কীভাবে ধর্ষিতাদের ন্যায়বিচার দিতে হয় তা অন্য রাজ্যে পুলিশদের এ থেকে শিক্ষা নেওয়া উচিত- বক্তব্য নির্ভয়ার মায়ের…

হায়দ্রাবাদে পশু চিকিৎসক কে ধর্ষণ করে পুড়িয়ে মারার অপরাধে চারজনকে গ্রেপ্তার করেছিল হায়দ্রাবাদের পুলিশ। এবং এদের শাস্তির দাবিতে সারাদেশ আছড়ে পরে। আজকে অর্থাৎ ঘটনা ঘটার দশদিন পরে দোষীদের শাস্তি দেওয়া হলো বলে মনে করেছেন সবাই। পুলিশ এনকাউন্টারে ওই চার অভিযুক্তকে খতম করে দিল। আবার মৃত পশু চিকিৎসকের বাবা জানিয়েছেন যে, আজকে তার মেয়ের আত্মার শান্তি পেল। হায়দ্রাবাদে পশু চিকিৎসকের ধর্ষণ করে খুনের মামলায় অভিযুক্ত চার অভিযুক্তকে এনকাউন্টারে খতম করে দিল তেলেঙ্গানা পুলিশ।


যেখানে নিগৃহীতার গায়ে পেট্রল ঢেলে জ্বালিয়ে দেওয়া হয়েছিল সেই ঘটনাস্থলে ওই চার অভিযুক্তকে নিয়ে ঘটনার পুনর্নির্মাণে গিয়েছিল পুলিশ। শুক্রবার ভোররাতে নিয়ে যাওয়া হয়েছিল ওই চার অভিযুক্তকে – মহম্মদ আরিফ, নবীন, চিন্তাকুন্তা কেশাবুলু ও শিবাকে। পুলিশ সূত্রে জানা গেছে ঘটনার পুনর্নির্মাণের সময় ঘটনাস্থল থেকে পালানোর চেষ্টা করেছিল অভিযুক্তরা। তখনই শুরু হয় এনকাউন্টার। এবং এরপর ওই চার অভিযুক্ত ঘটনাস্থলে মারা যায়।

অন্যদিকে 2012 সালে নিশংস ধর্ষণের পর মৃত্যু হয়
নির্ভয়ার। নির্ভয়ার মা আশা দেবী এই ঘটনার প্রতিক্রিয়া দিতে গিয়ে বলেন অন্তত একজন মেয়ে সুবিচার পেল। আমি পুলিসকে ধন্যবাদ জানাব। আমি 7 বছর ধরে চিত্‍‌কার করে চলেছি অপরাধীদের শাস্তির দাবিতে। প্রয়োজনে সমাজের স্বার্থে আইন ভাঙার কথাও বলেছি কতবার।” তবে আজকের এই ঘটনার দরুণ আমার ক্ষতে কিছুটা হলেও প্রলেপ পড়ল, প্রতিক্রিয়া নির্ভয়ার মা আশা দেবীর। সঙ্গে তিনি আরও বলেন, “আমি এখনও আদালতে ঘুরে যাচ্ছি। আবারও একটা 13 ডিসেম্বর আসছে। আবার আমাকে আদালতে যেতে হবে। কীভাবে ধর্ষিতাদের বিচার দিতে হয়, তা অন্য রাজ্যের পুলিসের শেখা উচিত্ হায়দ্রাবাদে পুলিশের কাছ থেকে।

এই ঘটনা চারিদিকে ছড়িয়ে যাওয়ার পর নানান জায়গা থেকে শুভেচ্ছা বার্তা আসতে শুরু করেছে। যেখানে দেশের সমস্ত মানুষ ওই চার জন অভিযুক্তের বিচার চাই ছিল সেখানে পুলিশ তাদের আসল বিচার করে দিয়েছে বলে দেশের সাধারণ মানুষও খুশি। এই ঘটনার পর নানান ভিডিও প্রকাশ্যে আসতে শুরু করেছে কখনো দেখা যাচ্ছে হায়দ্রাবাদের কর্মরত পুলিশ কর্মীরা রাস্তার ধারে দাঁড়িয়ে রয়েছে। তাদের দেখে একটি চলমান পাশে থাকা সমস্ত স্কুল যাত্রা উল্লাসে চেঁচিয়ে ওঠে অভিনন্দন জানাচ্ছে ওই পুলিশকর্মীদের।

আবার আরেকটি ভিডিওতে দেখা গিয়েছে যে ঘটনাস্থলে ওই চার দোষীদের এনকাউন্টার করা হয়েছে সেখানে ACP এবং DCP কে অভিনন্দন জানিয়ে স্লোগান দেওয়া হচ্ছে। শুধু এটাই নয় এমনকি মৃতার প্রতিবেশীদের মধ্যে মিষ্টি বিলিও চলছে। এখান থেকে স্পষ্টভাবে বোঝা যাচ্ছে যে দেশের সাধারণ মানুষ ওদের আসল শাস্তি দেখে এখন স্বস্তিতে রয়েছে। এই ঘটনা শোনার পর মৃত পশুচিকিৎসকের বাবা জানান,” আমি পুলিশ এবং সরকারকে পুরো ঘটনার জন্য কৃতজ্ঞতা জানাচ্ছি। এবার হয়তো আমার মেয়ের আত্মা শান্তি পেল।”

 

Related Articles

Close