দেশজুড়ে কীভাবে পালিত হবে পঞ্চম দফার লকডাউন- জানিয়ে দিল কেন্দ্র সরকার..

আজই শেষ হতে চলেছে চতুর্থ দফার লকডাউন। আর আগামীকাল থেকে শুরু হতে চলেছে পঞ্চম দফার লকডাউন। এই পঞ্চম দফার লকডাউনে মানুষের গতিবিধি কে সাধারন করে তোলার জন্য অনেক কিছুতে ছাড় দিয়েছে সরকার। আর সরকারের প্রধান লক্ষ্য হলো ধাপে ধাপে সমস্ত কিছুই ছাড় দেওয়া। এই লকডাউন এর নাম দেওয়া হয়েছে, ‘Phased Re-opening’। এরই পার্ট হিসেবে ‘Unlock 1’ নাম দেওয়া হয়েছে। যদিও কেন্দ্র সরকার স্বাস্থ্যবিধি মেনে সমস্ত পরিষেবা ধাপে ধাপে খুলে দেওয়ায় সম্মতি জানিয়েছে।

কেন্দ্রীয় সরকারের গৃহ মন্ত্রণালয় এবং স্বাস্থ্য ও পরিবার কল্যাণ দপ্তর এর নির্দেশ অনুসারে নির্দিষ্ট কনটেইনমেন্ট এলাকাগুলি ছাড়া এই গাইডলাইন গুলি ধীরে ধীরে কার্যকর হবে। সরকারের দেওয়া গাইডলাইন গুলি নীচে উল্লেখ করা হলো –

1. কেন্দ্র সরকারের গাইডলাইনে বলা হয়েছে প্রথম ধাপে ধর্মীয় স্থান থেকে শুরু করে রেষ্টুরেন্ট,  শপিংমল, হোটেল এবং জনসাধারণের জন্য সেবামূলক পরিষেবা চালু করতে। তবে সরকারের তরফ থেকে যে নির্দেশিকা দেওয়া হয়েছে তাতে সামাজিক দূরত্ব বজায় রেখে সমস্ত কিছু কাজ করা হয়।

2. দ্বিতীয় ধাপে স্কুল-কলেজসহ আরো নানান ধরনের শিক্ষা প্রতিষ্ঠানগুলো, ট্রেনিং, কোচিং সেন্টার গুলো খোলা যাবে বলে জানানো হয়েছে। তবে রাজ্য ও কেন্দ্রশাসিত অঞ্চলের কাছে অবশ্যই পরামর্শ নিতে হবে। এমন কী বলা হয়েছে, শিক্ষা প্রতিষ্ঠান কর্তৃপক্ষ এবং অভিভাবকদের সঙ্গে বৈঠক করে সিদ্ধান্ত নিতে হবে শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান কবে থেকে খুলবে।

3. তৃতীয় ধাপে লকডাউন খোলার পর এই সিদ্ধান্ত নেওয়া হবে যে আন্তর্জাতিক বিমান পরিষেবা চালু করা হবে কিনা। এরমধ্যে রয়েছে শপিংমল, সুইমিংপুল, থিয়েটার, বার, অডিটোরিয়াম এই সমস্ত কিছু তৃতীয় ধাপের লকডাউন খোলার পর এই সিদ্ধান্ত নেওয়া হবে।

4.  এছাড়াও দেশের কোন ব্যক্তি কোন অঞ্চলে রাত 9 টা থেকে শুরু করে সকাল 5 টা পর্যন্ত যাতায়াত করতে পারবেন না। তবে কোন প্রয়োজন থাকলে সে ক্ষেত্রে ছাড় দেওয়া হবে বলে জানানো হয়েছে।

কেন্দ্রীয় স্বরাষ্ট্রমন্ত্রকের নির্দেশ অনুসারে কনটেনমেন্ট জোন গুলিতে লকডাউন জারি থাকবে আগামী 30 জুন পর্যন্ত। এক্ষেত্রে সরকারের তরফ থেকে যে সমস্ত নির্দেশ দেওয়া হয়েছে সেগুলো নিচে দেওয়া হল –

1. কেন্দ্র স্বাস্থ্যমন্ত্র নির্দেশ অনুসারে প্রত্যেকটি জেলা প্রশাসন তাদের কনটেইনমেন্ট জোন ঠিক করবে।

2. কনটেনমেন্ট জোনে প্রয়োজনীয় জিনিসপত্র ছাড়া অন্য কিছু ছাড় দেওয়া হবে না।
3. এসমস্ত এলাকাগুলিতে থার্মাল স্ক্রিনিংয়ের ব্যবস্থা থাকবে। এছাড়াও অন্যান্য চিকিৎসা সংক্রান্ত পরীক্ষার ব্যবস্থা থাকবে।
4. এছাড়া কনটেইনমেন্ট জোন এবং বাইরের এলাকা গুলির মধ্যে যে মাঝখানে যে সংযোগ থাকবে সেখানে কড়াকড়ি ভাবে সাধারণ মানুষের চিকিৎসা করা হবে।