করােনার মধ্যে সাধারণ নির্বাচন ও উপ-নির্বাচনের জন্য নতুন নির্দেশিকা জারি করল নির্বাচন কমিশন…

দেশজুড়ে প্রতিনিয়ত হু হু করে বাড়ছে করোনা আক্রান্তের সংখ্যা আর দেখতে দেখতে এই গণ্ডি পেরিয়ে গেছে প্রায় 30 লাখ এর কাছাকাছি।আর এখনও পর্যন্ত এই করোনা জেরে ভারতে মৃতের সংখ্যা দাঁড়িয়েছে প্রায় 56 হাজারের কাছাকাছি। তবে এই করোনা আবহে রয়েছে বিহারের বিধানসভা নির্বাচন যদিও এর আগে করোনার আবহের জেরে পিছিয়ে দিয়েছে পশ্চিমবঙ্গে পৌর ভোট নির্বাচন। তবে এবার ভারতের নির্বাচন কমিশনের তরফ থেকে নির্দেশিকা জারি করে আগামী দিনে কীভাবে নির্বাচন করা হবে তার তথ্য প্রকাশ করা হয়েছে।

 

যদিও এই বিষয় নিয়ে অনেক দিন ধরেই আলোচনা চলছিল অবশেষে গতকাল শুক্রবার দিন নির্বাচন কমিশনার এর তরফ থেকে এই নিয়ে একাধিক বিধিনিষেধ সহ গুরুত্বপূর্ণ নির্দেশিকা জারি করা হয়েছে। যেখানে প্রথমেই বলা হয়েছে নির্বাচন ভিত্তিক কোন কাজকর্ম করার জন্য মাস্ক পড়া অত্যন্ত বাধ্যতামূলক।তবে আর দেরি না করে আপনাদের এই করোনা কালের মধ্যে নির্বাচন কমিশনের তরফ থেকে যে বিজ্ঞপ্তি জারি করা হয়েছে সে বিষয়ে জানানোর যাক—


• নির্বাচন ভিত্তিক যে কোন কাজকর্ম করার আগে মাস্ক পড়া অত্যন্ত বাধ্যতামূলক একথা নির্বাচন কমিশনার এর তরফ থেকে প্রথমেই জানানো হয়েছে। অর্থাৎ ভোটকেন্দ্রে থেকে শুরু করে ভোট দান করা এবং নির্বাচনের একাধিক কাজকর্ম করার ক্ষেত্রে এই বিধি- নিষেধ মানা হবে।
• নির্বাচন হলে,ঘরে কিংবা যেখানেই হোক না কেন সেখানে থার্মাল স্ক্যানিং রাখা বাধ্যতামূলক। এক্ষেত্রে সাবান, জল, স্যানিটাইজার ও রখতে হবে।
• শুধু তাই নয় নির্বাচন কমিশনের তরফ থেকে জারি করা হয় বিজ্ঞপ্তিতে স্পষ্ট জানিয়ে দেওয়া হয়েছে করোনা আক্রান্ত ব্যক্তিও নির্বাচনে অংশগ্রহণ করতে পারবেন।

 

এছাড়া 80 বছরের উর্ধ্বে যারা আছেন তারাও কিন্তু ভোটদানে অংশগ্রহণ করতে পারবেন। তবে তারা এক্ষেত্রে ভোট প্রদান করবেন পোস্টাল ব্যালটের মাধ্যমে। এছাড়াও শারীরিক দিক দিয়ে বিশেষভাবে সক্ষমদের ক্ষেত্রেও পোস্টাল ব্যালটের ব্যবস্থা করা হবে।
• এক্ষেত্রে নির্বাচনের কাজ করা হবে কোন হল ঘর বা কোনো বড় স্থানে যাতে সামাজিক দূরত্বও সঠিকভাবে বোঝায় রাখা যায়।
• এক্ষেত্রে পোলিং অফিসার ও নির্বাচন কর্মীদের যাতে কোন অসুবিধা না হয় তার জন্য পর্যাপ্ত পরিমাণে গাড়ির ব্যবস্থা রাখা হবে।
• তাছাড়া নোডাল অফিসাররা এক্ষেত্রে নজরদারি রাখবেন সমস্ত রকম নির্বাচন বুথগুলিতে যাতে সমস্ত রকম যে নির্দেশগুলি বলা হয়েছে সেগুলি সঠিকভাবে মানা হচ্ছে কিনা সেটি পর্যবেক্ষণ করা যায়।


• এক্ষেত্রে রাজনৈতিক প্রচারেও রাখা হয়েছে বিধি- নিষেধ যেখানে বলা হয়েছে রাজনৈতিক নেতারা প্রচারে বাড়ি বাড়ি যাওয়ার ক্ষেত্রে 5 জনের বেশি যেতে পারবেন না।
• ইভিএম মেশিন, ভিপিপ্যাটগুলি রীতিমতো সেনিটাইজ করা হবে এবং যারা এগুলিকে নিয়ে আসবেন তাদের হাতে গ্লাভস থাকা অত্যন্ত আবশ্যক।
• নির্বাচন সংক্রান্ত সমস্ত রকম প্রশিক্ষণ কারুকার্য গুলি এবার অনলাইনের মাধ্যমে সম্পন্ন করা হবে।

• আর রোড শোয়ের ক্ষেত্রে 5 টির বেশি গাড়ি ব্যবহার করা যাবে না। পাশাপাশি স্বাস্থ্যমন্ত্রকের নির্দেশিকা অনুযায়ী সামাজিক দূরত্ব বজায় রাখা অত্যন্ত বাধ্যতা মূলক।
• সিইও , ডিইও ওয়েবসাইট থেকে মনােনয়নের ফর্ম পাওয়া যাবে আর সেগুলি অনলাইনেই পূরণ করা যাবে। সম্পত্তির প্রকাশ ও অন্যান্য তথ্যও অনলাইনের মাধ্যমেই পূরণ করা যাবে,মনােনয়নের সঙ্গেই সেগুলি জমা দেওয়া যাবে । অনলাইনের মাধ্যমেই জামানত জমা রাখা যাবে । জামানত বাজেয়াপ্ত হলে তখন নগদ টাকা দেওয়ার বিকল্প ব্যবস্থাও রাখা হয়েছে ।