মাধ্যমিকের উত্তরপত্রের মূল্যায়নে কমানো হবে সময় জারি নির্দেশিকা! তীব্র ক্ষোভ প্রকাশ শিক্ষক মহলে…

কয়েকটা দিন হল মাধ্যমিক পরীক্ষা শেষ হয়েছে।আর এরপর থেকেই খাতা দেখার সময় কমিয়ে আনা হয়েছে মধ্যশিক্ষা পর্ষদের তরফ থেকে এছাড়াও শাস্তির ভয় দেখানো হচ্ছে। ফলে সমস্ত কিছু মিলিয়ে মধ্যশিক্ষা পর্ষদের এই সিদ্ধান্তকে ঘিরে তীব্র ক্ষোভ প্রকাশ করেছেন শিক্ষক মহলের অনেকেই। উত্তরপত্র মূল্যায়নে বা নম্বর গুনতে কোনরকম যেন ভুল না হয় সে বিষয়ে জানিয়ে দিয়েছে মধ্যশিক্ষা পর্ষদ।

আর শিক্ষকরা কোন ভুল করলে তাদের বিভাগীয় তদন্তের মুখে পড়তে হতে পারে বলে জানানো হয়েছে। মূল্যায়ন করার পর কীভাবে নম্বর দেওয়া হবে সেই বিষয়ে মধ্যশিক্ষা পর্ষদ থেকে একটি গাইডলাইন তৈরি করা হয়েছে। ক’টা প্রশ্নের উত্তর কতটা লিখলে কিভাবে লিখলে কত নাম্বার দেওয়া হবে সেই সম্পর্কে বিস্তারিত খসড়া তৈরি করা হয়েছে এবার পর্ষদের তরফ থেকে। মূল্যায়ন করার পর শিক্ষকদের উত্তরপত্রে জানিয়ে দিতে হবে যে কোন কোন প্রশ্নের উত্তর কী কী লেখার জন্য তাকে কত নাম্বার দেওয়া হয়েছে।

এবং শিক্ষকদের উত্তরপত্রে একটি টেবিল আকারে তা বর্ণনা করতে হবে। শুধু তাই নয় কোনো প্রশ্নের উত্তরে যদি  পূর্ণ নাম্বার দেওয়া না হয় তাহলে তার কারণ টিও শিক্ষককে উল্লেখ করতে হবে। একদিকে খাতা দেখার সময়সীমাকে কমানো হচ্ছে পর্ষদের তরফ থেকে তারপর আবার নতুন নতুন নির্দেশ দেওয়া হচ্ছে। ফলে তীব্র ক্ষোভের সৃষ্টি হয়েছে শিক্ষক মহলে। শিক্ষক শিক্ষাকর্মী শিক্ষানুরাগী ঐক্য মঞ্চের রাজ্য সম্পাদক কিংকর অধিকারী এনিয়ে বলেন যে, মাধ্যমিক পরীক্ষার খাতা দেখার সময় সীমা কমানো হল মধ্যশিক্ষা পর্ষদের তরফ থেকে অথচ মূল্যায়নের সংখ্যা কমানো হলো না।

শুধু তাই না এরমধ্যে আবার অনেক শিক্ষককে পরীক্ষার কোন খাতাই দেখতে দেওয়া হয় না পরিকল্পনাহীন এরকম পদক্ষেপকে আমরা তীব্র প্রতিবাদ জানাই। এছাড়াও তিনি আরো বলেন যে,” মধ্যশিক্ষা পর্ষদের নির্দেশ অনুসারে উত্তরপত্রে যদি পূর্ণ নম্বর এর থেকে কম নম্বর দেওয়া হয় তাহলে তার কারণ লিখতে হবে শিক্ষককে। এরকম ভাবে প্রতিটি ক্ষেত্রে যদি কারণ দেখাতে হয় তাহলে একটি খাতা দেখতে অনেকটা সময় লেগে যাবে শিক্ষকের।

কিন্তু এদিকে খাতা দেখার সময় কমিয়ে দেওয়া হল। মধ্যশিক্ষা পর্ষদের এরকম পদক্ষেপকে আমরা তীব্র প্রতিবাদ জানাচ্ছি। শুধু তাই নয় এরপর আবার একাদশ শ্রেণীর বার্ষিক পরীক্ষার খাতা দেখতে হয় এবং উচ্চ মাধ্যমিক পরীক্ষার খাতা ও দেখতে হয় ফলে এরকম একটা পরিস্থিতিতে শিক্ষকদের ওপর চাপ সৃষ্টি করছে মধ্যশিক্ষা পর্ষদ এমনটাই দাবি শিক্ষক মহলের। “

Related Articles

Back to top button