দিল্লির ছবি দেখে আমি বিব্রত মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়

দিল্লিতে প্রজাতন্ত্র দিবসের দিন যা ঘটল লালকেল্লায়, সেই  ঘটনার প্রেক্ষিতে মঙ্গলবার একের পর এক ট্যুইট করেন মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়। টুইটে ফের কৃষকদের পাশে থাকার বার্তা দিলেন পশ্চিমবঙ্গের মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়। সেইসঙ্গে  নয়া কৃষিবিলের জন্য  কেন্দ্রকে আক্রমণ করলেন মমতা৷ মমতা লিখলেন, “দিল্লির রাস্তায় যে ঘটনা ঘটেছে তা দেখে আমি চিন্তিত৷ আমি অত্যন্ত হতাশ হয়েছি৷ আমাদের কৃষক ভাই-বোনদের প্রতি কেন্দ্রের অসংবেদনশীল মনোভাব এবং উদাসীনতাই এর জন্য দায়ী৷”

কৃষি আইন প্রত্যাহারের দাবিতে  মমতা জানান, “প্রথমত কৃষকদের আস্থা না নিয়েই এই আইন পাশ করানো হয়েছে৷ তারপরেও দেশ জুড়ে ও দিল্লিতে গত ২ মাস ধরে কৃষক আন্দোলন দেখার পরেও কেন্দ্র অত্যন্ত উদাসীনতার সঙ্গেই ব্যাপারটা দেখেছে৷ কেন্দ্রের উচিত কৃষকদের অন্তর্ভুক্ত করেই এই নিষ্ঠুর আইন প্রত্যাহার করা৷”

২৬ জানুয়ারি, প্রজাতন্ত্র দিবসে লালকেল্লায় উত্তপ্ত পরিস্থিতির কারণে মোদী সরকারকে দায়ী করলেন, সিপিএম নেতা মহম্মদ সেলিম৷ সেলিম বলেন,  “রাস্তা কারও বাবার নয়। সরকার যুদ্ধ ঘোষণা করেছে। প্রত্যেকটা মৃত্যুর দায় নরেন্দ্র মোদী এবং অমিত শাহের।”

কৃষকদের লালকেল্লা দখলের ছবি নিয়ে এবার “দিলজিৎ-প্রিয়াঙ্কা”-কে নিশানা কঙ্গনার

এই ঘটনায় দুঃখ প্রকাশ করেছে সংযুক্ত কিষাণ মোর্চা৷ পরিস্থিতি সামাল দিতে গিয়ে কিষাণ মোর্চার তরফে  বলা হয়েছে, যে ভাবে কৃষকরা এই আন্দোলনে সামিল হয়েছে তাতে আমরা খুশি। তবে আন্দোলন করতে গিয়ে যেসব অপ্রীতিকর ঘটনা ঘটেছে  তার সঙ্গে  তারা সহমত নন সেকথাও জানিয়েছেন সংবাদমাধ্যমে৷

 

পরিস্থিতি বেগতিক বুঝে  উচ্চ-পর্যায়ের বৈঠকে বসেন কেন্দ্রীয় স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী অমিত শাহ৷ স্বরাষ্ট্র সচিব অজয় ভাল্লা এবং দিল্লি পুলিশ কমিশনার এসএন শ্রীবাস্তব অমিত শাহ এর সঙ্গে  এই বৈঠকে বসেন৷ অমিত শাহকে এদিনের পরিস্থিতি সবিস্তারে  জানানো হয়েছে৷