মন্দিরে ফারুক আব্দুল্লাহকে কাছে পেয়ে শুরু হলো কাশ্মীরি পণ্ডিতদের বিক্ষোভ, শোনা গেল “হর হর মহাদেব”,সাথে মোদীর জয় জয় কার ও..

এই দিন ন্যাশনাল কনফারেন্স সভাপতি ফারুক আব্দুল্লাহ জিষ্ঠা দেবীর মন্দিরে পুজো দিতে ঢুকেছিলেন। শ্রীনগরের এই মন্দিরে দুদিন আগে যান তিনি৷ সে সেখানে যাওয়ার পরই তাকে ঘিরে শুরু হয় মোদী জিন্দাবাদ ও হর হর মহাদেব ধ্বনির। আপনাদের বলে রাখি এই কাশ্মীরি পণ্ডিতদের কাছে খুবই পবিত্র স্থান এই জিষ্টা দেবী মন্দির৷ সেখানে ফারুক আবদুল্লা ঘিরে প্রায় বিক্ষোভ দেখানো হয়৷ এদিনও ফারুক আবদুল্লাকে ঘিরে মোদী মোদী শ্লোগান দিতে থাকেন বিক্ষোভকারীরা৷

সঙ্গে ওঠে হর হর মহাদেব ধ্বনিও৷ কাশ্মীরি পণ্ডিতদের ক্ষোভ দীর্ঘদিন তাদের কোনও সমস্যার সমাধান করা হচ্ছে না বলে৷ এর জন্য ফারুক আবদুল্লাকে সামনে পেয়ে বিক্ষোভ দেখাতে থাকেন তাঁরা৷ আর বিক্ষোভ শুরু হওয়ার কিছুক্ষণ পরেই ফারুক আবদুল্লার পাশে জড়ো হয়ে যান হাজারও কাশ্মীরি পণ্ডিতদের পরিবারের সদস্যরা৷ সন্ত্রাসের মুখে পড়ে 1990 সালে যাদের ঘরবাড়ি ছেড়ে অন্যত্র সরে যেতে হয়৷ আজও তারা নিজেদের ঘরবাড়িতে ফিরতে পারেননি বলে অভিযোগ৷


সূত্রের খবর থেকে জানতে পারা যায় এই বিষয় নিয়ে বুধবার, নিজের বাসভবনে জম্মু কাশ্মীরের এই প্রাক্তন মুখ্যমন্ত্রী কাশ্মীরি পণ্ডিতদের এক প্রতিনিধি দলের সঙ্গে বৈঠকে বসেন৷ সেখানে কাশ্মীরি সংস্কৃতির অবিচ্ছেদ্য অংশ হিসেবে কাশ্মীরি পণ্ডিতদের ব্যাখ্যা করেন আবদুল্লা৷ তিনি বলেন কাশ্মীর ততটাই মুসলিমদের, যতটা কাশ্মীরি পণ্ডিতদের৷ তাই ওঁদের দ্রুত ঘরে ফেরা প্রয়োজন৷

এদিকে, বিজেপির পক্ষ থেকে বারে বারেই কাশ্মীরে অশান্ত পরিস্থিতির সৃষ্টির জন্য ফারুক আবদুল্লাকেই দায়ী করা হয়েছে৷ বিজেপির সাধারণ সম্পাদক রাম মাধব বলেছিলেন কাশ্মীরের আজ যা অবস্থা তার জন্য দায়ী হলেন এই ফারুক আবদুল্লা ৷ আক্রমণের রেশ বজায় রেখেই প্রাক্তন মুখ্যমন্ত্রীকে তিনি বলেছিলেন কাশ্মীর কারোর ব্যক্তিগত সম্পত্তি নয়৷ কাশ্মীর ভারতের অবিচ্ছেদ্য অংশ ছিল এবং থাকবে৷ কারোর ব্যক্তিগত সম্পত্তি নয়৷

Related Articles

Close