ইতিহাসে এই প্রথম বার ভারতীয় বংশোদ্ভূত মহিলা কমলা লড়ছেন আমেরিকায় ভাইস প্রেসিডেন্ট পদপ্রার্থী হিসাবে..

বর্তমানে বিশ্বের বিভিন্ন প্রান্তে ভারতীয়রা তাদের ছাপ ফেলাতে শুরু করে দিয়েছে আর এখন যে খবর বেরিয়ে আসছে সেখানে জানতে পারা যাচ্ছে মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের ইতিহাসে এই প্রথম বার একজন ভারতীয় বংশোদ্ভূত মহিলা ভাইস প্রেসিডেন্টের দৌড়ে নিজের নাম লেখালেন। এক্ষেত্রে আমেরিকার প্রেসিডেন্ট নির্বাচনে ডোনাল্ড ট্রাম্পের প্রতিদ্বন্দ্বী জো বাইডেন ভাইস প্রেসিডেন্ট প্রার্থী হিসাবে বেছে নিলেন কমলা হ্যারিসকে।আর এক্ষেত্রে যদি জো বাইডেন জিতেন, আমেরিকাতে তাহলে প্রথম কোন কৃষ্ণাঙ্গ মহিলা ভাইস প্রেসিডেন্ট পদে নিযুক্ত হবেন কালিফোর্নিয়ার সিনেটর কমলা।

 

অন্যদিকে এ বিষয়ে জো বাইডেনকে টুইট করতে দেখা যায় যেখানে তিনি জানিয়েছেন একজন সাহসী যোদ্ধা এবং দেশের অন্যতম সেরা জনগণের সেবক কমলা হ্যারিসকে রানিংমেট হিসাবে বেছে নিয়েছি আর তিনি আমেরিকা জনগণকে ঐক্যবদ্ধ করতে পারবেন আমার আশা। সারা জীবন ধরে তিনি সবার জন্য লড়াই করে আসছেন। আর এবার হ্যারিসকে সঙ্গে নিয়ে আমরা সবাই মিলে ট্রাম্পকে হারাতে চলেছি আগামীদিনে। আর আজ বুধবার দিন উইলমিটিংয়ে ভাষণ দিতে চলেছেন বাইডেন ও কমলা একসঙ্গে।

বলে রাখি এই 55 বছর বয়সী ভারতীয় বংশোদ্ভূত ডেমোক্র্যাটিক দলের অন্যতম একটি জনপ্রিয় মুখ হিসাবে পরিচিত।এমন সময়ে ভারতীয় বংশোদ্ভূত কমলা হ্যারিস ভাইস প্রেসিডেন্ট পদের জন্য লড়ছেন যখন একপ্রকার করোনার জেরে আমেরিকার অর্থনীতি বিপজ্জনক পর্যায়ে রয়েছে, তাছাড়া প্রায় দেড় লক্ষের ও বেশি মানুষের মৃত্যু হয়েছে ইতিমধ্যে সেখানে করোনা জেরে তার পাশাপাশি কাজ হারিয়েছে প্রচুর মানুষ, বাড়ছে বেকার সংখ্যা। অন্যদিকে এ বিষয়ে বিশেষজ্ঞদের মতে এক্ষেত্রে বাইডেন এক ঢিলে দুটি পাখি মারার পরিকল্পনা করেছে।

কারণ একদিকে যেমন তিনি ভারতীয় বংশধর কমলা হ্যারিস কে দাড় করিয়েছেন যার ফলে তিনি আমেরিকায় বসবাস কারী ভারতীয় বংশোদ্ভূতদের ভোট নিজের দিকে টানতে পারবেন আর দ্বিতীয়তঃ এই প্রথম কৃষ্ণাঙ্গ মহিলা কে ভাইস প্রেসিডেন্ট পদের প্রার্থী করায় আমেরিকার কৃষ্ণাঙ্গ ভোটব্যাঙ্কও তিনি সুরক্ষিত করার চেষ্টা করেছেন।
বলে রাখি এই ভারতীয় বংশোদ্ভূত কমলা হ্যারিস অকল্যান্ডে জন্মগ্রহণ করেছিলেন, যার পিতা জামাইকান ও মা ভারতীয়। 2003 সালে হ্যারিস প্রথমবার নির্বাচনে জিতে ছিলেন এবং সেন্ট ফ্রান্সিসকোর ডিক্টি অ্যাটনি নির্বাচিত হন এবং 2010 সালে ক্যালিফোর্নিয়ার অ্যাটর্নি জেনারেল নির্বাচিত হন।