ড্রাইভিং লাইসেন্স নিয়ে বড় সিদ্ধান্ত কেন্দ্রের, এবার থেকে বেসরকারি কোম্পানিও দিতে পারবে ড্রাইভিং লাইসেন্স

ড্রাইভিং লাইসেন্স (driving licence) নিয়ে যারা চিন্তিত তাদের জন্য সুখবর। এবারে এনজিও গাড়ি প্রস্তুতকারী সংস্থা ছাড়াও বেসরকারী প্রতিষ্ঠানগুলিও দিতে পারবে ড্রাইভিং লাইসেন্স। এবারে কেন্দ্রীয় সরকার এক নয়া সিদ্ধান্ত নিয়েছে ড্রাইভিং লাইসেন্স দেবার ক্ষেত্রে। এই নিয়ম অনুযায়ী, গাড়ি প্রস্তুতকারী কোম্পানি গুলি ট্রেনিং এর পরেই চালক এর হাতে তুলে দিতে পারবে ড্রাইভিং লাইসেন্স। এবারে বেসরকারি ও প্রাইভেট কোম্পানি গুলোকেও এই একই সুবিধা দেওয়া হয়েছে। তবে পুরোনো নিয়ম অনুযায়ী আরটিও অফিস থেকেই লাইসেন্স ইস্যু হবে।

ইতিমধ্যেই ড্রাইভিং ট্রেনিং সেন্টার গুলিকে সরকারি স্বীকৃতির জন্য অটোনমাস বডি, এনজিও, বেসরকারি প্রতিষ্ঠান এবং অটোমোবাইল অ্যাসোসিয়েশন কে আবেদন জানাতে বলা হয়েছে।

আবেদনকারীর কী কী পরিকাঠামো থাকতে হবে দেখুন:-

কোন প্রতিষ্ঠান চাইলেই ড্রাইভিং ট্রেনিং ইনস্টিটিউট খুলতে পারবে না এবং ড্রাইভিং লাইসেন্স দিতেও পারবে না। এর জন্য সরকার কর্তৃক কিছু নিয়ম জারি করা হয়েছে নিয়মে বলা হয়েছে CENTRAL MOTOR VEHICLE RULE ১৯৮১ অনুযায়ী, এবার থেকে পর্যাপ্ত জায়গা থাকতে হবে আবেদনকারীর। তারই সাথে পর্যাপ্ত পরিকাঠামো থাকা জরুরী।

বার্ষিক রিপোর্টে কী কী জমা দিতে হবে দেখুন:-

এবার থেকে সংশ্লিষ্ট রাজ্যের রাজ্য সরকারি মোটর ট্রেনিং স্কুল গুলিকে স্বীকৃতি দেবে এবং আবেদন করার দু’মাসের মধ্যে সমস্ত প্রক্রিয়া সম্পন্ন করবে। ট্রেনিং সেন্টার গুলিকে প্রতিবছর RTO ও DTO এর কাছে বার্ষিক রিপোর্ট জমা দিতে হবে। বর্তমানে প্রাইভেট ট্রেনিং স্কুলে গাড়ি চালানোর অনুশীলন করেন নতুন চালকেরা। কিছু গাড়ি প্রস্তুত সংস্থা এই ধরনের মোটর ট্রেনিং দিয়ে থাকে। অনেক মারুতি শোরুম এর পাশেই দেখতে পাওয়া যায় ছোটখাটো ড্রাইভিং ট্রেনিং স্কুল গুলিকে।

মূলত ড্রাইভিং লাইসেন্সের প্রক্রিয়াকে সহজতর করার লক্ষ্যে বিভিন্ন নতুন নতুন নিয়ম লাগু করা হচ্ছে কেন্দ্রের তরফ থেকে। অনেক ক্ষেত্রে দেখা যায় ক্রেতা গাড়ি চালাতে সক্ষম কিন্তু ড্রাইভিং লাইসেন্সের জটিলতার কারণে গাড়ি কিনতে পারেন না। সেক্ষেত্রে ক্রেতারা খুবই সমস্যার সম্মুখীন হয়। সেই সমস্ত গ্রাহকদের কথা মাথায় রেখেই এবার ড্রাইভিং লাইসেন্স প্রক্রিয়াকে সহজতর করার এই নতুন নিয়ম লাগু করা হল। এতে দেশের মানুষজন যে উপকৃত হবে তা বলাই বাহুল্য।