ক্লাসিক গাড়ির থেকে পরিবেশের জন্য বেশি ক্ষতিকর বর্তমানের Electric Car, চাঞ্চল্যকর দাবি সমীক্ষায়

পেট্রোল এবং ডিজেল চালিত গাড়ির থেকে এখন বেশি জনপ্রিয় হয়ে উঠেছে ইলেকট্রিক গাড়ি। অনেকেই বলছেন যোগাযোগ ব্যবস্থার জন্য অন্য দিশা খুলে দিয়েছে এই ইলেকট্রিক গাড়ি। বর্তমানে বেশিরভাগ কোম্পানির নতুন ইলেকট্রিক গাড়ি লঞ্চ করার সময় বারবার বলেন এই ইলেকট্রিক গাড়ি আগামী দিনে পরিবেশ রক্ষা করবে অর্থাৎ এই গাড়ি অনেক বেশি পরিবেশবান্ধব। পরিবেশ রক্ষা করার জন্য ইলেকট্রিক গাড়ি তৈরি করার ক্ষেত্রে যত আগ্রহ তৈরি হয়েছে ততটাই আগ্রহ তৈরি হয়েছে ইলেকট্রিক গাড়ি কেনাবেচার ক্ষেত্রে।

ভারতে পর্যাপ্ত চার্জিং পরিকাঠামোর অভাব এখনো ইলেকট্রিক গাড়ির জনপ্রিয়তা বৃদ্ধি না হলেও বিশ্বের একাধিক দেশে রাস্তায় এখন নিয়মিত ইলেকট্রিক গাড়ি ব্যবহার করতে দেখা যায় মানুষকে। এই দৃশ্য আর একবার প্রমাণ করে দেয় আগামী বেশকিছু বছরের মধ্যে ইলেকট্রিকতে গাড়ি ছেয়ে যাবে বিশ্বের বাজার। তবে ইলেকট্রিক গাড়িকে যতই পরিবেশবান্ধব বলে দাবি করা হোক না কেন, সম্প্রতি একটি গবেষণায় জানা গেছে, কয়েক দশকের পুরনো ক্লাসিক ভিন্টেজ গাড়িগুলি ইলেকট্রিক গাড়ি তুলনায় কম ক্ষতিকর।

সম্প্রতি ফুটম্যান জেমসের একটি গবেষণায় দাবি করা হয়েছে, বৈদ্যুতিক মডেল বা আধুনিক গাড়ি তুলনায় ক্লাসিক গাড়ি পরিবেশের উপর অনেক প্রভাব ফেলে। আধুনিক গাড়ির তুলনায় ক্লাসিক গাড়ি কম ব্যবহৃত হয়। কম ব্যবহার হওয়ার ফলে আধুনিক গাড়ির তুলনায় ক্লাসিক গাড়ি অনেক কম প্রভাব ফেলে।পরিবেশের উপর। পুরনো ক্লাসিক গাড়ি গুলিতে নিঃসন্দেহে অনেক বেশি দুআ নির্গমন হয় কিন্তু এখন প্রত্যেকটি দেশে ভুয়া নির্গমনের জন্য নির্দিষ্ট নিয়ম রয়েছে।

ভারতে এই সমস্ত গাড়ি এবং মোটরসাইকেলে ব্যবহার করা হয় BS 6 ইঞ্জিন। আধুনিক যানবাহনে তুলনায় পুরনো এবং ক্লাসিক গাড়ির ব্যবহার অনেক কম বলে দূষণ অনেক কম হয়। ফুটম্যান জেমসের প্রকাশিত সমীক্ষায় জানানো হয়েছে, ইউনাইটেড কিংডম একটি ক্লাসিক গাড়ি প্রতিবছর 562 কার্বন ডাই-অক্সাইড নির্গমন করে যা একটি আধুনিক গাড়ি তুলনায় অনেকটাই কম।

গাড়ি প্রস্তুতকারী সংস্থা গুলির কার্বন নিরপেক্ষ গাড়ি তৈরি করতে আরো বেশ কয়েক দশক লেগে যাবে। প্রায় দুই-তৃতীয়াংশ ক্লাসিক গাড়ির মালিক জলবায়ু পরিবর্তন নিয়ে এখন থেকেই ভীষণ উদ্বিগ্ন এবং অর্ধেকের বেশি নির্গমন হ্রাসকারী প্রযুক্তি ব্যবহার করতে ইচ্ছুক। যদিও আধুনিক যানবাহনের প্রতি কিলোমিটার কার্বন ডাই-অক্সাইড নির্গমন অনেকটাই কম, তারে বেশি দূরত্ব চলার কারণে এই গাড়িগুলো পরিবেশের উপর অনেক বেশি প্রভাব ফেলবে বলে মনে করা হচ্ছে।