সুখবর! আমেরিকাতে শুরু হল করোনা ভাইরাসের প্রতিষেধক ভ্যাকসিনের ট্রায়াল..

সারা বিশ্ব যখন করোনা আতঙ্কে আতঙ্কিত ঠিক সেইসময় সুখবর নিয়ে এলো আমেরিকা।আমেরিকার এক সরকারি আধিকারিক এর পক্ষ থেকে জানানো হয়েছে যে, করোনাভাইরাস থেকে রক্ষা করার জন্য একটি ক্লিনিকাল ট্রায়াল শুরু হয়ে গেছে সোমবার থেকে। সোমবার এই পরীক্ষায় অংশগ্রহণকারী এর ওপর ভ্যাকসিন দিয়ে টেস্ট করা হবে। কে ওই ব্যক্তি যিনি এই পরীক্ষায় অংশগ্রহণে চান তার নাম এখনো প্রকাশ করা হয়নি।

কারণ জনসমক্ষে এখনো পর্যন্ত এই পরীক্ষার কথা পুরোপুরিভাবে ঘোষণা করা হয়নি। ওই সরকারি আধিকারিক আরও জানিয়েছেন যে, জাতীয় হেলথ ইন্সটিটিউট এই পরীক্ষার জন্য আর্থিক সাহায্য করেছে। এই পরীক্ষা সিয়াটেলের কয়সার পার্মানেন্ট ওয়াশিংটন হেলথ রিসার্চ ইনস্টিটিউটে করা হয়েছে। একজন জনস্বাস্থ্য কর্মকর্তা এ সম্পর্কে জানিয়েছেন যে, যে কোন ভ্যাকসিন কে বৈধ করতে 18 মাস থেকে এক বছর পর্যন্ত সময় লাগতে পারে।

এনআইএইচ এবং মর্ডান ইনক এর যৌথভাবে প্রস্তুত টীকা গুলি বিভিন্ন ডোজের শট দিয়ে পরীক্ষা করা হবে 45 জন তরুণ স্বাস্থ্যকর স্বেচ্ছাসেবকের ওপরে।
এই পরীক্ষায় যারা অংশগ্রহণ করেছেন তাদের থেকে সংক্রমিত হওয়ার কোনো সম্ভাবনা নেই, কারন তাদের মধ্যে এই ভাইরাসটি নেই। তাহলে আপনাদের মনে প্রশ্ন জাগছে তাহলে এই ভ্যাকসিনটির মূল লক্ষ্য কী? এই ভ্যাকসিন টির মূল লক্ষ্য হলো যে, এর কোন সাইড ইফেক্ট আছে কিনা।

করোনাভাইরাস এত তাড়াতাড়ি সারা বিশ্বে ছড়িয়ে পড়ছে যে সারা বিশ্বের বিভিন্ন জায়গার গবেষক দল এর ভ্যাকসিন বার করার জন্য একেবারে মরিয়া হয়ে উঠেছেন। গবেষকরা যে বিভিন্ন প্রযুক্তিকে কাজে লাগিয়ে ভ্যাকসিন বার করছেন এবং তা পরীক্ষামূলক ভাবে কাজ করছে কিনা সেটাও খতিয়ে দেখছেন।
কিছু কিছু গবেষক আবার অস্থায়ী ভ্যাকসিনের ওপরেও নজর রাখছেন। এর শটগুলি এক থেকে দু মাস মানুষের স্বাস্থ্যের ওপর সুরক্ষা দিতে পারবে অর্থাৎ এক থেকে দু মাস তাকে করোনা ভাইরাস থেকে সুরক্ষিত থাকবে।

মানুষের দেহে করোনা ভাইরাসটি হালকা জ্বর ও কাশির মতো উপসর্গ তৈরি করছে। তবে এই করোনা বয়স্ক মানুষদের জন্য এটি নিউমোনিয়াসহ আরও গুরুতর অসুস্থতার কারণ তৈরি করছে। ওয়ার্ল্ড হেলথ অর্গানাইজেশন এর তরফ থেকে জানানো হয়েছে যে, অল্প অসুস্থ ব্যক্তিরা প্রায় দুই সপ্তাহের মধ্যে সম্পূর্ণ ভাবে সেরে উঠছেন এবং যারা গুরুতর অসুস্থ হচ্ছেন তাদের সেরে উঠতে সময় লাগবে প্রায় তিন সপ্তাহ থেকে ছয় সপ্তাহ।