয়নি, ব্রিগেডে যাওয়ার আগে জানালেন শ্রাবন্তী

ভোট মঞ্চে নিজেদের জমিকে শক্ত করার জন্য প্রস্তুতি চলছে প্রতিটা রাজনৈতিক দলের। পশ্চিমবঙ্গের রাজ্য রাজনীতিতে চলছে বেসুরো হওয়া। শ্রাবন্তী চট্টোপাধ্যায় সম্প্রতি যোগদান করেছেন গেরুয়া শিবিরে। গেরুয়া শিবিরে যোগদান করে প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদিকে ভালো লাগার কথা জানাতেই তাঁকে ট্রোলের মুখে পড়তে হয়। এবার আবারও অভিনেত্রী ট্রোলের শিকার হলেন। প্রধানমন্ত্রীকে দেখার জন্য অভিনেত্রীর নাকি সারারাত ঘুম হয়নি। এই কথা জানার পরই তাঁকে নিয়ে শুরু হয় আক্রমণের বন্যা।

 

তৃণমূল কংগ্রেসের বেশ কয়েকজন হেভিওয়েট নেতারা যোগদান করেছেন গেরুয়া শিবিরে। মুকুল রায়, শুভেন্দু অধিকারী এরা সকলেই তৃণমূল ছেড়ে গিয়েছেন পদ্ম শিবিরে। কয়েকদিন আগে অভিনেত্রী শ্রাবন্তী চট্টোপাধ্যায় শহরের এক ফাইভ স্টার হোটেলে অনুষ্ঠিত বিজেপির সভাতে গিয়ে গেরুয়া শিবিরে যোগদান করেন। শ্রাবন্তীর হাতে গেরুয়া শিবিরের পতাকা তুলে দেয় বিজেপির রাজ্য সভাপতি দিলীপ ঘোষ। ওই সভাতে উপস্থিত ছিলেন কৈলাস বিজয়বর্গীয়।

এবার অভিনেত্রী শ্রাবন্তী চট্টোপাধ্যায় ক্যামেরার সামনে বলেন যে তিনি প্রধানমন্ত্রীর ব্রিগেড সমাবেশে অংশগ্রহণ করবেন। প্রধানমন্ত্রীর সাথে তাঁর দেখা হবে। নরেন্দ্র মোদিকে দেখার জন্য নাকি এই অভিনেত্রীর কালকে সারারাত ঘুম হয়নি। আজ সকাল সকালই তাড়াতাড়ি বিছানা ছেড়ে উঠে পড়েছেন। প্রধানমন্ত্রী ওই সভাতে এলে তাঁর সাথে কথা বলার চেষ্টা করবেন শ্রাবন্তী। তাঁকে বাংলাতে আমন্ত্রণ জানাবেন।

এর পাশাপাশি শ্রাবন্তী বলেন যে অভিনেত্রীকে বিধানসভার প্রার্থী করবেন কিনা সেই বিষয়ে সিদ্ধান্ত নেবে দল। দল যেটা ঠিক করবে তিনি সেটা মেনে নেবেন। প্রতিটা মানুষের মতো তাঁরও ব্যক্তিগত জীবন আছে। তাঁর সংসারে কি হয়েছিল সেটা কেউই জানেন না। প্রচুর মানুষ তাঁকে ভালোবাসা দিয়েছে। তিনি তাই কয়েকটি মানুষের কোনো কথাকে পাত্তা দেন না।

ব্রিগেড সমাবেশে উপস্থিত থাকবেন মিঠুন চক্রবর্তী। শ্রাবন্তী বলেন মিঠুন চক্রবর্তী হলেন একজন মাটির মানুষ। সকলে তাঁরা প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদির সাথে হাতে হাত মিলিয়ে সোনার বাংলা তৈরি করবেন। এরপর অভিনেত্রী জয় শ্রীরাম বলে তাঁর বক্তব্য সমাপ্ত করেন।