স্কুল শিক্ষক-শিক্ষিকাদের জন্য বেরিয়ে এলো সুখবর, শিক্ষা দপ্তরের আগাম সিদ্ধান্তে’র ঘোষণা…

পরপর দুবার বিজ্ঞপ্তি জারি হলেও স্কুল শিক্ষকদের প্যাটার্ন সংক্রান্ত সমস্যার সমাধান করা যায়নি। এ নিয়ে ক্ষোভের সৃষ্টি হয়েছিল শিক্ষক মহলে। এবং শিক্ষকদের এই ক্ষোভে জল ঢেলে আগাম সুখবর জানিয়ে দিলেন শাসকদলের শিক্ষক নেতা। তবে এখনো পর্যন্ত শিক্ষা দপ্তরের তরফ থেকে বিজ্ঞপ্তি জারি করা হয়নি। কিন্তু স্টাফ প্যাটানের সিদ্ধান্ত আপাতত স্থগিত করে রাখার কথা সোশ্যাল মিডিয়ায় জানিয়ে দিয়েছেন পশ্চিমবঙ্গ তৃণমূল শিক্ষক সংগঠনের রাজ্য সভাপতি অশোক রুদ্র।

গতকাল সন্ধ্যা 6 টা 22 মিনিটে অশোকবাবুর ফেসবুকে একটি পোস্টে করেছিলেন। সেখানে অশোকবাবুর নামে শিক্ষক-শিক্ষিকাদের জন্য একটি সুখবর পোস্ট করা হয়েছে। এবং একটি পোস্টে ঘোষণা করা হয়েছে, ” শিক্ষা দপ্তরের সর্বোচ্চ পর্যায়ে আলোচনার দ্বারা সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে যে, আপাতত স্টপ প্যাটার্ন কার্যকর করা হচ্ছে না – আপার প্রাইমারি, মাধ্যমিক এবং উচ্চমাধ্যমিক স্তরে।”ফেসবুকের মাধ্যমে ঘোষণা করার প্রসঙ্গ নিয়ে অশোক রুদ্র বলেন, ” ফেসবুকে আমি যতোটুকু বলেছি ওইটুকুই আমার বক্তব্য।

এর বাইরে আমি কিছু বলব না যে স্টাফ প্যাটার্ন ছিল সেটি আপাতত স্থগিত থাকবে। বিভিন্ন মহল থেকে বিভিন্ন অভিযোগ উঠে আসছিল। শিক্ষকদের এই সমস্যার কথা আমি শিক্ষামন্ত্রীকে জানিয়েছিলাম। তার পরিপ্রেক্ষিতে আপাতত এই সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে। ” এই বিষয়ে কি শিক্ষা দপ্তর বিজ্ঞপ্তি জারি করবে? এই বিষয়ে অশোকবাবুর মন্তব্য,” এ বিষয়ে আমি কিছু বলবো না আপনি যদি সাংবাদিক হন তাহলে অবশ্যই জানবেন যে এই বিষয়ে বিজ্ঞপ্তি জারি হবেই। সরকারের যেভাবে বিজ্ঞপ্তির দেওয়ার কথা সেই ভাবেই দেবে।

কিন্তু এখন প্রশ্ন উঠছে, ফেসবুকের মতো সামাজিক মাধ্যমে শিক্ষা দপ্তরের আগাম সিদ্ধান্ত কী এভাবে প্রকাশ করা যায়? স্টাফ প্যাটার্ন স্থগিত রাখার সিদ্ধান্ত যদি সরকারি ভাবে নেওয়া হয় তাহলে কেন বিজ্ঞপ্তি জারি করা হয়নি এখনও? আর শিক্ষা দপ্তরের বিজ্ঞপ্তি জারি করার আগে শিক্ষা দপ্তরের নাম করে কেন সোশ্যাল মিডিয়ায় পোস্ট করা হলো এই সিদ্ধান্ত? সরকারের দ্বারা এই সিদ্ধান্ত যদি সত্যি হয় তাহলে যে সমস্ত স্কুল ইতিমধ্যেই অনলাইনে স্টাফ প্যাটার্ন দাখিল করে দিয়েছে সেগুলিকে বাতিল বলে ঘোষণা করতে হবে শিক্ষা দপ্তর কে।

শিক্ষা দপ্তরের তরফ থেকে বিজ্ঞপ্তি জারি না করা পর্যন্ত বিষয়টি পরিষ্কার হবে না বলে অনেকেই জানিয়েছেন। স্টাফ প্যাটানের বিভ্রান্তি নিয়ে একাধিক সংগঠন বহুবার শিক্ষামন্ত্রীর সঙ্গে দেখা করেছেন। এমনকি তাদের সেই সমস্যার সমাধান করার আশ্বাস দিয়েছেন শিক্ষামন্ত্রী। শিক্ষকদের বিভ্রান্তি কাটানোর জন্য পরপর দুটি বিজ্ঞপ্তি জারি করা হলেও ধোঁয়াশা কাটেনি তার পরেও। তবে এবারের সোশ্যাল মিডিয়ার মাধ্যমে শিক্ষা দপ্তরের আগাম সিদ্ধান্তকে স্বাগত জানালেও নানা শিক্ষকদের একাংশের মধ্যে প্রশ্ন জাগছে।

Related Articles

Close