গুমনামী বাবাই না কী নেতাজি! ফরেন্সিক ল্যাব থেকে উঠে এল চাঞ্চল্যকর তথ্য…

আমাদের দেশ থেকে শুরু করে বিদেশেও সকলেই নেতাজি সুভাষচন্দ্র বসুকে খুব ভালো করেই চেনেন। নেতাজি সুভাষচন্দ্র বসুর অন্তর্ধান নিয়ে এখনো সন্দেহ জমে রয়েছে সমস্ত বাঙালির মনে। হঠাৎ করে এনার অনুপস্থিতি এখনো পর্যন্ত সবাইকে অবাক করে রাখে। আজকে যে ভারত স্বাধীনতা লাভ করেছে তার পিছনে এনার গুরুত্ব অপরিসীম তা সবাইকে মানতেই হবে। কোন কিছুকে পরোয়া না করে কাউকে ভয় না করে দেশ স্বাধীনের জন্য নিজের সবটুকু দিয়ে লড়েছেন তিনি।

ক্ষমতা সম্পন্ন ইংরেজদের সাথে কীভাবে লড়াই করতে হয় তার অন্যতম উদাহরণ হল নেতাজি সুভাষচন্দ্র বসু। তবুও তার এই হঠাৎ অন্তর্ধানের পিছনে আসল রহস্য কী তা এখনো পর্যন্ত জানা যায়নি। গুমনামি বাবাই সত্যিই কী নেতাজি ছিল তা নিয়ে অনেকের মনেই প্রশ্ন জেগে ছিল আগে। এখন আবার সেই প্রশ্ন নতুন ভাবে আরো একবার দানা বাঁধতে চলেছে। কলকাতা(kolkata) সেন্ট্রাল ফরেনসিক সায়েন্স ল্যাবরেটরী থেকে আসা একটি আরটিআইএর উত্তরে এই ধারণা সত্যি হবার সম্ভাবনা প্রবল হচ্ছে বিশেষজ্ঞদের মধ্যে।

আরটিআই-এর সায়ক সেন কলকাতা রেল ল্যাবরেটরী কাছ থেকে জানতে চেয়ে ছিলেন যে,তাদের কাছে গুমনামী বাবার দাঁতের ইলেক্ট্রোফেরোগ্রাম (Electrophherogram) রয়েছে কী না। এরপর ল্যাবরেটরি তরফ থেকে বলা হয় যে তাদের কাছে গুমনামী বাবার দাঁতের ইলেক্ট্রোফেরোগ্রাম নেই। এর পর থেকেই এ নিয়ে রহস্য আরো বেশি করে দানা বাঁধে। দাঁতের ইলেক্ট্রোফেরো-গ্রাম করার পর তার সঙ্গে কোন পরিবারের লোকজনের ডিএনএ(DNA) মিলিয়ে যদি দেখা যায় যে রিপোর্ট পজিটিভ রয়েছে তাহলে প্রমাণিত হয় ওই ব্যক্তিটি ওই পরিবারের সদস্য।

ফলে এনার ক্ষেত্রেও এই পদ্ধতিটি খুবই গুরুত্বপূর্ণ ছিল যাচাই করার জন্য। কিন্তু কলকাতার ওই ল্যাবরেটরি তা দিতে পারেনি। বেশ কয়েকদিন আগে নেতাজির মৃত্যু ঘিরে তদন্ত করতে গিয়ে ‘বিষ্ণু সহায় কমিশন’ ওই একই ল্যাবে জানান যে গুমনামি বাবা এবং নেতাজি দুজন আলাদা ব্যক্তি। এবার এই ঘটনার পর থেকে সেই রিপোর্ট নিয়ে ফের আবার নানান মহলে প্রশ্ন উঠছে।