ভারতের মানচিত্র থেকে বাদ জম্মু-কাশ্মীর-লাদাখ, WHO- এর কাণ্ড ঘিরে তুমুল বিতর্ক

ভারতের মানচিত্র থেকে বাদ জম্মু কাশ্মীর লাদাখ।  বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থার এই মানচিত্র ঘিরে বিতর্ক তুঙ্গে।  অভিযোগ বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থার কোভিড মানচিত্র থেকে লাদাখ জম্মু-কাশ্মীর কে বাদ দেওয়া হয়েছে।  চীনের অংশ হিসেবে দেখানো হয়েছে উত্তর ভারতের বেশ কিছু অঞ্চল।  বরাবরই বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থার সঙ্গে চীনের ঘনিষ্ঠতার অভিযোগ উঠেছে।

এই মানচিত্র বিভ্রাটের  জল্পনা জোরালো হয়েছে৷  উত্তরের বিস্তীর্ণ অঞ্চলকে নিজেদের দাবি করে আসছে চীন।  আর ভারতের মানচিত্র থেকে জম্মু কাশ্মীর লাদাখ কে বাদ দেওয়া কার্যত চীনের সেই দাবিকে সমর্থন করার প্রমাণ দেয়।  কোন দেশের করোনা পরিস্থিতি কিরকম তা দেখাতে মানচিত্রের ব্যবহার করে বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থা।  তাদের ওয়েবসাইটে ব্যবহৃত দুটো মানচিত্র এই ভুল ধরা পড়েছে।

মানচিত্রে ভারতকে নীল রঙ দিয়ে চিহ্নিত করা হয়েছে।  সেখানে জম্মু কাশ্মীর এবং লাদাখ কে ধূসর রং দিয়ে চিহ্নিত করা হয়েছে।  অর্থাৎ এই অংশকে ভারতের থেকে বিচ্ছিন্ন করে দেওয়া হয়েছে।  এদিকে আবার উত্তরের বেশ কিছু এলাকা আকসাই চীন হিসেবে পরিচিত হলেও  সেই এলাকাকে ধূসর রঙের উপরে নীল চিহ্ন দিয়ে দেখানো হয়েছে।  অর্থাৎ এই এলাকাকে চীনের অংশ হিসেবে দেখানো হয়েছে।

দুঃসংবাদ! ফাইজারের ভ্যাকসিন নেওয়ার ১৬ দিন পর মৃত্যু চিকিৎসকের, চাঞ্চল্যকর ঘটনা

 

মানচিত্রে ভুল রয়েছে এই বিষয়টি প্রকাশ্যে তীব্র বিতর্ক তৈরি হয়েছে।  গোটা ঘটনার পিছনে রয়েছে চীন এমনটাই  ব্রিটেনে প্রবাসী ভারতীয়দের সংগঠন রিচ  ইন্ডিয়ার দাবি।  মানচিত্রের বিষয়টি প্রথমে ব্রিটেনের বসবাসকারী একটি কর্মী পঙ্কজ এর নজরে আসে।

তিনি মানচিত্রটি হোয়াটসঅ্যাপ গ্রুপে ফরওয়ার্ড করেন।  এরপরই মানচিত্রটি ভাইরাল হয়।  এই প্রসঙ্গে জানিয়েছেন পঙ্কজ, ” বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থার মতে বড় একটি সংগঠনের কাছ থেকে এমন ভুল আশা করা যায় না।  এখন এই সংগঠনের গুরুত্বপূর্ণ পদে রয়েছে ভারত।  সুতরাং এই ধরনের কাজ করার আগে তাদের আরো সতর্ক থাকা উচিত। ” সেইসাথে তিনি অভিযোগ জানান, ” চীন সংগঠনকে মোটা টাকা অনুদান দেয়। ” তাই তার ধারণা এই মানচিত্র বিভ্রাটের পিছনের ইন্ধন রয়েছে চীনের৷

তীব্র প্রতিবাদ জানিয়েছেন লন্ডনে ভারতীয় সংগঠন ইন্ডিয়ার সোশ্যাল মিডিয়ার প্রধান নন্দিনী সিং৷ তিনি বলেন মহামারী পরিস্থিতিতে ভারত যা করেছে তাতে ভারতকে ধন্যবাদ জানানো উচিত ছিল।  তা না করে এই ধরনের কাজ করেছে বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থা যা একেবারেই অনুচিত।  যদিও এই বিষয়ে বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থা জানিয়েছে যে রাষ্ট্রপুঞ্জের মানচিত্র ধরেই কোভিড মানচিত্র বানানো হয়েছে৷