বয়স বাড়ার সাথে সাথে কী কমবে Electric গাড়ির ব্যাটারির আয়ু! কমবে কী মাইলেজ! কী বলছেন বিশেষজ্ঞরা, জানুন বিস্তারিত

গত কয়েক বছরে বৈদ্যুতিক গাড়ির (EV vehicles)দাম উল্লেখ যোগ্য ভাবে কমেছে। উদ্বিগ্ন হয়েছে লোকজন গাড়ির রেঞ্জ নিয়ে এবং তার খরচা বেশি হলেও অনেকেই ওর দিকেই এগোচ্ছে। গত কয়েক বছরে ভারতে বৈদ্যুতিক গাড়ির জনপ্রিয়তা আকাশ ছোঁয়া হয়েছে। বিশেষ করে দু-চাকার গাড়ির বিক্রি উল্লেখ যোগ্য ভাবে বেড়েছে। উপভোক্তারা বৈদ্যুতিক গাড়ি কেনার আগে সবচেয়ে বেশি চিন্তা করে এমন গাড়ির ক্যাটাগরি।

অন্য কথায়, একটি গাড়ি এক চার্জে কত কিলোমিটার যেতে পারে? ভারতে বৈদ্যুতিক স্কুটারের গড় পরিসীমা ৭০ কিমি। যাই হোক, একটি যাত্রীবাহী গাড়ি এক চার্জে প্রায় ২০০ কিলোমিটার যেতে পারে। তবে গাড়ির বয়স বাড়ার সাথে সাথে এর চলার ক্ষমতাও কমে যায়।একটি ইলেকট্রিক গাড়ি কে কতোবার চার্জ দেওয়া সম্ভব সেই বিষয় এই মুহূর্তে অজানা। প্রতিটি ব্যাটারির একটি নির্দিষ্ট পরিমাণে আয়ু থাকে। ঠিক মোবাইল ফোনের মতো ইলেকট্রিক গাড়ির ব্যাটারির ক্ষমতাও কমছে সময় এর সাথে।

এর পিছনে অনেক কারণ আছে যে কারণে এই রিচার্জেবল ব্যাটারির ক্ষমতা ধীরে ধীরে কমতে থাকে। একটি ব্যাটারি লাইফ ব্যাটারি চার্জ করার অভ্যাসের উপর নির্ভর করে এবং কি উপাদান যা থেকে ব্যাটারি তৈরি করা হয়।

সময়::–

ব্যবহারের সাথে সাথে ব্যাটারির আয়ু কমে যায়। যে মুহূর্ত থেকে ব্যাটারি ব্যবহার করা শুরু হয়, ঠিক তখন থেকে ব্যাটারির ক্ষমতা ধীরে ধীরে কমতে থাকে। তবে নতুন প্রযুক্তির ব্যাটারির তৈরি হওয়ার ফলে ব্যাটারির আয়ু আগের চেয়ে বেশি সময় নিচ্ছে। নতুন থার্মাল ম্যানেজমেন্ট সিস্টেম ব্যবহারের মাধ্যমে আজ ব্যাটারি আরও উন্নত করা হয়েছে।

তাপমাত্রা::–

তাপমাত্রা একটি ব্যাটারির জীবনে একটি বড় ভূমিকা পালন করে। খুব ঠান্ডা আবহাওয়ায় ব্যাটারি চার্জ করলে সেই ব্যাটারির আয়ু খুব তাড়াতাড়ি কমে যায়। তবে হালকা একটু গরম আবহাওয়ায় ব্যাটারি লাইফ কম নষ্ট হয়। তবে গরম ও আর্দ্র পরিবেশে অনেকক্ষণ অথবা অনেকদিন ধরে ব্যাটারি ব্যবহার করা হলে ব্যাটারির ক্ষয় ক্ষতি হওয়ার সম্ভবনা থাকে।

চার্জ করার অভ্যাস:–

ব্যাটারি লাইফ চার্জ করার অভ্যাসের উপরও নির্ভর করে। ঘন ঘন চার্জ করার ফলে এবং ব্যাটারির সম্পূর্ণ চার্জ শেষ করে দিলে সেটি ব্যাটারির স্বাস্থ্য খারাপ করতে পারে। দ্রুত চার্জিং প্রযুক্তির ফলেও ব্যাটারির ক্ষয় ক্ষতি হয়।

দ্রুত চার্জিং:–

দিন দিন তাড়াতাড়ি চার্জ করার চাহিদা বৃদ্ধি পাওয়ার জন্য ফাস্ট চার্জিং প্রযুক্তি ব্যবহার করা হয়, যার কারণে ব্যাটারির আয়ু প্রতিনিয়ত কমতে থাকে। যে কারণে গাড়ির চলার ক্ষমতার রেঞ্জ খুব তাড়াতাড়ি কমে যাওয়ার সম্ভাবনা রয়েছে।