সার্জিক্যাল স্ট্রাইক 2- এর পরদিনই রাজ্য থেকে গ্রেফতার দুই জঙ্গি! অন্যদিকে সেনার এনকাউন্টারে সুফিয়ানে খতম দুই জঙ্গি, LOC তে এখনো টানটান উত্তেজনার পরিস্থিতি।

মঙ্গলবার পুলওয়ামার ঘটনার বদলা নেবার পর থেকেই  সীমান্তে অশান্তি অব্যাহত। বুধবার ভোর বেলা 4.20 মিনিট থেকে জম্মু ও কাশ্মীরের সোপিয়ানের মেমানদার এলাকায় জঙ্গিদের সঙ্গে ভারতীয় সেনাদের গুলির লড়াই শুরু হয়। গোপন সূত্রে খবর পাওয়া যায় সোপিয়ানে সন্ত্রাসবাদী লুকিয়ে রয়েছে। সেই সূত্রে তল্লাশি অভিযান শুরু করে সেনাবাহিনী, সিআরপিএফ এবং স্পেশাল অপারেশন গ্রুপ। ঈমানদারের একটি বাড়ি থেকে তিনজন সন্ত্রাসবাদীকে গ্রেপ্তার করে ভারতীয় সেনা। এরা জইশ জঙ্গী গোষ্ঠীর সদস্য বলে খবর পাওয়া গেছে।তল্লাশি চালানোর সময় সন্ত্রাসবাদীরা সেনাবাহিনী কে লক্ষ্য করে গুলি ছুড়লে সেনাবাহিনী ও পাল্টা গুলি ছোড়ে সন্ত্রাসবাদীদের দিকে।

এরপর এনকাউন্টারে 2 জন জইশ জঙ্গি খতম হয়েছে বলে খবর পাওয়া গেছে। এখনো গটা এলাকাটিতে সেনাবাহিনী ঘিরে আছে।আর অন্যদিকে কাশ্মীর সীমান্তে বুধবার থেকে ভারত ও  পাকিস্তানের মধ্যে গুলিবর্ষণ শুরু হয়ে গেছে। সার্জিক্যাল স্ট্রাইক 2.0 হওয়ার পর এ রাজ্য থেকে গ্রেফতার হলো দুই বাংলাদেশি জঙ্গি। কলকাতা পুলিশের এসটিএফ ও মুর্শিদাবাদ পুলিশের তল্লাশি অভিযান এর পর এই দুই বাংলাদেশি জঙ্গি ধরা পড়ে।
কলকাতা পুলিশের স্পেশাল টাস্ক ফোর্স ও মুর্শিদাবাদ পুলিশের যৌথ অভিযানে জঙ্গিদের কাছ থেকে প্রচুর পরিমাণে বিস্ফোরক উদ্ধার করা হয়েছে। জানা যায় এই দুই জঙ্গি বহুদিন ধরে বাংলাদেশের কুখ্যাত জামাত -উল -মুজাহিদ্দিন বাংলাদেশের সাথে যুক্ত। ওই দুই জঙ্গিদের জেরা করা হচ্ছে বলে জানা যায়। অনেকে মনে করছেন এই দুই জঙ্গির কাছ থেকে পুলিশেরা অনেক কিছু গুরুত্বপূর্ণ তথ্য জানতে পারবে।

মঙ্গলবার ভোররাতে পাকিস্তানের মাটিতে 1000 কিলোগ্রাম বোমা বিস্ফোরণ করা হয়েছিল ভারতীয় বায়ুসেনা মাধ্যমে। এরপরই বুধবার কাশ্মীরে 2 জইশ জঙ্গিকে খতম করে ভারতীয় সেনা। অপরদিকে আবার পাক সীমান্ত থেকে অনবরত গোলা ছুটে আসছে। এর ফলে 5 ভারতীয় জওয়ান আহত হয়েছেন। ঠিক এমনই একটি পরিস্থিতিতে রাজ্য থেকে জঙ্গি ধরা পড়ার  ঘটনা তাৎপর্যবাহী বলা চলে।