অতীতের ভুল ভুলে রাহুলের বাড়িতে চন্দ্রবাবু নাইডু, রাহুল কে মানলেন মুখ্য বিরোধী নেতা হিসাবে।

প্রায় প্রায় 6-7 মাস আগে চন্দ্রবাবু নাইডু নরেন্দ্র মোদির সাথে কথা বলে এনডিএ ছেড়ে চলে গিয়েছিলেন। তারপরেই এই মাসের 1 তারিখে চন্দ্রবাবু নাইডু দিল্লিতে 12 তুঘলক লেনেগিয়ে রাহুল গান্ধীকে বিরোধী জোটের নেতা মানলেন তিনি।রাহুল গান্ধীর বাড়িতে অনেক নেতাই আছেন কিন্তু তিনি কোন নেতাকে বাড়ির বাইরে নিয়ে গিয়ে সাংবাদিকদের মুখোমুখি হননি। তবে চন্দ্রবাবু নাইডুর ক্ষেত্রে এটা ঘটল। তিনি এবং চন্দ্রবাবু নাইডু সাংবাদিকদের মুখোমুখি হলেন। চন্দ্রবাবু শ্বশুরমশাই কংগ্রেসকে হারাতে একটি নতুন দল গঠন করেছিলেন। আর তার হাত ধরেই তিনি রাজ্যে বহুদিন ধরে কংগ্রেস বিরোধী রাজনীতির করেছেন। আর এই নেতাকে নিয়ে কংগ্রেস সভাপতি বাড়ির বাইরে বেরোলো। এবং দুজনেই একটা কথা মানলেন যে অতিত রয়েছে বটে,কিন্তু এখন আমাদেরকে বর্তমান ও ভবিষ্যৎ ভেবে এগোতে হবে।


গত সপ্তাহে দিল্লিতে এসে চন্দ্রবাবু মায়াবতী অরবিন্দ কেজরীবাল যশবন্ত সিনহা দের সাথে দেখা করেন। আর 1 তারিখে ও যেদিন রাহুলের বাড়িতে দেখা করতে গিয়েছিলেন সেই দিন শারদ পাওয়ারের বাড়িতে মধ্যাহ্নভোজ সারেন । চন্দ্রবাবু নাইডু এদিন আবার অজিত সিং এবং অরুণ শৌরি সাথে দেখা করেন। মোদি বিরোধী নেতাদের সাথে দেখা এবং আলোচনা করে শেষে রাহুল গান্ধীর বাড়ি যান সঙ্গে উপহার হিসেবে নিয়ে যান বিনা এবং শাল।
রাহুল এবং চন্দ্রবাবুর বৈঠক শেষ হবার পর চন্দ্রবাবু মিডিয়াকে বলেন,’ বর্তমানে প্রধান বিরোধী দল হল কংগ্রেস। তাই প্রধান বিরোধী দল হিসেবে কংগ্রেস নেতা সভাপতি রাহুল গান্ধী কে আমি অনুরোধ করছি যাতে সমস্ত দল গুলির সাথে তিনি কথা বলেন।

মোদির বিরুদ্ধে লড়াই করার জন্য আমাদের সবাইকে মিলিত হতে হবে।’অপরদিকে আবার বিজেপি বলছেন চন্দ্র ওয়্যব্ও নিজের তাগিদে রাহুলের শরণাপন্ন হচ্ছেন। চন্দ্র বাবু এবং তার ছেলের বিরুদ্ধে অনেক দুর্নীতির অভিযোগ এসেছে। তবে রাজনৈতিক মহলে অনেকে মনে করছেন তেলেঙ্গানা এবং অন্ধ হয়ে ভোটে কংগ্রেস এবং ভালো ফল করতে পারে।