চীনেও মোদীর জয় জয়কার, 51 শতাংশের বেশি চীনা নাগরিক পছন্দ করেন মোদী সরকারকে-বেরিয়ে এল সমীক্ষার ফলাফল…

গালওয়ান উপত্যকা সংঘর্ষের পর থেকে ভারত এবং চীনের মধ্যে সম্পর্কে বিভেদ পড়েছে, আর তারপর থেকেই ভারত সরকারকে চীনের বিরুদ্ধে একাধিক পদক্ষেপ গ্রহণ করতে দেখা গিয়েছে। কখনো চীনা অ্যাপ ভারতে ব্যান করতে, আবার কখনো চীনের সাথে করা একাধিক চুক্তি বিচ্ছেদ করতে। তবে বর্তমানে চীনের বিরুদ্ধে শুধু ভারতেই নয় ভারত ছাড়াও বিশ্বের একাধিক দেশ এখন চীনের বিরুদ্ধে সবর হয়েছে,গোটা বিশ্ব জুড়ে আজ যে করোনা মহামারির আকার ধারণ করেছে তার পেছনে রয়েছে চীন তা সকল দেশেই এখন জানতে পেরে গেছে।

আর তারপর থেকেই বিশ্বের বিভিন্ন তাবড় তাবড় দেশগুলি চীন কে শায়েস্তা করার জন্য একাধিক পদক্ষেপ গ্রহণ করছে কারণ চীনের তরফ থেকে বরাবরই এ কথা অমান্য করা হয়েছিল যে করোনার উৎপত্তিস্থল চীনে নয়।অন্যদিকে এই সময় চীন সরকারের মুখপাত্র গ্লোবাল টাইমস্ এর তরফ থেকে ভারত ও চীনের মধ্যে কোন দেশের সরকার বেশি পছন্দ চীনের জনগণের? সে বিষয়ে একটি সমীক্ষা চালানো হয়েছিল। আর এখন প্রকাশ্যে সেই সমীক্ষার তথ্য। এখানে এই সমীক্ষার ফলাফল অনুযায়ী য়জানতে পারা গেছে চীনের 51 শতাংশ মানুষ মোদি (Narendra Modi) সরকারের প্রশংসা করেছে।

 

অর্থাৎ ওই সমীক্ষায় জানা গেছে যে, চীনের জনতা নিজের দেশের নেতাদের নীতি নিয়ে খুশি না। শুধু তাই নয় এই সমীক্ষা অনুযায়ী আরো কয়েকটি বিষয় জানতে পারা গেছে যেখানে এই সমীক্ষায় 70% চীনা নাগরিক বলেছেন ভারতে চীন বিরোধী মনোভাব অনেক বেশি বেড়েছে বর্তমানে, যদিও 30 শতাংশ মানুষ বিশ্বাস করছেন আগামী দিনে ভারত এবং চীনের মধ্যে সম্পর্কে সুধার আসবে।তাছাড়া এই সমীক্ষা অনুযায়ী জানতে পারা গেছে চীনের মানুষের রাশিয়া, জাপান আর পাকিস্তানের পর পছন্দের দেশ হল ভারত। তবে এরই পাশাপাশি এই সমীক্ষা অনুযায়ী চীনের 90% মানুষ ভারতের বিরুদ্ধে সেনা অভিযানকে সমর্থন জানিয়েছে, এবং এই সমীক্ষা অনুযায়ী প্রায় 50% চীনা নাগরিকের বক্তব্য ভারতের অর্থনীতি চীনের ওপর বেশি নির্ভরশীল রয়েছে।

সমীক্ষায় শুধু 56 শতাংশ মানুষ জানিয়েছে যে তারা ভারত সম্পর্কে জানে অথবা ভারতের বিষয়ে তাঁরা আগ্রহী। অন্যদিকে 57% চীনা নাগরিকের বিশ্বাস যে ভারতের সেনা এতটা উন্নত না যে চীনের বিরুদ্ধে নামতে পারে। উল্লেখ্য, ভারত আর চীনের মধ্যে তিনমাস ধরে চলা বিবাদের মধ্যে এটাই প্রথম সমীক্ষা চীনের সংবাদ মাধ্যমের। তবে সীমান্ত নিয়ে সংঘর্ষের পরই ভারতে চীনা দ্রব্য বয়কটের ডাক জোরালো হয়েছে। মনে করা হচ্ছে, এর প্রভাব চিনের অর্থনীতে বেশ ভালভাবেই পড়েছে।ভারতের মতো বিশাল দেশের বাজার হারাতে হয়েছে শি জিনপিং সরকারকে। তার ফলে চীনের সাধারণ নাগরিকদের মনে সরকারের প্রতি বিরূপ প্রতিক্রিয়ারও সৃষ্টি হয়েছে। তাছাড়া এই সমীক্ষার ফলাফল চীনের মাথাব্যথার আরও একটি কারণ হয়ে কারণ, ওই দেশের জনগণ নিজের দেশের সরকারের থেকে মোদী সরকারের উপর বেশি আস্থা রাখছে।