হার্ট অ্যাটাকের এক মাস আগে থেকেই শরীরের দেখা মেলে এই সাতটি লক্ষণ

হার্ট অ্যাটাক শুনলেই ভয় লাগে৷যার একবার হার্ট অ্যাটাক হয় তাকে বাকি জীবন সতর্ক থাকতে হয়। যে কোনো মানুষের যেকোনো সময় হার্ট অ্যাটাক হতে পারে৷ শরীরচর্চা না করা, অস্বাস্থ্যকর খাদ্যগ্রহণ এবং অনিয়ম হার্ট অ্যাটাকের ঝুঁকি বাড়ায়। সম্প্রতি এক রিপোর্টে হার্ট অ্যাটাকের কিছু লক্ষণের কথা বলা হয়েছে । এই লক্ষণগুলি দেখে আপনি যদি আগাম সতর্ক হয়ে যান তাহলে একটা জীবন বেঁচে যেতে পারে৷

সাধারণত হৃদপিণ্ডে পর্যাপ্ত রক্ত চলাচল না হলে বা রক্ত চলাচল বন্ধ হয়ে গেলে হার্ট অ্যটাক হয়৷ এছাড়া রক্ত চলাচলের সময় শিরা-উপশিরাগুলোতে কোনো ব্লক থাকলে হার্ট অ্যাটাক হয়। বিশেষজ্ঞরা জানাচ্ছেন, হার্ট অ্যাটাকের এক মাস আগে থেকেই দেহে কিছু পরিবর্তন হয়৷ যেগুলোতে আপনি বুঝতে পারবেন আপনার হার্ট অ্যাটাকে আক্রান্ত হওয়ার ঝুঁকি বাড়ছে৷ তখন দ্রুত চিকিৎসকের সঙ্গে যোগাযোগ করুন। আসুন জেনে নেওয়া যাক কোন কোন লক্ষণ দেখলে সতর্ক হবেন?

শরীরে রক্ত চলাচল স্বাভাবিকের তুলনায় কম হলে অথবা রক্ত চলাচল বাধাগ্রস্ত হলে আপনার অসম্ভব ক্লান্তি লাগবে৷ রক্তের শিরা- উপশিরাগুলোতে চর্বি জমে রক্ত চলাচলে বাধা সৃষ্টি করে এবং মাংসপেশী দুর্বল হয়ে পড়ে৷ এটা হৃদরোগের প্রধানতম লক্ষণ। মস্তিষ্কে রক্ত চলাচল কমে গেলে ঝিমুনি আসে।

রক্ত চলাচল কমে গেলে কোনো কারণে দেহে ঘাম হলে তারপর বেশ ঠাণ্ডা লাগে৷

বুক, বাহু, পিঠ এবং কাঁধে ব্যাথা হলে দ্রুত ডাক্তারের সঙ্গে যোগাযোগ করুন। বুকে ব্যথা এবং সংকোচন হার্ট এর অসুস্থতার একটি বড় লক্ষণ।

হার্ট অ্যাটাকের শিকার অনেককেই এক মাস আগে থেকে ঠাণ্ডা-সর্দি বা ফ্লু-তে আক্রান্ত হতে দেখা গেছে।

ফুসফুসে পর্যাপ্ত পরিমাণে অক্সিজেন সরবরাহ না হওয়ায় রক্ত চলাচলে ব্যাঘাত ঘটে৷ হার্টের সমস্যা থাকলে ফুসফুসে রক্ত চলাচল কমে যায়৷ তখন শ্বাসকষ্ট এর সমস্যা দেখা যায়।

বমিভাব, বদহজম, বুক হৃৎপিণ্ডে জ্বালাপোড়া করা বা তলপেটে ব্যথাও অনেক সময় হার্ট অ্যাটাকের পূর্ব লক্ষণ হতে পারে।

“ভুয়ো গ্ৰাহক” সহ একাধিক সমস্যা মেটাতে রাজ্য জুড়ে চালু করা হবে ই-রেশন কার্ড

সুতরাং এই লক্ষণগুলো দেখা গেলে দ্রুত ডাক্তারের সঙ্গে পরামর্শ করুন।

হাসপাতালে ২জন রোগী ছিল মৃত্যু শয্যায়। একজন রোগী থাকতো জানালার কাছে। প্রতিদিন বিকেলে নার্সের সাহায্য নিয়ে জানলার পাশে বসত৷ ১ ঘণ্টা পরে পাশের বিছানায় শুয়ে থাকা রোগীর কাছে বাইরে যা যা দেখলেন সেটাই বর্ণনা করতেন। তিনি প্রতিদিন বলতেন–“বাইরে অনেক পাখি উড়ে বেড়াচ্ছে। ছোট ছোট শিশুরা মাঠে খেলা করছে। বাচ্চারা কাগজের নৌকা বানিয়ে ভাসিয়ে দি চ্ছে জলে…

পাশের বিছানায় শুয়ে শুয়ে রোগীটি এইসব কল্পনা করত। তারপর হঠাৎ একদিন জানালার পাশে থাকা রোগীটি মারা গেলেন। জানলার ধারের বেডে জায়গা নিলেন সেই রুগী৷ বিকেলবেলা সে প্রকৃতির সৌন্দর্য নিজে চোখে দেখার জন্য উৎসুক৷কিন্তু দেখলেন, সাদা দেয়াল ছাড়া আর কিছুই নেই! নার্সকে জিজ্ঞেস করতে জানা গেল
উনি ছিলেন অন্ধ। “আপনাকে বেঁচে থাকার উৎসাহ দিতেই এসব গল্প বলতেন৷ ”

এতক্ষণ এই গল্পটি উদাহরণ দেওয়ার অর্থ একটাই৷ নিজের সুখ দুঃখ কাছের কারো সঙ্গে শেয়ার করুন৷ মন ভালো থাকবে৷ মানসিক চাপ কম হলে শরীরও ভালো থাকবে৷