এবার থেকে নির্দিষ্ট সময়ে বিদ্যুৎ বিল জমা না দিলে নিজে থেকেই কেটে যাবে বাড়ির বিদ্যুৎ সরবরাহ…

অনেকদিন ধরে কথাবার্তা চলছিল যে এবার থেকে বিদ্যুৎ ক্ষেত্রে এক বড় পরিবর্তন আসতে চলেছে কারণ সরকার থেকে এবার পরিকল্পনা করা হচ্ছিল নতুন স্মার্ট মিটার প্রতিস্থাপন করার ব্যাপারে,আর এবার সেই স্মার্ট মিটার এর ব্যাপারে বেরিয়ে এল এক নতুন তথ্য, তথ্য অনুযায়ী জানতে পারা যাচ্ছে যদি বাড়ির বিদ্যুতের সীমা ছাড়িয়ে বেশি চলে যায় তবে সে ক্ষেত্রে বিদ্যুতের সরবরাহ অবিলম্বে বন্ধ হয়ে যাবে।আর খুব শীঘ্রই সকলের বাড়িতে এই বিদ্যুৎ স্মার্ট মিটার ইন্সটল হতে চলেছে,একবার এই নতুন মিটার প্রতিস্থাপন হয়ে যাবার পর যদি নির্দিষ্ট সময়ে এর বিদ্যুতের বিল জমা না দেওয়া হয় তাহলে বিদ্যুৎ সরবরাহ আপনা-আপনি বন্ধ হয়ে যাবে।

আর যখন বিদ্যুতের বিল জমা পড়ে যাবে, তখন এটি আবার চালু করে দেওয়া হবে। এ বিষয়ে কেন্দ্রীয় বিদ্যুৎ মন্ত্রী কে সিং সংবাদ মাধ্যমকে দেওয়া সাক্ষাৎকারে জানান সরকার এবার জাতীয় স্মার্ট মিটার কর্মসূচির আওতায় সারা ভারতে প্রায় 10 লাখ স্মার্ট মিটার স্থাপনের ঘোষণা করেছেন। শুধু তাই নয় ইতিমধ্যে এর কাজ বিহার, দিল্লি, হারিয়ানাতে শুরু হয়ে গেছে।দেশজুড়ে যাতে বিদ্যুৎ পরিষেবা কে আরো উন্নত করা যায় সেই উপলক্ষে বিদ্যুৎ মন্ত্রী জাতীয় স্মার্ট মিটার প্রোগ্রামের ড্যাশবোর্ড ও চালু করেছেন বলে জানান তিনি।

আর এই ড্যাশবোর্ড গুলির মাধ্যমেই প্রোগ্রামগুলির অগ্রগতি ও তার প্রভাব সম্পর্কে পর্যবেক্ষণ করা হবে। তবে কীভাবে পাবেন এই পরিকল্পনা সুবিধা–তো বলে রাখি মোবাইলের মত পোস্টপেইড এবং প্রিপেইড উভয় এই সুবিধা পাওয়া যাবে আর এক্ষেত্রে নূন্যতম রিচার্জ শুরু হবে 50 টাকা দিয়ে। তবে এক্ষেত্রে আপনি যত বেশি পরিমাণে রিচার্জ করবেন সে ক্ষেত্রে ততো বেশি পরিমাণে ব্যবহার করতে পারবেন বিদ্যুৎ। আর এক্ষেত্রে যদি আপনি কোন দিন বাড়ির বাইরে যান এবং আপনার প্রয়োজন নেই বিদ্যুতের সে ক্ষেত্রে আপনি মিটারটি ও সুইচ অফ করতে পারবেন।

তাছাড়া নির্দিষ্ট চার্জ অনুযায়ী একসাথে বা কিস্তিতে বিল মেটানো যাবে ফলে এক্ষেত্রে গ্রাহকেরা বিদ্যুৎ চুরি, লো সিস্টেম, বিল জমা দেওয়া ইত্যাদির ঝামেলা থেকে মুক্তি পাবে। এক্ষেত্রে স্মার্ট মিটার ব্যবহারের সুবিধা—যদি কোন সময় এরকম ঘটনা ঘটে থাকে যেখানে নির্দিষ্ট লোড এর থেকে বেশি পরিমাণে বিদ্যুৎ সরবরাহ হয়ে যায় ঘরে যে কোন অংশে তাহলে সে ক্ষেত্রে এই স্মার্ট মিটার থাকলে বিদ্যুৎ সরবরাহ অবিলম্বে বন্ধ হয়ে যাবে। আবার যখন নির্দিষ্ট পরিমাণে অর্থাৎ লোড অনুযায়ী বিদ্যুৎ সরবরাহ নিয়ন্ত্রণে আসবে তখন আবার শুরু হয়ে যাবে এটি।

এর ফলে একদিকে যেমন ওভারলোডের সমস্যা হবে না অন্যদিকে কোন ট্রান্সফরমার থেকে কত বিদ্যুৎ সরবরাহ করা হয়েছিল এবং কোথায় করা হচ্ছিল সে সমস্ত তথ্য জানতে পারা যাবে। আর এই মিটার ব্যবহার করলে এক্ষেত্রে কেউ রিডিং নিতে আসবে না কেবলমাত্র বিদ্যুৎ সরবরাহকারী সংস্থা অফিস থেকে এটি দেখা যাবে এর ভিত্তিতে প্রস্তুত করা হবে আপনার বিল। যদি কোন ব্যক্তি নির্ধারিত সময়ের মধ্যে বিল জমা দিয়ে না থাকেন তাহলে বিদ্যুতের সরবরাহ বন্ধ হয়ে যাবে,আর বিল জমা দেওয়ার পরে এটি আবার চালু হয়ে যাবে আর এক্ষেত্রে কোন কর্মীকে লাইনে এর জন্য অতিরিক্ত সময় দিতে হবে না। আর যারা অগ্রিম বিদ্যুতের বিল জমা দিয়ে থাকেন তাদের জন্য এক্ষেত্রে থাকছে প্রি-পেইড বিলের সুবিধাও। তারই সাথে বাড়ি বন্ধ করার সময় আপনাকে অপ্রয়োজনীয়’ বিদ্যুতের বিল দিতে হবে না।