রাজ্যজুড়ে কীভাবে পালিত হবে চতুর্থ দফার লকডাউন- জানিয়ে দিলেন রাজ্যের মুখ্যমন্ত্রী..

রাজ্যে 31 শে মে পর্যন্ত জারি থাকবে চতুর্থ দফার লকডাউন একথা মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় গতকাল জানিয়ে দিয়েছেন। তার পাশাপাশি মুখ্যমন্ত্রী জানিয়েছেন বুথ অনুযায়ী এবং গ্রামগুলিকে তিনটি ভাগে কন্টেনমেন্ট ভাগ করা হয়েছে যে গুলির নাম দেওয়া হয়েছে যথাক্রমে জোন A, জোন B, জোন C। যাদের মধ্যে জোন A কে অ্যাফেক্টেড জোন, জোন B কে বাফার জোন ও জোন C কে ক্লিন জোন নামে আখ্যা দেওয়া হয়েছে।

1) তবে এক্ষেত্রে বাকি জায়গা গুলোতে বড় দোকান দানিগুলি খুলে দেওয়া হবে 21 শে মে এর পর থেকে। আর এক্ষেত্রে একটি কমিটি গঠন করা হয়েছে যেটি 27 তারিখের মধ্যে সিদ্ধান্ত নেবে হকার মার্কেটগুলি কী করা হবে তা নিয়ে।

2) এর পাশাপাশি দোকানদানি খুললেও দোকান দারদের গ্লাভস ও মাস্ক পরা বাধ্যতামূলক করা হয়েছে।

3) আর আন্তঃরাজ্যগুলিতে আগামী 21 তারিখের পর থেকে চালু করা হবে বাস পরিষেবা, চলবে সরকারি বাস তার পাশাপাশি বেসরকারি বাস মালিকদের সোশ্যাল ডিসটেন্স মেনে চালানোর পরামর্শ দেওয়া হয়েছে।

4) আর আগামী 27 শে মে থেকে অটোরিকশা চালানোর পরামর্শ দেওয়া হয়েছে কিন্তু এক্ষেত্রে অটোরিক্সাতে দুজনে বেশি যাত্রী নেওয়া যাবে না এ কথা স্পষ্ট জানিয়ে দেওয়া হয়েছে।

5) আর এই চতুর্থ দফার লকডাউন চলাকালীন শুরু করা যেতে পারে খেলা, তবে সে ক্ষেত্রে মাঠে কোন রকম দর্শক থাকতে পারবে না।

6) আর সব শিল্পক্ষেত্রেও কিন্তু সরকারি দপ্তরের মত চালু হয়ে গেলেও 50% কর্মচারী নিয়ে এক্ষেত্রে কাজ করা যাবে।

7) আর এই চতুর্থ দফার লকডাউন চলাকালীন খোলা যেতে পারে চুল কাটার দোকান ও বিউটি পার্লার তবে সে ক্ষেত্রে যে সামগ্রী দিয়ে চুল, দাড়ি কাটা হবে সেগুলি কে স্যানিটাইজ করার পরামর্শ দেওয়া হয়েছে।

8) তবে এক্ষেত্রে কেন্দ্রীয় সরকারের তরফ থেকে এই চতুর্থ দফার লকডাউন চলাকালীন ঘোষণা করে দেওয়া রাত্রি সাতটা থেকে সকাল সাতটা পর্যন্ত জারি রাখা হবে কার্ফু অর্থাৎ এক্ষেত্রে সন্ধ্যে সাতটার পর থেকে বাড়ির ভিতরে কাটাতে হবে দেশের জনগণকে। কোন প্রকার এমার্জেন্সি কাজ ছাড়া বাইরে বেরোনো যাবে না এক্ষেত্রে। তবে এক্ষেত্রে রাজ্যের মুখ্যমন্ত্রী জানান আমরা কার্ফু করার পক্ষে নয় তবে এমন কিছু করবেন না যেন সরকারকে এরকম কোন কিছু করতে বাধ্য হতে হয়।

9) তার পাশাপাশি কোন রাজনৈতিক দলকে এরকম এক কঠিন পরিস্থিতিতে রাজনীতি না করার কথা জানান তিনি।কারণ এই মুহূর্তে যদি রাজনীতিকে উস্কানি দেওয়া হয় তাহলে সেটি কোভিড 19 কে উস্কানি দেওয়া হয় বলে তিনি মনে করছেন।