হাওড়া না দিল্লি? কোথা থেকে চলবে ট্রেন-18?

ট্রেন-18 ট্রায়েল রানে নেমেছিলো এই খবর আমরা হয়তো অনেকেই জানি। ট্রেন-18 এই ট্রায়েল রান পুরোপুরি সফল হয়েছে। ট্রায়েল রানে ঘন্টায় 180 কিলোমিটার বেগে চলেছে এই নতুন ট্রেনটি।
ট্রেন-18 পরীক্ষামূলক ভাবে সফল হওয়ার পর তা নিয়মিত ভাবে চলা শুরু করবে। কিন্তু সবার মনে প্রশ্ন একটাই এই ট্রেনটি কোন রুটে চলবে? শতাব্দী ট্রেনটির পরিবর্তে এই ট্রেনটি চালানো হবে বলে শোনা যাচ্ছিল। তবে রেল মন্ত্র সূত্রের খবর পাওয়া যাচ্ছে যে ট্রেন-18 কে হাওড়া থেকে চালানো হবে। আবার সূত্রের খবর যে,ট্রেন-18 হাওড়া স্টেশন থেকে চলবে না।

ইতিমধ্যে হাওড়া রুটে প্রচুর ট্রেন চলাচল করে। তারপর আবার এই ট্রেন-18 চললে আরো ভিড় বেড়ে যাবে। তার ফলে অন্যান্য ট্রেন গুলির সমস্যা হতে পারে। তাই প্রধানমন্ত্রীর দপ্তর এবং রেলমন্ত্রকের আধিকারিকদের সাথে বৈঠকে সিদ্ধান্ত হয়েছে যে, ট্রেন-18 বারানসি – নয়াদিল্লি রুটে চলবে। তবে এটা আপনারা হয়তো অনেকেই জানেন বারানসি হলো নরেন্দ্র মোদীর লোকসভা কেন্দ্র। দিল্লি থেকে বারানসী রুটে বহুবার পরীক্ষামুলকভাবে দৌড়েছে ট্রেন-18। নতুন বছরেই ট্রেন-18র নতুন যাত্রার উদ্বোধন করবেন নরেন্দ্র মোদি।
কমিশনার রেল সেফটির শংসাপত্র অনেকদিন আগেই পেয়ে গেছে এই ট্রেন-18। নতুন প্রযুক্তিতে ট্রেন চালানোর কারণে নিরাপত্তার বিধি পাশ করাতে হয়। 160 কিলোমিটার প্রতি ঘন্টায় ট্রেন টিকে চালানোর আগে লাইনের দুধারে প্রাচীর দেওয়ার পরামর্শ দিয়েছেন সিআরএস।


কতকগুলি নির্দিষ্ট স্টেশনে দাঁড়াবে এই ট্রেন-18। নয়াদিল্লির পর গাজিয়াবাদ,কানপুর এবং প্রয়াগরাজে থামবে। এরপর আর কথাও দাড়াবে না এই ট্রেনটি একদম বারানসী তে থামবে। তবে এই ট্রেনটির ভাড়া বাকি ট্রেন গুলোর থেকে একটু বেশি। এই ট্রেনের ভাড়া তেজসের মতন হতে পারে বলে মনে করা হচ্ছে।
‘মেক ইন ইন্ডিয়া’ যেটি প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদির স্বপ্নের কর্মসূচি। এই মেক ইন ইন্ডিয়া এর আওতায় চেন্নাইয়ে রেলের কারখানায় সম্পূর্ণ ভারতীয় প্রযুক্তি ব্যবহার করে এই ট্রেনটি তৈরি করা হয়েছে। তাও আবার মাত্র 18 মাসের মধ্যেই ট্রেনটিকে তৈরি করে ফেলা হয়েছে।

Related Articles

Leave a Reply

This site uses Akismet to reduce spam. Learn how your comment data is processed.

Close