চীনা কোম্পানি Xiaomi-এর বিরুদ্ধে ED-এর বড় পদক্ষেপ, ৫,৫৫১ কোটি টাকার সম্পত্তি বাজেয়াপ্ত

চীনা মোবাইল কোম্পানী জিয়াওমির বিরুদ্ধে বড় ধরনের ব্যবস্থা নিয়েছে ইডি। কেন্দ্রীয় তদন্তকারী সংস্থা এনফোর্সমেন্ট ডিরেক্টরেট, চীনা কোম্পানী জিয়াওমির কোটি কোটি টাকার সম্পত্তি বাজেয়াপ্ত করেছে, যেটি রেডমি এবং মির মতো জনপ্রিয় মোবাইল ফোন ব্র্যান্ড তৈরি করে। অধিদপ্তর, কোম্পানীর বিরুদ্ধে ফরেন এক্সচেঞ্জ ম্যানেজমেন্ট অ্যাক্ট লঙ্ঘনের অভিযোগ তদন্ত করছে। জিয়াওমি ইন্ডিয়ার ৫,৫৫১ কোটি টাকার সম্পত্তি বাজেয়াপ্ত করেছে৷


কোম্পানীর এই টাকা বিভিন্ন ব্যাংকে জমা ছিল। কোম্পানীর বিরুদ্ধে ফরেন এক্সচেঞ্জ ম্যানেজমেন্ট অ্যাক্ট লঙ্ঘন ছাড়াও, অর্থ পাচারের অভিযোগ রয়েছে৷ জিয়াওমি ইন্ডিয়া ২০১৪ সালে ভারতে কাজ শুরু করে। জিয়াওমি ইন্ডিয়া ২০১৫ সাল থেকে অর্থ প্রেরণ করতে শুরু করে। ইডি জানিয়েছে, এখনও পর্যন্ত তিনটি বিদেশি সংস্থাকে বৈদেশিক মুদ্রা পাঠিয়েছে চিনা সংস্থা। ভারতীয় মুদ্রায় যার মূল্য ৫,৫৫১.২৭ কোটি টাকা। ইডি বলছে, রয়্যালটি দেওয়ার আড়ালে এত বড় অঙ্ক পাঠিয়েছে এই সংস্থাটি।

এর মধ্যে একটি বিদেশী কোম্পানী জিয়াওমি গ্রুপের অন্তর্গত এবং অন্য দুটি কোম্পানী আমেরিকার হলেও শুধুমাত্র জিয়াওমির কোম্পানীই তাদের চূড়ান্ত সুবিধা পেয়েছে। গ্রুপের ভারতীয় শাখা, চীনা মূল কোম্পানীর নির্দেশে এই কোম্পানীগুলিতে এই অর্থ স্থানান্তর করেছে। ইডির মূলত অভিযোগ, এই তিন বিদেশি সংস্থা থেকে কোনো পরিষেবা নেয়নি জিয়াওমি। তাসত্ত্বেও এত টাকা এই তিন সংস্থাকে প্রেরণ ঘিরেই সন্দেহ তৈরি হয়। এরপর তদন্ত শুরু করে ইডি।

এই মাসের শুরুতে ইডি, জিওমির প্রাক্তন ভারতের প্রধান মনু কুমার জৈনকে  তলব করেছিল এবং তাঁকে জিজ্ঞাসাবাদ করেছিল। ইডি ফেব্রুয়ারি থেকে ভারতে সংস্থাটি কীভাবে কাজ করে তা নিয়ে তদন্ত করছে। ফেব্রুয়ারিতে তদন্তকারী সংস্থা, জিয়াওমি সংস্থাটিকে নোটিশ পাঠিয়ে বেশ কিছু নথি দাবি করেছিল। মনু কুমার জৈন বর্তমানে কোম্পানীর গ্লোবাল ভাইস প্রেসিডেন্ট। চিনা সংস্থাটি অনেক জাল নথি তৈরি করে রয়্যালটির নামে এই টাকা পাঠিয়েছে এবং এই পদক্ষেপে বৈদেশিক মুদ্রা ম্যানেজমেন্ট আইনের ৪ নং ধারা লঙ্ঘন করে এবং চিনা সংস্থার বিরুদ্ধে আরো অভিযোগ, এই টাকা প্রেরণ করার সময় ব্যাঙ্ককে বিভ্রান্তিকর তথ্য দিয়েছিল এই সংস্থা।