জানুয়ারিতেই আসতে পারে ভ্যাক্সিন সুসংবাদ দিলেন হর্ষবর্ধন

করোনাভাইরাস মহামারী রূপে এখনও ভারতে বিরাজ করছে। দীর্ঘ ১০ মাস যাবৎ সংক্রমণ অব্যাহত৷ দেশে করোনার সংক্রমণের সংখ্যা ১ কোটি ছাড়িয়ে গেছে। প্রত্যেকেই এখন অধীর আগ্রহে অপেক্ষা করছে করোনার ভ্যাকসিনের জন্য। এমতাবস্থায় কেন্দ্রীয় স্বাস্থ্যমন্ত্রী ডাঃ হর্ষ বর্ধন করোনার ভ্যাকসিন সম্পর্কে সুসংবাদ দিয়েছেন। সংবাদ মাধ্যমের সঙ্গে কথা বলে স্বাস্থ্যমন্ত্রী জানিয়েছেন, ভারতে প্রথম করোনার ভ্যাকসিন কখন দেওয়া হবে।

 

 

এছাড়াও, প্রথম কারা করোনা ভ্যাক্সিন পাবেন সে সম্পর্কেও জানিয়েছেন স্বাস্থ্যমন্ত্রী৷ কেন্দ্রীয় স্বাস্থ্যমন্ত্রী ডাঃ হর্ষ বর্ধন বলেছেন, আগামী বছর জানুয়ারি মাসেই করোনা ভ্যাক্সিন দেওয়া শুরু হতে পারে ভারতে৷ তিনি বলেন, ” আমি মনে করি আগামী বছরের জানুয়ারী মাসে যে কোনও সপ্তাহে এমন সময় আসতে পারে যখন আমরা ভারতের জনগণকে প্রথম ভ্যাকসিন দিতে পারব। ভারত ভ্যাকসিনের সুরক্ষা, কার্যকারিতা, প্রতিরোধ ক্ষমতা নিয়ে কোনও আপোস করবে না।

 

 

 

আমাদের গবেষকরা অত্যন্ত গভীর ও গুরুত্ব সহকারে সমস্ত তথ্য পর্যালোচনা করছেন। ভারত সরকার গত চার মাস ধরে রাজ্য সরকারের সহযোগিতায় রাজ্য, জেলা ও ব্লক পর্যায়ে টিকা দেওয়ার জন্য প্রস্তুতি নিচ্ছে।”

 

 

 

কেন্দ্র সরকারের নতুন পদ্ধতিতে এবার টোল প্লাজার লম্বা লাইনে দাঁড়ানোর দিন শেষ, আসছে নতুন পদ্ধতি

 

 

কেন্দ্রীয় স্বাস্থ্যমন্ত্রী ডাঃ হর্ষ বর্ধন জানিয়েছেন, ৩০ কোটি লোককে প্রথমে এই ভ্যাকসিন দেওয়া হবে। তাদের মধ্যে ১ কোটি স্বাস্থ্যকর্মী, ২ কোটি সামনের সারিতে থেকে করোনার বিরুদ্ধে লড়াই করেছেন এমন মানুষ, ৫০ বছরের বেশি বয়সী ২ কোটি মানুষ, এবং ৫০ বছরের নিচে প্রায় এক কোটি মানুষ রয়েছেন যাদের কোনও দীর্ঘদিনের অসুখ থাকায় জীবনের ঝুঁকি আছে।

 

স্বাস্থ্যমন্ত্রী, ডাঃ হর্ষ বর্ধন বলেন, ” আমি অনুভব করি যে আমরা যেসব সমস্যার মধ্যে দিয়ে যাচ্ছি সেগুলি এখন শেষের দিকে । এত বড় দেশ হওয়া সত্ত্বেও, বিশ্বের অন্যান্য বড় দেশগুলির তুলনায় ভারত তুলনামূলক ভাবে ভালো রয়েছে।” কয়েকমাস আগে দেশে করোনা ভাইরাসের ১০ লক্ষ মানুষ আক্রান্ত ছিল, এখন সেই সংখ্যাটা কমে প্রায় তিন লক্ষতে এসে দাঁড়িয়েছে৷ ৯৫ লক্ষেরও বেশি মানুষ সংক্রমণ পরবর্তী সময় সুস্থ হয়েছেন৷ রিকভারি রেট অনুযায়ী ভারতের স্থান বিশ্বে সর্বোচ্চ।