আবারো বড়সড় ধাক্কা খেলো মুকেশ আম্বানি, করা হল 40 কোটি টাকার জরিমানা

রিল্যায়ান্সের বিরুদ্ধে বেআইনি লেনদেনের অভিযোগ উঠল৷ 13 বছর আগে রিলায়েন্স পেট্রোলিয়ামের শেয়ার লেনদেনের বাজারে বেআইনিভাবে হাত বদল করার অভিযোগে রিলায়েন্স ইন্ডাস্ট্রিজ এর কর্ণধার মুকেশ আম্বানি কে শেয়ার বাজার নিয়ন্ত্রক সেবি মোটা টাকা জরিমানা করল। যথাক্রমে 25 কোটি এবং 15 কোটি টাকা জরিমানা করা হয়েছে।

ম্যানেজিং ডিরেক্টর হিসেবে মুকেশ আম্বানি রিলায়েন্স ইন্ডাস্ট্রিজ সব ধরনের কারচুপির জন্য দায়ী বলেও জানিয়েছে সেবীর আদযুদিকেটিং অফিসার ডিজে ডিজে এই দিনে রিলায়েন্স এর প্রতিক্রিয়া পাওয়া যায়নি রিলায়েন্স ইন্ডাস্ট্রিজ মুকেশ আম্বানি

রিলায়েন্স এবং মুকেশ আম্বানি ছাড়াও নবী মুম্বাইয়ের এস ই জেড এবং মুম্বই এস ই জেড জরিমানা করা হয়েছে যথাক্রমে কুড়ি কোটি এবং 10 কোটি টাকা..

বি জে দিলিপের মতে লগ্নিকারীরা জানতেন না যে এই আগাম লেনদেনের পিছনে রয়েছে খোদ রিলায়েন্স। মুকেশ বারোটি সংস্থার সঙ্গে চুক্তি করে বেআইনি লেনদেনে অংশ নিয়ে মুনাফা করেছে৷এর ফলে আই আর এল এর শেয়ারের দাম প্রভাব পড়েছিল। এবং ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছিল লগ্নীকারীরা৷

 

 

কবে থেকে স্বাভাবিক হবে পঠন-পাঠন, রাজ্যে স্কুল- কলেজ খোলা নিয়ে বড়োসড়ো সিদ্ধান্ত শিক্ষামন্ত্রীর

2007 সালের মার্চ মাসে আইআরএলের 4 দশমিক 1 শতাংশ শেয়ার বিক্রির সিদ্ধান্ত নেয় মুকেশ আম্বানি৷ ওই বছর নভেম্বরে সংস্থাটির শেয়ারবাজারে লেনদেন করা হয়। 2009 সালে আরপিএল নিজেদের সঙ্গে জুড়ে দেয়। আরআইএল এক্ষেত্রে আগাম লেনদেনের নিয়ম ভাঙা হয়েছে বলে অভিযোগ এনেছিল।

সেবির দায়ের করা এই মামলার নিষ্পত্তি করতে চেয়েছিল রিলায়েন্স৷ তারা আপোষ করে মামলা মেটাতে চাইলে ও রাজি হয়নি সেবি৷ দীর্ঘদিন তদন্তের পর 2017 সালের মার্চ মাসে রিলায়েন্স এর শেয়ার বাজারে প্রত্যক্ষ বা পরোক্ষভাবে ডেরিভেটিভ লেনদেন করতে পারবেনা বলে নির্দেশ দেয় সেবি। আরো 12 টি সংস্থাকে এই নির্দেশ দেওয়া হয়৷

পাশাপাশি অন্যায় ভাবে মুনাফা করার জন্য 447 কোটি টাকা ফেরত দিতে বলা হয়। সেইসঙ্গে 2007 সালের 29 নভেম্বর থেকে দিতে হয় 12% সুদ৷ অর্থাৎ প্রায় এক হাজার কোটি টাকা দিতে হয়৷ এর বিরুদ্ধে আপিল করে আদালতে আর্জি জানান মুকেশ আম্বানি গত নভেম্বরে৷ কিন্তু তা খারিজ হয়ে যায়। এর বিরুদ্ধে সুপ্রিম কোর্টে যাওয়ার কথা জানিয়েছিল রিলায়েন্স কর্তা মুকেশ আম্বানি৷