বেসরকারি কর্মীদের জন্য সুখবর, ভোগান্তি এড়াতে সংস্থার কাছে বিশেষ আবেদন রাজ্যের মুখ্যমন্ত্রীর..

দিন দিন করোনা সংক্রমনের সংখ্যা বেড়ে চললেও রাজ্যে আনলক ওয়ানে অনেক কিছু ছাড় দিয়েছে রাজ্য সরকার। মানুষ তাদের স্বাভাবিক ছন্দে যাতে ফিরতে পারে তার জন্যেই কিছু কিছু জিনিসের উপর ছাড় দেওয়া হয়েছে কিন্তু সমস্ত কিছুই সামাজিক দূরত্ব মেনে করতে হবে বলে জানিয়েছে সরকার। সরকার তরফ থেকে জানানো হয়েছে সরকারি এবং বেসরকারি অফিস গুলি তাদের কর্মচারীদের নিয়ে কাজ করতে পারে। কিন্তু এখন যাতায়াতের জন্য শুধুমাত্র বাসের ওপরই নির্ভর করতে হচ্ছে কর্মচারীদের। তাই অনেক সময় অফিসে সময়মতো পৌঁছাতে পারছে না বহু কর্মচারী।

তাই এই নিয়ে রাজ্যের মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় আগেই জানিয়েছিলেন, এই পরিস্থিতিতে কোন সরকারি কর্মচারীর অফিসে পৌঁছাতে দেরি হলে হাজিরা খাতায় লাল কালির দাগ পড়বে না। এবার তিনি বেসরকারি সংস্থাগুলোকে অনুরোধ করেছেন যে তাদের কর্মচারীরা যদি অফিস আসতে দেরি করে তাহলে তাদেরও যেনো হাজরি হয়ে যায়। ফেসবুকে একটি পোষ্টের মাধ্যমে এই অনুরোধ জানিয়েছেন মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়।করোনা সংক্রমণ থেকে রক্ষা পাওয়ার জন্য শুক্রবার ফেসবুকে একটি পোষ্টের মাধ্যমে কতগুলি গুরুত্বপূর্ণ কথা বলেন সাধারণ মানুষের উদ্দেশ্যে তিনি।

যেখানে মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় লিখেছেন,’ বাঙ্গালীদের দমিয়ে রাখা অত সহজ নয়। করোনা এবং আমফানের মত দুটি বড় বড় ধাক্কা সামলে আমরা আবার এগিয়ে চলেছি। রাজ্য সরকারের তরফ থেকে আমি সমাজসেবী, পুলিশ, চিকিৎসক ও স্বাস্থ্যকর্মী এনাদের অসংখ্য ধন্যবাদ জানাই যেভাবে প্রথম সারিতে থেকে তারা অনবরত লড়াই করে যাচ্ছেন। দয়া করে আপনারা সবাই সামাজিক দূরত্ব মেনে চলুন।’ এছাড়াও তিনি সরকারি কর্মচারীদের উদ্দেশ্যে আরও জানিয়েছেন, “দয়া করে কেউ তাড়াতাড়ি করতে গিয়ে ভিড় বাসে চাপবেন না”।

অফিসে ঢুকতে দেরি হলেও সবার হাজরি হয়ে যাবে তা আমি আগেই জানিয়ে দিয়েছি। আর বেসরকারি কর্মচারীদের উদ্দেশে তিনি জানান, ‘ যথাসম্ভব কর্মচারীদের ওয়ার্ক ফ্রম হোমের বন্দোবস্ত করুন। আর অফিস আসতে দেরি হলে তাহলে সেই বিষয়ে কিছুটা ছাড় দিন।’ এই নিয়ে মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় বেসরকারি সংস্থাগুলোকে ওয়ার্ক ফ্রম হোমের পথে হাঁটার জন্য অনুরোধ জানিয়েছেন। কারণ যেভাবে সংক্রমণ ছড়াচ্ছে তাতে কর্মীদের নিরাপত্তা সবচেয়ে আগে।