ভুলে যান দীঘা-পুরী, শীতের আমেজের মজা নিতে সামান্য কিছু খরচে আজই ঘুরে আসুন কলকাতার এই নিকটবর্তী সমুদ্র সৈকত থেকে

শীতের মরসুম আর শীতের মরসুম মানেই বাঙালির ভ্রমণের সময়। যেকোনো উৎসবের দিন হোক কিংবা উইক এন্ড বাঙালি বেরিয়ে পড়ে ভ্রমণের স্বাদ নিতে। বাঙালির বেড়াতে যাওয়ার তালিকা ইতিমধ্যেই ঠিক হয়ে গেছে অনেকেরই।কেউ হয়তো দুদিনের ছুটি পেলেই ঘোরার প্ল্যান করে ফেলেছেন দীঘা কিংবা মন্দারমনিতে আর কেউ যদি সাত দিনের ছুটি পান তাহলে তো বাঙালির দিপুদা রয়েইছে, পুরী নয় দার্জিলিং।

তবে আজ আমরা এমন একটা জায়গার সম্পর্কে আলোচনা করতে চলেছি যেখানে একবার হলেও ছুটি উপভোগ করে আসতে পারেন পরিবারের সাথে। সম্পূর্ন নিরিবিলিতে কাটিয়ে আসতে পারেন বেশ কয়েকটা দিন। যাতে মনও চাঙ্গা হয়ে উঠবে।মেজাজও হয়ে উঠবে ফুরফুরে। সেই ডেসটিনেশনটি হল বগুরান জলপাই সমুদ্র সৈকত। সম্প্রতি এর জনপ্রিয়তা বাড়ছে। সমুদ্রের তীরে বসেই মন ভালো হয়ে যাবে।

এবার জানবো বগুরান জলপাইয়ে পৌঁছবেন কি করে? প্রথমেই বাসের সাহায্যে পৌঁছে যেতে পারেন কন্টাই পর্যন্ত। তারপর সেখান থেকে ১৫ মিনিটের টোটো ধরে পৌছে যেতে হবে বগুরান জলপাই সৈকতে। এবার যদি আপনি যেতে চান ট্রেনে করে তাহলে এর জন্য আপনাকে প্রথমে নামতে হবে কাঁথি স্টেশনে। অত্যন্ত নিরিবিলি সমুদ্র সৈকত দীঘা বা মন্দারমনির মতো সমুদ্রের উচ্ছ্বাস হয়ত সেখানে দেখতে পাওয়া যায় না কিন্তু এইখানকার শান্ত ও মনোরম পরিবেশ মনকে একদম তরতাজা করে দেবে।

এর সাথে উপরি পাওনা সমুদ্র তটে লাল কাঁকড়ার সারি। এখানে জোয়ার ভাটায় কখনো সমুদ্র চলে যাবে অনেক দূরে আবার কখনো চলে আসবে আপনার পায়ের কাছে। হোটেল বা রিসোর্টেরও সুব্যবস্থা রয়েছে। সাগর নিরালা নামে একটি রিসোর্ট খুব জনপ্রিয় কারণ এখানে অতি কম খরচে থাকার সু বন্দোবস্ত রয়েছে। তাই চটজলদি আজই প্ল্যান করে ফেলুন বগুরান জলপাই আর উইকেন্ডের ছুটিতে পরিবারকে নিয়ে ঘুরে আসুন এমন একটি মন ভালো করা জায়গায় আর মন ভরে নিয়ে আসুন অক্সিজেন।