কীভাবে দেওয়া হবে মাধ্যমিক উচ্চমাধ্যমিক পরীক্ষার্থীদের নাম্বার, পাশাপাশি থাকছে পরীক্ষার্থীদের পরীক্ষায় বসার সুযোগ

গতকালই মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় ঘোষণা করেছিলেন যে আগামী জুলাই মাসের মধ্যেই মাধ্যমিক এবং উচ্চ মাধ্যমিকের ফল প্রকাশিত হতে চলেছে। এর সঙ্গেই তিনি বলেন শুক্রবার অর্থাৎ আজকে মাধ্যমিক এবং উচ্চ মাধ্যমিকের নম্বর বিভাজন কিভাবে করা হবে তা বিস্তারিত ভাবে জানানো হবে। যেমন কথা তেমন কাজ। আজ ঘোষণা করা হয়েছে কিভাবে মাধ্যমিক এবং উচ্চ মাধ্যমিকের ছাত্র-ছাত্রীদের পরীক্ষা না নিয়ে কীভাবে নম্বর দেওয়া হবে। মধ্যশিক্ষা পর্ষদ এবং উচ্চমাধ্যমিক শিক্ষা সংসদের সভাপতিরা আজ মাধ্যমিক এবং উচ্চ মাধ্যমিকের কীভাবে নম্বর দেওয়া হবে সেগুলি ঘোষণা করেছেন।

মধ্যশিক্ষা পর্যদের সভাপতি কল্যাণময় গঙ্গোপাধ্যায় জানান, ২০২১ সালের মাধ্যমিক পরীক্ষার প্রাপ্ত নম্বরের মূল্যায়ন করা হবে নবম শ্রেণির পরীক্ষার ফলাফলের প্রাপ্ত নম্বর থেকে ৫০ শতাংশ এবং দশম শ্রেণির অ্যাসেসমেন্ট টেস্টের প্রাপ্ত নম্বরের ৫০ শতাংশ যোগ করে। যদি কোনো পরীক্ষার্থী এই রেজাল্টে সন্তুষ্ট না হয় তবে করোনা পরিস্থিতি স্বাভাবিক হলে তারা পরীক্ষায় বসার সুযোগ পাবে।

উচ্চ মাধ্যমিক পরীক্ষায় প্রাপ্ত নম্বরের মূল্যায়ন কীভাবে করা হবে সেই বিষয়ে উচ্চমাধ্যমিক শিক্ষা সংসদের সভাপতি মহুয়া দাস বলেছেন, ২০১৯ সালের মাধ্যমিক পরীক্ষায় পাওয়া সর্বোচ্চ চারটি বিষয়ের নম্বর থেকে ৪০ শতাংশ নম্বরের সঙ্গে যোগ হবে ২০২০ সালের একাদশ শ্রেণির লিখিত পরীক্ষার ৬০ শতাংশ নম্বর এবং দ্বাদশ শ্রেণির প্র্যাক্টিক্যাল পরীক্ষার নম্বর। যদি কোনো পরীক্ষার্থী উচ্চমাধ্যমিকের রেজাল্টের সন্তুষ্ট না হয় তবে করোনা পরিস্থিতি স্বাভাবিক হলে পরীক্ষায় বসার সুযোগ থাকছে পরীক্ষার্থীদের হাতে।

প্রথম থেকেই মাধ্যমিক উচ্চ মাধ্যমিক পরীক্ষা হবে কিনা সে বিষয়ে দ্বিমত তৈরি হয়েছিল। মাধ্যমিক এবং উচ্চ মাধ্যমিক পরীক্ষা নেওয়া যায় কিনা সেই বিষয়ে পশ্চিমবঙ্গবাসীর কাছে মতামত চাওয়া হয়েছিল। মতামত জানানোর জন্য তিনটি মেইল আইডি দেওয়া হয়েছিল। মেইল আইডিতে ৩৪ হাজার মেইল জমা পড়েছিল যার মধ্যে বেশিরভাগ মানুষই পরীক্ষা না নেওয়ার পক্ষে রায় দিয়েছে। তারপরে সিদ্ধান্ত নেওয়া হয় যে এই বছর মাধ্যমিক এবং উচ্চমাধ্যমিক পরীক্ষা বাতিল করা হবে।