গৃহস্থের জন্য সুখবর, কমে গেল রান্নাঘরের বাজেট ! বড় পদক্ষেপ মোদী মন্ত্রিসভার

সাধারণ মানুষের চরম ভোগান্তির মুখে পড়তে হচ্ছে। রান্না ঘর সামলাতে গিয়ে পকেটে টান ধরছে আমজনতার । যে হারে দিনদিন ভোজ্যতেলের দাম বাড়ছে তা নিয়ে নাজেহাল গোটা দেশ। একদিকে যেমন করোনার পরিস্থিতি সাধারণ মানুষের চরম আর্থিক ভোগান্তির শিকার হতে হচ্ছে,এর সাথে পাল্লা দিয়ে বেড়ে যাচ্ছে নিত্যপ্রয়োজনীয় জিনিসের দাম। ফলে রীতিমতো সমস্যার মুখে জনসাধারণ। তবে এবার বড়োসড়ো পদক্ষেপ নিতে চলল কেন্দ্র সরকার। বুধবার একটি বৈঠকে জানানো হয়েছে ভোজ্য তেলের ওপর আমদানি নির্ভরতা কমাতে চায় ভারত।

বর্তমানে কেন্দ্র সিদ্ধান্ত নিয়েছে ১১,০৪০ কোটি টাকার পামওয়েল মিশন প্রচলন করার। এতে একদিকে ভারত আত্মনির্ভর হওয়ার সাথে সাথে কৃষকদেরও রোজগার বৃদ্ধি হবে। মোদি সরকার আগেই অপরিশোধিত তেলের ক্ষেত্রে আমদানি শুল্ক কমিয়েছিল ।এবার জনসাধারণের ওপর আর্থিক বোঝা কমাতে সূর্যমুখী তেলের ওপর আমদানি শুল্ক কমানোর সিদ্ধান্ত নিল কেন্দ্র । এক্ষেত্রে আমদানি শুল্ক কমিয়ে ১৫ শতাংশ থেকে ৭.৫ শতাংশে আনা হল, এবং এর সাথে মোট শুল্কের পরিমান ৩৮.৫০শতাংশ থেকে ৩০.২৫ শতাংশ করা হল।

যদিও সূত্র মতে জানা যাচ্ছে এই নিয়ম ৩০সেপ্টেম্বর পর্যন্ত লাগু থাকবে। এদিন বৈঠকের ঠিক হয় কেন্দ্র উত্তর- পূর্বাঞ্চলের রাজ্যগুলির শিল্প বৃদ্ধির জন্য কেন্দ্র ৫কোটি টাকা পর্যন্ত সহায়তা করে থাকবে। কারণ ভারতে ভোজ্যতেল অনেকখানি আমদানি নির্ভর ।এর জন্য পাম অয়েল মিশন কেও আত্মনির্ভর করতে চায় কেন্দ্র। কেন্দ্র তরফ থেকে আরও জানানো হয়েছে যে বাজারে যদি ফসলের দাম ওঠানামা করে এবং তার ফলে যদি কৃষকরা আর্থিক দিক দিয়ে ক্ষতিগ্রস্ত হয় তাহলে ডিবিডির মাধ্যমে ফসলের উপযুক্ত দাম দিতে সাহায্য করবে কেন্দ্র।

বর্তমানে ভারতে সামগ্রিকভাবে ভোজ্যতেলের খরচের পরিমাণ হল ২৫ মিলিয়ন টন। এরমধ্যে বিদেশ থেকে আমদানি করা হয় ১৫ মিলিয়ন টন ভোজ্যতেল ।গতবছর ভারত মালয়েশিয়া এবং ইন্দোনেশিয়া থেকে আমদানি করেছিল ৫৫ শতাংশ ভোজ্যতেল , যার পরিমাণ প্রায় ৭.২ মিলিয়ন টন। এছাড়া রাশিয়া এবং ইউক্রেন থেকে আমদানি করা হয়েছে ২.৫ লাখ টন সূর্যমুখী তেল এবং এর সাথে সাথে ব্রাজিল থেকে আমদানি করা হয়েছে ৩৪ লাখ টন সয়াবিন তেল।