নামাজের পাল্টা এবার হনুমান চল্লিশা, রাস্তা আটকে হনুমান চল্লিশা পাঠ করবে গেরুয়া বাহিনী…

রাস্তা আটকে যদি কোন সম্প্রদায়ের মানুষ প্রার্থনা করতে পারে তাহলে অন্য সম্প্রদায়ের মানুষেরা কেন পারবে না? সংখ্যালঘু এবং সংখ্যাগুরু সকলকে সমান গুরুত্ব দিতে হবে। এই দাবিতে রাস্তা আটকে হনুমান চল্লিশা পাঠ করল বিজেপি যুব সংগঠন ভারতীয় জনতা যুব মোর্চা। মঙ্গলবার এই সংগঠনের পক্ষ থেকে হাওড়া জেলার বালি খাল এলাকায় এরা রাস্তা আটকে হনুমান চল্লিশা পাঠ করে। গ্র্যান্ড ট্রাঙ্ক রোড যা বিশ্বের বৃহত্তম রাস্তা আটকে হনুমান চল্লিশা পাঠ করে এই সংগঠন।

প্রতি মঙ্গলবার এই এই কর্মসূচি নেওয়া হবে বলে জানিয়ে দিয়েছেন বিজেপির যুব মোর্চার হাওড়া জেলা সভাপতি ওপি সিং। তাদের দাবি রাজ্যে ব্যাপক হারে বৃদ্ধি পেয়েছে সংখ্যালঘু তোষন। রাজ্যের শাসক দল তৃণমূল কংগ্রেসের বিরুদ্ধে এই অভিযোগ নতুন কিছু নয়।বিজেপি ছাড়াও বাম-কংগ্রেস নেতাদের মুখেও এই অভিযোগ বহুবার শোনা গেছে। তাই এর বিরুদ্ধে প্রতি মঙ্গলবার রাস্তা আটকে হনুমান চল্লিশা পাঠ করার সিদ্ধান্ত নিয়েছেন ওপি সিং।

প্রসঙ্গত শুক্রবার গ্র্যান্ড ট্রাঙ্ক রোড আটকে নামাজ পড়া হয়। সংখ্যালঘু সম্প্রদায়ের সেই প্রার্থনার কারনে সেদিন বহু মানুষকে অসুবিধার মুখে পড়তে হয়। সেই ঘটনার প্রতিবাদ জানাতেই মঙ্গলবার গ্র্যান্ড ট্রাঙ্ক রোড আটকে হনুমান চল্লিশা পাঠ করা হবে বলে জানিয়েছেন ওপি সিং।এনার কথায়, ” মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের শাসনকালে আমরা দেখেছি গ্র্যান্ড ট্রাঙ্ক রোড ও সব রাস্তা শুক্রবার নামাজ পড়ার জন্য বন্ধ করে রাখা হয়। রাস্তা বন্ধ থাকায় অনেক রোগীর মৃত্যু হয় এ ছাড়াও বহু মানুষ ঠিক সময় মতো অফিসে পৌঁছাতে পারে না। এই নিয়ম যতদিন চলবে ততদিন পর্যন্ত আমরা প্রতি মঙ্গলবার রাস্তা আটকে হনুমান চল্লিশা পাঠ করবো।”

হনুমান মন্দির সংলগ্ন বড় বড় রাস্তাতে প্রতি মঙ্গলবার এই কর্মসূচি নেওয়া হবে বললে জানিয়েছেন তিনি।নামাজের জন্য বহু মানুষের অসুবিধা হয় বলে জানিয়েছেন তিনি। কিন্তু সেই সমস্যা প্রতিবাদে আবার কেন একই পথে হেটে রাস্তা বন্ধ করা হবে? এই বিষয়ে তিনি কিছু বলেননি। সমস্যা দূর করতে গিয়ে আবার সমস্যা খাড়া করা ঠিক হবে কিনা তা কারোও কাছে এখন স্পষ্ট নয়।

Related Articles

Close